Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Thyroid

চোখ দেখেই বোঝা যাবে থাইরয়েড কি না! এই লক্ষণগুলি দেখলেই আগেভাগে সতর্ক হোন

চোখে কীভাবে প্রকাশ পায় থাইরয়েডের সমস্যা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২৫, ১৫:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২৫, ১৫:৩৩

options
link
চোখ দেখেই বোঝা যাবে থাইরয়েড কি না! এই লক্ষণগুলি দেখলেই আগেভাগে সতর্ক হোন zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: থাইরয়েড গ্রন্থি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি গলার কাছে প্রজাপতির আকারে থাকে। শরীরের সামগ্রিক বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। যখন থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন সেই অবস্থাকে হাইপারথাইরয়েডিজম বলা হয়। এর একটি বিশেষ রূপ হল গ্র্যাভস রোগ। গ্র্যাভস রোগে আক্রান্ত হলে অনেক সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা চোখকেও আক্রমণ করে বসে। ফলে থাইরয়েড আই ডিজিজ বা গ্র্যাভস অপথ্যালমোপ্যাথি দেখা দেয়। চোখের এই পরিবর্তনগুলিই থাইরয়েডের (Thyroid) গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।

Spot Thyroid Disease by This Eye Symptom

Advertisement

লক্ষণগুলি কী কী?
১) চোখ ঠেলে বেরিয়ে আসা:
এটি থাইরয়েড আই ডিজিজের সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ। মনে হবে যেন চোখ দুটি বাইরের দিকে অস্বাভাবিকভাবে ঠেলে বেরিয়ে এসেছে। চোখের পেছনের পেশি এবং টিস্যুতে ফোলা ও প্রদাহ সৃষ্টি হলে এমন হয়।

২) চোখের পাতা উপরে উঠে থাকা: থাইরয়েডের প্রভাবে চোখের পাতা উপরে উঠে যায়। ফলে চোখ স্বাভাবিকের চেয়ে বড় ও বিস্ফারিত দেখায়। চোখের এই পরিবর্তনকে ‘স্টার গেজিং অ্যাপিয়ারেন্স’ বলা হয়।

৩) চোখের লালভাব ও শুষ্কতা: রোগীর চোখে তীব্র জ্বালা অনুভূত হতে পারে। চোখ অতিরিক্ত লাল হয়ে যায়। এছাড়া চোখ থেকে জল পড়া বা শুষ্কতার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

৪) ডাবল ভিশন: চোখের পেশিগুলি এই রোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পেশি দুর্বল ও স্ফীত হওয়ার কারণে চোখ দুটো একই সঙ্গে নড়াচড়া করতে পারে না। ফলে রোগী একটি বস্তুকে দুটি দেখতে পান।

৫) চোখের চারপাশে ফোলা ভাব: চোখের চারপাশে বা পাতার অংশে ফোলা বা পাফিনেস দেখা যায়। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এই ফোলা ভাব আরও স্পষ্ট হয়।

জরুরি সতর্কতা
এই ধরনের চোখের লক্ষণগুলি দেখলে দ্রুত সতর্ক হতে হবে। নিজে থেকে কোনও ওষুধ ব্যবহার করবেন না। এটি শুধুমাত্র চোখে সীমাবদ্ধ থাকা কোনও রোগ নয়। এটি একটি গুরুতর অটো-ইমিউন রোগের ইঙ্গিত দেয়। এই লক্ষণগুলি দেখা গেলে দ্রুত একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা সম্ভব।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.