Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Skin Treatment

পোড়া ক্ষতে মাছের প্রলেপ! চিকিৎসার খরচ কমবে ৭৫%, তেলাপিয়ার উপকারিতা চমকে দেবে

আগুনে হাত পুড়েছে? দগদগে ঘা আর যন্ত্রণা! ব্যান্ডেজ কিংবা দামি অ্যান্টিসেপটিক ক্রিমের প্রয়োজন নেই। ওষুধ ছাড়াই সেরে উঠবে পোড়া ক্ষত। কীভাবে? জেনে নিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৭:২৬

options
link
পোড়া ক্ষতে মাছের প্রলেপ! চিকিৎসার খরচ কমবে ৭৫%, তেলাপিয়ার উপকারিতা চমকে দেবে zoom
শরীরে পোড়া ক্ষত সারাতে তেলাপিয়া মাছের ছালই যথেষ্ট! ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

আগুনে হাত পুড়েছে? দগদগে ঘা আর যন্ত্রণা! ব্যান্ডেজ কিংবা দামি অ্যান্টিসেপটিক ক্রিমের প্রয়োজন নেই। ওষুধ ছাড়াই সেরে উঠবে পোড়া ক্ষত। কীভাবে? তেলাপিয়া মাছ শুধু খেলেই হবে না, চিকিৎসাতেও কাজে লাগাতে হবে। শুনতে অবিশ্বাস্য লাগছে? তা লাগতেই পারে বইকি! কিন্তু এমনই এক যুগান্তকারী চিকিৎসা বাতলেছে ব্রাজিলের একদল গবেষক ও চিকিৎসক। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হচ্ছে ‘বায়োলজিক্যাল ড্রেসিং’। ফেলে দেওয়া তেলাপিয়া মাছের চামড়া দিয়েই করা হচ্ছে দগ্ধ রোগীর সফল চিকিৎসা।

ছবি: সংগৃহীত

তেলাপিয়া মাছের ছাল কেন?
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মানুষের ত্বকের পুনর্গঠনের জন্য কোলাজেন প্রোটিন অত্যন্ত জরুরি। আর তেলাপিয়া মাছের ত্বকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আর্দ্রতা এবং টাইপ-১ কোলাজেন প্রোটিন। এই প্রোটিনের গঠন মানুষের ত্বকের কোষীয় কাঠামোর প্রায় সমতুল্য। ফলে এটি মানুষের শরীরে দ্রুত টিস্যু পুনর্গঠনে সাহায্য করে। তেলাপিয়া মাছের চামড়ায় রয়েছে বিশেষ অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান, যা ক্ষতস্থানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ছড়াতে দেয় না। আবার প্রাকৃতিক অ্যানালজেসিক হিসেবেও কাজ করে রোগীর ব্যথা উপশম করে।

Advertisement

কোন পদ্ধতিতে চলে চিকিৎসা?
এই থেরাপির প্রক্রিয়াটি বেশ সহজ। প্রথমে তেলাপিয়া মাছের চামড়া সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত বা স্টেরিলাইজড করা হয়। এরপর কোনও রকম কৃত্রিম মলম ছাড়াই সেই চামড়া সরাসরি বসিয়ে দেওয়া হয় রোগীর পোড়া অংশে। ওপর থেকে দেওয়া হয় সাধারণ ব্যান্ডেজ। প্রায় ১০ দিন এই ‘মাছের চামড়ার প্রলেপ’ ক্ষতস্থানকে ঢেকে রাখে। নির্দিষ্ট সময় পর চিকিৎসকরা যখন এই চামড়াটি তোলেন, তখন দেখা যায় ভেতরের ক্ষত সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের দাবি, প্রথাগত গজ-ব্যান্ডেজ খোলার সময় রোগীরা যে তীব্র যন্ত্রণা পান, এই পদ্ধতিতে তার বিন্দুমাত্র হয় না। চামড়াটি অনায়াসেই উঠে আসে।

ছবি: সংগৃহীত

এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে খরচ কমবে ৭৫ শতাংশ!
ব্রাজিলে তেলাপিয়া মাছ অত্যন্ত সহজলভ্য। সাধারণত মাছের এই অংশটি বর্জ্য হিসেবে ফেলেই দেওয়া হয়। গবেষকরা এই ফেলে দেওয়া সম্পদকেই চিকিৎসার হাতিয়ার করেছেন। ইতিমধ্যে ৫৬ জন রোগীর ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালিয়ে অভূতপূর্ব সাফল্য মিলেছে। চিকিৎসকদের দাবি, এই পদ্ধতিতে প্রচলিত চিকিৎসার তুলনায় খরচ কমবে প্রায় ৭৫ শতাংশ। সময়ও লাগবে অনেক কম। চিকিৎসার এই নয়া দিগন্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক বিরাট বিপ্লব আনতে চলেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.