একঘরে থাকবেন দু’টি মানুষ আর কাছাকাছি আসবেন না, তা হতে পারেন। দাম্পত্য আর যৌনতা – যেন একে অপরের পরিপূরক। তবে যৌনতা মানেই সন্তানের জন্ম দেওয়া নয়। অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ রুখতে কেউ সাহায্য নেন পিল বা গর্ভনিরোধকের। বেশিরভাগ দম্পতি আবার কন্ডোম ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে পিলের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাই বহু মহিলা তা এড়িয়ে চলতে চান। চিকিৎসা বিজ্ঞান এখন অনেক এগিয়ে গিয়েছে। একটা ছোট্ট কাঠিই রুখতে পারে অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ। যৌন সুখকে নিমেষে করে দিতে পারে দ্বিগুণ।

আরও পড়ুন:
দেশলাই কাঠির আকারের ছোট্ট একটি বস্তু। যা আপনার কনুইয়ের কাছে ত্বকে স্থাপন বা ইমপ্ল্যান্ট করা হবে। ওই ইমপ্ল্যান্টটি আপনার শরীরে প্রজেস্টিন হরমোনের নিঃসরণ ঘটাবে। তার ফলে শরীরে ডিম্বাণু গঠন বাধা পাবে। তাই অবাঞ্ছিত গর্ভধারণও সম্ভবপর হবে না। চিকিৎসা পরিভাষায় এটি হল ‘সাবডার্মাল ইমপ্ল্যান্ট’। এই পদ্ধতিতে কমপক্ষে ৩ বছর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কোনও ভয় নেই।

গর্ভনিরোধক ওষুধ শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে অনেক সময় প্রভাব ফেলে। তাই তা দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে গর্ভধারণে জটিলতা তৈরি করে। তাই বহু মহিলা ওই ধরনের ওষুধ খাওয়ার ফলে আতঙ্কে ভোগেন। তবে কনুইয়ের ত্বকে ‘সাবডার্মাল ইমপ্ল্যান্টে’র ফলে এমন কোনও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। ইমপ্ল্যান্ট অপসারণের মাত্র কয়েকদিন পরই ফিরে আসে গর্ভধারণের ক্ষমতা।

আবার ‘সাবডার্মাল ইমপ্ল্যান্টে’র সঙ্গে যৌনাঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই। তাই সংক্রমণের ঝুঁকিও নেই। চিকিৎসকদের একাংশের মতে, তাই পিল, কন্ডোমের তুলনায় ‘সাবডার্মাল ইমপ্ল্যান্ট’ অনেক বেশি ফলপ্রসূ। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে পরীক্ষামূলকভাবে মহারাষ্ট্রের নানা জেলা হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজগুলিতে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই গর্ভনিরোধী বন্দোবস্ত চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
প্রেম ফিকে হলেও বন্ধুত্ব চির-অমলিন, সম্পর্কের নয়া রসায়ন বাতলালেন তৃপ্তি দিমরি
-
মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ, গতি পেল সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ, জুড়ছে শিলিগুড়ি-সিকিম
-
বাতাসে বিষ! পরিবেশ বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথে হাঁটছেন শুভেন্দু
-
পড়ুয়াদের বিনামূল্যে বাস সফর, কর্নাটকের মসনদে বসেই ‘যুব যুগে’র সূচনা শিবকুমারের
-
নতুন হর্ষদ মেহতা, ১৫ লক্ষ কোটির শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি! জড়িয়ে গেল এলআইসির নামও