কংক্রিটের জঙ্গলে এক চিলতে সবুজ খুঁজে পাওয়া এখন বিলাসিতা। বাড়ির সামনে বড় বাগান নেই! তাতে কুছ পরোয়া নেহি। বারান্দার টবে গাছ লাগান। বাগান না থাকলেও আপনার বাড়ির বারান্দা বা ছাদকেই বেছে নিন। ফুটিয়ে তুলুন স্থলপদ্ম। একটু নিয়ম মেনে চললে টবেই সারাবছর এই সৌন্দর্যের চাষ সম্ভব। কীভাবে? জানুন সহজ কৌশল।

আরও পড়ুন:
টব ও মাটির সমীকরণ
স্থলপদ্ম চাষের প্রথম শর্ত হল সঠিক পাত্র নির্বাচন। খুব ছোট টবে এই গাছ হাঁসফাঁস করে। তাই অন্তত ১০-১২ ইঞ্চি ব্যাসের টব বেছে নিন। মনে রাখবেন, গাছের পায়ের তলায় যেন জল না জমে। তাই টবের নিচে নিকাশি ব্যবস্থা বা ছিদ্র থাকা বাধ্যতামূলক। মাটির মিশ্রণটি হতে হবে ঝুরঝুরে। ৪০ শতাংশ বাগানের মাটির সঙ্গে ৩০ শতাংশ গোবর সার বা ভার্মিকম্পোস্ট এবং ৩০ শতাংশ বালি মিশিয়ে নিন। এতে গাছের শিকড় সহজেই অক্সিজেন পাবে।
রোদের আদর ও জলের পরিমাপ
স্থলপদ্ম রোদ বড় ভালোবাসে। দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা কড়া রোদ পেলে গাছের বাড়বাড়ন্ত হয় দেখার মতো। তবে দুপুরে খুব বেশি তাপ থাকলে সামান্য আড়ালে রাখতে পারেন। জল দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘ব্যালেন্স’ বজায় রাখা জরুরি। মাটি একদম শুকিয়ে গেলে তবেই জল দিন। অতিরিক্ত জল কিন্তু শিকড় পচিয়ে দিতে পারে। বর্ষাকালে জল জমার ভয় থাকে, তাই সেদিকে কড়া নজর রাখুন।

খাবার ও ছাঁটাই
গাছকে শক্তিশালী করতে নিয়মিত জৈব সারের জোগান দিন। মাসে একবার তরল সার ব্যবহার করা ভালো। ফুল আসার মরশুমে সামান্য ফসফরাস সমৃদ্ধ সার কুঁড়ি আনতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখবেন, অতিরিক্ত সার হিতে বিপরীত হতে পারে। বছরে একবার হালকা করে গাছের ডাল ছাঁটাই করুন। এতে নতুন ডালপালা গজাবে এবং ফুলের সংখ্যা বাড়বে। মাঝেমধ্যে নিম তেল স্প্রে করলে পোকামাকড় দূরে থাকবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি