সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি রাতে আলো জ্বেলে ঘুমোন? আলো না জ্বাললে কি কিছুতেই ঘুম আসে না? চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এমনকী রাতে সামান্য আলোতেও যদি ঘুমোন, তাহলে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলস্বরূপ শরীরে সিঁধ কাটতে পারে একাধিক গুরুতর রোগ। সম্প্রতি এক গবেষণায় এমটাই জানা যাচ্ছে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ৪৬৬ জন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের উপর গবেষণা চালিয়েছেন। এই গবেষণায় জানা গিয়েছে যে রাতে কৃত্রিম আলোর সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। পাঁচ বছরের মধ্যে এই ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ অবধি বেড়ে যেতে পারে। শোবার ঘরের আবছা আলো ধমনীতে রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। মস্তিষ্ক ও হৃদপিণ্ডের উপর প্রভাব বিস্তার করে। এই অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে ঠিক কী কী ক্ষতি হতে পারে জানেন কি?
১) হৃদযন্ত্রের সমস্যা: ঘুমের সময় আলো শরীরে চাপ বা স্ট্রেস অ্যাকটিভিটি তৈরি করে। এই চাপের কারণে ধমনী বা রক্তনালীতে প্রদাহ বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, এই প্রদাহ দীর্ঘদিন চলতে থাকলে হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
২) মেটাবলিক ফাংশনের ক্ষতি: রাতে আলো জ্বালিয়ে ঘুমালে আমাদের শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা কমে যায়। এর ফলে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল বাড়তে থাকে। এতে টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং ওবেসিটির ঝুঁকি বাড়ে।
৩) মেলাটোনিন হরমোন হ্রাস: অন্ধকার হল ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন নিঃসরণের প্রধান উদ্দীপক। আলো জ্বালানো থাকলে মেলাটোনিন নিঃসরণ কমে যায় বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। মেলাটোনিন শুধু ঘুম নিয়ন্ত্রণের জন্যই নয়, রক্তচাপ ও হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। তাই, এই হরমোনের অভাব দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
চিকিৎসকদের মতে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য শোবার ঘরকে যতটা সম্ভব সম্পূর্ণ অন্ধকার করে রাখা উচিত।
সর্বশেষ খবর
-
প্রোপাগান্ডা রাজনীতি গণতন্ত্রের অংশ নয়, পথ দেখাচ্ছে হাঙ্গেরি
-
রাজ্যে এবার বুলেট ট্রেন, দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পৌঁছবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়, বড় আশ্বাস রেলমন্ত্রীর
-
জল্পনার অবসান! বিশ্বকাপ শুরুর পাঁচ দিন আগে ইরানকে ভিসা মঞ্জুর আমেরিকার
-
ইবোলা পরিসংখ্যানে আশার আলো কঙ্গোতে! বিপদ কাটেনি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
-
‘রেলে ১ লক্ষ কোটির কাজ, মানচিত্রে জুড়বে গোটা বাংলা’, নবান্নে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বড় ঘোষণা শুভেন্দুর