ব্যস্ত জীবনে রোজ বাজারে যাওয়ার সময় নেই। তাই সপ্তাহের শেষে থলি ভরে আনাজপাতি কিনে এনে সোজা চালান হয় ফ্রিজে। ভাবছেন এতেই সব টাটকা থাকবে? আসলে কিন্তু হিতে বিপরীত। ফ্রিজের কনকনে ঠান্ডায় অনেক সবজিই তার আসল স্বাদ ও পুষ্টিগুণ হারিয়ে ফেলে। উলটে ফ্রিজের আর্দ্রতায় দ্রুত পচন ধরতে পারে আপনার সাধের আনাজে। রসুইঘরের এই সাধারণ ভুলগুলি এড়িয়ে চলতে হবে। সুস্থ থাকতে জেনে নিন কোন কোন সবজি ফ্রিজ থেকে দূরে রাখবেন।

আরও পড়ুন:
টম্যাটো
টম্যাটো ফ্রিজে রাখলে তার গুণ নষ্ট হয়ে যায়। ঠান্ডার কারণে এর কোষের দেওয়াল ভেঙে গিয়ে টম্যাটো নরম ও পানসে হয়ে পড়ে। এর স্বাভাবিক গন্ধও উবে যায়।

শসা
শসা ফ্রিজে রাখা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। শসার সিংহভাগই জল। অত্যাধিক ঠান্ডায় সেই জল শুকিয়ে যায় এবং শসা দ্রুত কুঁচকে গিয়ে তেতো হয়ে পড়ে। টম্যাটো ও শসা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় খোলা হাওয়ায় রাখাই দস্তুর।

আলু
আলু ফ্রিজে রাখলে তার ভেতরে থাকা স্টার্চ বা শর্করা চিনিতে রূপান্তরিত হয়। এর ফলে রান্নার পর আলু অস্বাভাবিক মিষ্টি লাগে এবং কালচে হয়ে যায়। আলুর সঠিক স্বাদ পেতে একে অন্ধকার ও ঠান্ডা জায়গায় রাখা উচিত।

পেঁয়াজ
ফ্রিজের আর্দ্রতায় পেঁয়াজ খুব দ্রুত নরম হয়ে যায় এবং ছত্রাক ধরতে শুরু করে। মনে রাখবেন, আলু ও পেঁয়াজ কখনওই একসঙ্গে রাখবেন না। কারণ পেঁয়াজ থেকে নির্গত গ্যাস আলুকে দ্রুত পচিয়ে দিতে পারে।

রসুন
রসুন সংরক্ষণের সেরা উপায় হল বাতাস চলাচল করে এমন শুকনো জায়গা। ফ্রিজে রাখলে রসুনের কোয়াগুলি রবারের মতো নরম হয়ে যায় এবং দ্রুত অঙ্কুরিত হতে শুরু করে। এতে রসুনের ঝাঁজ কমে গিয়ে স্বাদ তেতো হয়ে যায়। প্লাস্টিকের ব্যাগে না রেখে জালের থলিতে রসুন রাখলে তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে।
বাজার থেকে আনাজ আনার পর ফ্রিজকে গুদামঘর না বানিয়ে সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করুন। এতে খাবারের গুণমান বজায় থাকবে। আপনার শরীরও থাকবে চনমনে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!
-
বাড়বে স্ক্রিনের সংখ্যা! ভারতীয় সিনে ইন্ডাস্ট্রির উন্নতিতে একগুচ্ছ ঘোষণা কেন্দ্রের