Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Minissha Lamba

নিরামিষ খাবারেই খুঁজে পেয়েছেন শান্তি, কেন মাংস খাওয়া ছাড়লেন ফিট মিনিষা লাম্বা?

কোনও প্ল্যান ছাড়াই মাত্র এক মাসের জন্য নিরামিষ খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মিনিষা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৬:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৬:২৬

options
link
নিরামিষ খাবারেই খুঁজে পেয়েছেন শান্তি, কেন মাংস খাওয়া ছাড়লেন ফিট মিনিষা লাম্বা? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুস্থ ও দীর্ঘায়ু জীবনের জন্য সঠিক জীবনচর্যা প্রয়োজন। একদিকে যেমন প্রতিদিনের সিডিউলে শরীরচর্চা ভীষণ জরুরি। তেমনই খাবার পাতে আপনি নিরামিষ না আমিষ, কী খাচ্ছেন তা দেখাটাও গুরুত্বপূর্ণ। ‘বাচনা অ্যায় হাসিনো’ খ্যাত বলিউড অভিনেত্রী মিনিষা লাম্বা সম্প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কথা শেয়ার করলেন ইনস্টাতে। ভাগ করে নিলেন পাঁচ বছর ধরে নিরামিষাশী থাকার এক নিদারুণ অভিজ্ঞতা। একসময় তিনি খাবার পাতে নিয়মিত আমিষ রাখতেন। কিন্তু গত পাঁচ বছরে নিষ্ঠার সঙ্গে নিরামিষ খেয়েছেন। এতে যে শুধু শারীরিক ভাবে তিনি সুস্থ রয়েছেন তা নয়, এমনকী মানসিক ভাবেও বেশ স্ফূর্তিতে থাকেন বলে জানিয়েছেন।Minissha Lambaমিনিষা জানান, দীর্ঘকাল ধরে মাংস খাওয়ার সময় তিনি একধরণের অপরাধবোধে ভুগতেন আগে। কিন্তু এখন নিরামিষ আহার গ্রহণের পর এক অভাবনীয় মানসিক শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, আমাদের খাদ্যাভ্যাস সরাসরি মস্তিষ্কের ডোপামিন ও সেরোটোনিন হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলে। প্রাণিজ প্রোটিন ত্যাগের ফলে অনেকের ক্ষেত্রেই মানসিক উদ্বেগ কমে এবং মনে প্রশান্তি আসে।

মিনিষা কোনও বড় প্ল্যান ছাড়াই মাত্র এক মাসের জন্য নিরামিষ খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরে তা ছয় সপ্তাহ, দুই মাস এবং পর্যায়ক্রমে পাঁচটি বছর ছুঁয়ে ফেলে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে ‘স্মল গোল অ্যাপ্রোচ’ বলা হয়। হঠাৎ বড় পরিবর্তনের চেয়ে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হওয়া শরীর ও মনের জন্য বেশি কার্যকর।

Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Minissha Lamba (@minissha_lamba)

ডাক্তারি মতে, নিরামিষ ডায়েট শরীরের ইনফ্লামেশন কমাতে সাহায্য করে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া উদ্ভিজ্জ খাবারে থাকা ফাইবার অন্ত্রকে উন্নত করে। দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক ক্লান্তি দূর করে শরীরে এনার্জি বাড়ায়। যারা সচেতনভাবে নিরামিষ আহার বেছে নেন, তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং ডিসিপ্লিন অনেক বেশি থাকে।

জীবন যেকোনও দিন যেকোনও মুহূর্তে নতুন করে শুরু করা যায়। মিনিষা লাম্বার ব্যক্তিগত জীবনের এই পটপরিবর্তন তেমনটাই ইঙ্গিত করে। ২০২৬ সালের শুরুতে তিনি সকলকে পরামর্শ দিয়েছেন ধৈর্য ধরে নিজের লক্ষ্য পূরণের। নিজের শরীরকে সুস্থ রাখতে খাদ্যাভাসে নজর রাখা প্রয়োজন। খাবার পাতে কী খাচ্ছেন আর কী বাদ দিচ্ছেন তা খেয়াল রাখা দরকার। নিরামিষ আহার শুধু শরীর নয়, মনকেও সমৃদ্ধ করে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.