Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Fried Rice Syndrome

ফ্রায়েড রাইস সিনড্রোম: সংরক্ষণের এই ভুলেই ভাতে বাড়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি!

ফ্রাইড রাইস সিনড্রোম কী? কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন? ছোট্ট কিছু সতর্কতাই খাদ্যে বিষক্রিয়া থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ২১:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ২১:১৪

options
link
ফ্রায়েড রাইস সিনড্রোম: সংরক্ষণের এই ভুলেই ভাতে বাড়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি! zoom
ভুল সংরক্ষণেই বিপদ। ছবি: সংগৃহীত

বাড়িতে অনেক সময়ই রান্না করা ভাত পরে আবার গরম করে খাওয়া হয়। এটি যেমন সহজ ও সময় বাঁচায়, তেমনই অনেকেই মনে করেন এটি পুরোপুরি নিরাপদ। কিন্তু ভুলভাবে সংরক্ষণ করা ভাত থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আসলে সমস্যা ভাতে নয়, বরং রান্না করা ভাতকে কতক্ষণ এবং কীভাবে রাখা হচ্ছে, সেটাই মূল কারণ। রান্না করা ভাত দীর্ঘ সময় ঘরের তাপমাত্রায় রেখে দিলে এতে ব্যাসিলাস সেরিয়াস নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বাড়তে শুরু করে।

Advertisement
fried rice syndrome reheated rice food poisoning storage tips
দীর্ঘক্ষণ ঘরের তাপমাত্রায় বাড়ে ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি। ছবি: সংগৃহীত

ভাত যদি কয়েক ঘণ্টা ঘরের তাপমাত্রায় রাখা থাকে, তাহলে এই ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পেয়ে বিষাক্ত পদার্থ বা টক্সিন তৈরি হয়, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। সমস্যা হল, ভাত আবার গরম করলে ব্যাকটেরিয়া মরে যেতে পারে, কিন্তু ইতিমধ্যেই তৈরি হওয়া টক্সিন নষ্ট হয় না।

ফ্রাইড রাইস সিনড্রোম কী?
এই ধরনের খাদ্য বিষক্রিয়াকে ফ্রাইড রাইস সিনড্রোম বলা হয়। শুধু ভাত নয়, পাস্তা বা অন্যান্য স্টার্চযুক্ত খাবারেও এই সমস্যা হতে পারে। সাধারণত দূষিত ভাত খাওয়ার ৬ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন- বমি বমি ভাব, বমি, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া ইত্যাদি।

অনেক ক্ষেত্রে লক্ষণ হঠাৎ শুরু হয় এবং তীব্রতাও বেশি হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এক দিনের মধ্যেই সেরেও যায়। ছোট শিশু, প্রবীণ মানুষ বা যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যা গুরুতর হতে পারে।

fried rice syndrome reheated rice food poisoning storage tips
গরম করলে সমস্যা নয়। ছবি: সংগৃহীত

আসল সমস্যা গরম করা নয়
অনেকে মনে করেন ভাত গরম করাই বিপজ্জনক, কিন্তু তা পুরোপুরি সঠিক নয়। আসল ঝুঁকি তৈরি হয় ভাত কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, তার উপর। রান্না করার পর যদি ভাত অনেকক্ষণ বাইরে পড়ে থাকে, বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায়, তাহলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বাড়তে থাকে এবং বিষাক্ত উপাদান তৈরি করে।

কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন?
বিষক্রিয়া থেকে বাঁচতে কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চলা জরুরি-

  • রান্না করা ভাত দ্রুত ঠান্ডা করে ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রেখে দিন। বদ্ধ বা এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ করলে আরও ভালো।
  • ফ্রিজে রাখা ভাত এক থেকে দু’দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলাই উচিত।
fried rice syndrome reheated rice food poisoning storage tips
দরকার সঠিক সংরক্ষণ। ছবি: সংগৃহীত
  • ভাত গরম করার সময় ভালোভাবে গরম করুন, যেন পুরোটা ভালোভাবে গরম হয়। একই ভাত বারবার গরম করা এড়িয়ে চলুন।
  • একবার গরম করার পর আবার দীর্ঘ সময় বাইরে রেখে দেবেন না, এতে আবার ব্যাকটেরিয়া বাড়তে শুরু করে।

ভাত ছাড়া আমরা চলতে পারি না। থেকে যাওয়া বাড়তি ভাত পরে গরমে করে খাওয়াই যায়, বরং সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাই মূল বিষয়। ছোট্ট কিছু সতর্কতাই খাদ্যে বিষক্রিয়া থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.