সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিরাট সুখবর। শরীরে ইনসুলিন নিতে এবার আর বারবার সুচ ফোটানোর যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে না। ভারতে চলে এল মুখে নেওয়ার ‘ওরাল ইনসুলিন’। মুম্বইয়ের বিখ্যাত ওষুধ নির্মাতা সংস্থা দেশের বাজারে এই নতুন ওষুধ নিয়ে এল। ফলে, এখন থেকে আর শরীরে সূচ ফোটাবার প্রয়োজন নেই। ইনসুলিন এবার মুখ দিয়ে টানলেই হবে।
কী এই নতুন ওষুধ?
২০১৫ সালে আমেরিকার ম্যানকাইন্ড কর্পোরেশন প্রথম এই ওরাল ইনসুলিন তৈরি করে। সে দেশের এফডিএ (FDA) ওষুধটিকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এর নাম দেওয়া হয় ‘আফ্রেজ়া’ (Afrezza)। এটি মূলত একটি দ্রুত কার্যকরী ইনসুলিন পাউডার। একটি বিশেষ ইনহেলার ডিভাইসের মাধ্যমে এই পাউডার শ্বাস টেনে ফুসফুসে নিতে হয়।
কীভাবে কাজ করবে?
এই ইনসুলিন নেওয়ার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। ইনহেলার ডিভাইসে পাউডার ভরে ইনহেল করলেই কাজ শুরু। প্রস্তুতকারক সংস্থাটি জানিয়েছে, এই ইনসুলিন নেওয়ার মাত্র ১২ মিনিটের মধ্যে কাজ শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে এটি। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে এটি ব্যবহার করা যাবে।

সুবিধা কী কী?
১) পেটে বা ঊরুতে সুচ ফোটানোর ঝামেলা থাকবে না।
২) ইনজেকশন সংরক্ষণের যে জটিলতা থাকে, এতে সেই ভয় নেই।
৩) প্রতিদিন ইনজেকশন নেওয়ার যে মানসিক চাপ থাকে, তা থেকে রোগীরা এবার মুক্তি পাবেন।
৪) এটি লালার মাধ্যমে বা সরাসরি ফুসফুসের সাহায্যে রক্তে মিশে দ্রুত কাজ শুরু করে।
ভারতে প্রায় ১০ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। টাইপ ১ এবং টাইপ ২—উভয় ধরনের রোগীর জন্যই এই ওষুধ কার্যকরী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO) এই ওষুধের অনুমোদন দিয়েছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই উদ্ভাবন ইনসুলিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সব বাধা কাটিয়ে উঠবে। বিশেষ করে যারা ইনজেকশনের ভয়ে চিকিৎসা ঠিকমতো করতেন না, তাদের জন্য এটি আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে। ভারতের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে এই সহজ আধুনিক চিকিৎসা।
সর্বশেষ খবর
-
‘বলিদান নয়, দেশের চাই আপনার জ্ঞান’, সোনমকে অনশন ভাঙার অনুরোধ বিরোধী সাংসদদের
-
পদ শূন্য হওয়ার আগেই করতে হবে নিয়োগ, কড়া নির্দেশিকা মুখ্যসচিবের
-
‘ঘোর পাপ’, মোদির নিন্দার পরেই নিটের প্রশ্ন ফাঁসে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র, সরবেন ধর্মেন্দ্র?
-
সমর্থন তৃণমূলের ৪ সদস্যর, ঝালদার গ্রাম পঞ্চায়েত দখল বিজেপির
-
রাস্তা বন্ধ করে ২১ জুলাই, ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র বিরুদ্ধে হেস্টিংস থানায় অভিযোগ