Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Vastu Tips

গৃহনির্মাণে এই ভুল করছেন না তো? বাস্তুর মারাত্মক গলদ ডেকে আনে মৃত্যুও!

গৃহ যদি শাস্ত্রসম্মত নিয়মে নির্মিত না হয়, তবে সেই বাস্তুভিটেই হয়ে উঠতে পারে যমপুরী। আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হওয়া কিছু বাস্তুত্রুটি অলক্ষ্যে ডেকে আনতে পারে গৃহস্বামীর চরম সর্বনাশ, এমনকী আকস্মিক অকালমৃত্যুও!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৪:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৪:৪৯

options
link
গৃহনির্মাণে এই ভুল করছেন না তো? বাস্তুর মারাত্মক গলদ ডেকে আনে মৃত্যুও! zoom
গৃহস্বামীর বিনাশ রুখতে মানুন এই বাস্তুবিধি।

ইঁট-কাঠ-পাথরের খাঁচাটুকুই শুধু নয়, শাস্ত্রীয় ভাবনায় ‘বাড়ি’ আসলে এক জীবন্ত সত্তা। গ্রহ-নক্ষত্রের মহাজাগতিক ঘূর্ণন বা রাশির ফেরে মানুষের ভাগ্য যতটা নিয়ন্ত্রিত হয়, তার চেয়েও ঢের বেশি প্রভাব ফেলে চার দেওয়ালের অন্দরে লুকিয়ে থাকা অদৃশ্য শক্তি। গৃহ যদি শাস্ত্রসম্মত নিয়মে নির্মিত না হয়, তবে সেই বাস্তুভিটেই হয়ে উঠতে পারে যমপুরী। আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হওয়া কিছু বাস্তুত্রুটি অলক্ষ্যে ডেকে আনতে পারে গৃহস্বামীর চরম সর্বনাশ, এমনকী আকস্মিক অকালমৃত্যুও! বাস্তুর কোন ভুলগুলি এড়িয়ে চলবেন?

ফাইল ছবি

১) আধুনিক আবাসন সংস্কৃতিতে এক দেওয়াল জুড়ে দুটি বাড়ি তৈরির প্রবণতা বাড়ছে। কিন্তু বাস্তুমতে, এই যৌথ দেওয়াল গৃহস্বামীর ভবিষ্যতের জন্য যমরাজের সমান। তাই গৃহের চারপাশ এবং মূল প্রবেশদ্বারের সামনে কিছুটা উন্মুক্ত স্থান রাখা আবশ্যিক। একইভাবে, কোনও ভূখণ্ডের উত্তর বা পূর্ব দিকে ঘেঁষে বাড়ি তৈরি করলে সম্পত্তি নাশ অনিবার্য। শাস্ত্রের বিধান, সর্বদা ভূখণ্ডের ঠিক মধ্যভাগে বা ব্রহ্মস্থানে গৃহ নির্মাণ করা উচিত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২) বাড়ির ঠিক কেন্দ্রস্থল বা ব্রহ্মস্থানে ভোজনকক্ষ থাকলে গৃহস্বামীর জীবন কাটে চরম সংঘর্ষে। এই স্থানে শৌচালয় কিংবা লিফট থাকলে পারিবারিক বিপর্যয় অবধারিত। আবার পশ্চিম দিকের চেয়ে পূর্ব দিকের দেওয়াল ভারী হলে আকস্মিক গাড়ি দুর্ঘটনার যোগ তৈরি হয়। দক্ষিণ দিকে জলাশয় থাকলে গৃহকর্ত্রী চিররোগী হন, নারীদের ওপর অত্যাচার বাড়ে।

৩) গৃহের আগ্নেয় কোণে বা দক্ষিণ-পূর্বে বট, অশ্বত্থ বা পাকুরের মতো বৃক্ষ থাকলে জাতকের চরম কষ্ট ও মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। মূল ফটকের সামনে সোজা কোনও পথ বা গাছ থাকাও এক প্রকার দ্বারদোষ, যা গৃহস্বামীকে কঠিন রোগে আক্রান্ত করে। এমনকী সিংহদুয়ারের মাঝখানে ছোট পকেট দরজা তৈরি করাও শাস্ত্রীয় মতে ‘যমরাজের মুখ’ খোলার শামিল। পাশাপাশি, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টের মধ্যে যদি কোনও মন্দির, পাহাড় বা উঁচু কাঠামোর ছায়া বাড়ির ওপর পড়ে, তবে সেই ‘ছায়াবেধ’ গৃহস্বামীর পতন ডেকে আনে।

৪) নতুন বাড়ি তৈরির সময় পুরোনো কাঠ বা উপকরণ ব্যবহার করলে বংশনাশ হয়। সূর্য যে নক্ষত্রে অবস্থান করছে, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় ‘বৃষ চক্র’। এই চক্রের অশুভ নক্ষত্রযোগে গৃহের শিলান্যাস করলে অগ্নিভয় ও গৃহস্বামীর পতন ঘটে। সবচেয়ে মারাত্মক হল ‘রাহুমুখ’। সূর্যের রাশি অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে দিক নির্ণয় করে তবেই মাটি খনন করা উচিত। রাহুর মুখের ওপর আঘাত লাগলে গৃহস্বামীর জীবন সংশয় দেখা দেয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.