Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Chickenpox

ঋতু পরিবর্তনের দোরগোড়ায় বসন্তের থাবা! প্রতিরোধে দাওয়াই সজনে-নিম

'ভ্যারিসেলা জোস্টার' ভাইরাসের সংক্রমণে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে ঘরে ঘরে। শিশু থেকে বয়স্ক— রেহাই পান না কেউ। আধুনিক চিকিৎসার পরিভাষায় একে 'সেলফ লিমিটিং ডিজিজ' বলা হলেও, সঠিক সচেতনতা আর ঘরোয়া পথ্যই এ রোগের দ্রুত সুস্থতার চাবিকাঠি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৪:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৪:৩৩

options
link
ঋতু পরিবর্তনের দোরগোড়ায় বসন্তের থাবা! প্রতিরোধে দাওয়াই সজনে-নিম zoom
শিশু থেকে বয়স্ক— বসন্তে রেহাই পান না কেউ
Advertisement

বঙ্গে শীত বিদায়ের পালা। আর এখনই সতর্ক হওয়ার দরকার। বসন্ত বা চিকেনপক্সের দাপট এই সময়েই মাথাচাড়া দেয়। মূলত ‘ভ্যারিসেলা জোস্টার’ ভাইরাসের সংক্রমণে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে ঘরে ঘরে। শিশু থেকে বয়স্ক— রেহাই পান না কেউ। আধুনিক চিকিৎসার পরিভাষায় একে ‘সেলফ লিমিটিং ডিজিজ’ বলা হলেও, সঠিক সচেতনতা আর ঘরোয়া পথ্যই এ রোগের দ্রুত সুস্থতার চাবিকাঠি।

চিকিৎসকদের মতে, সংক্রমণের শুরুতেই প্রবল জ্বর, মাথা ব্যথা এবং সারা শরীরে জলভরা ফোসকা দেখা দেয়। এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি তলানিতে ঠেকে। তাই ওষুধের পাশাপাশি ডায়েটে জোর দেওয়া ভীষণ জরুরি।

Advertisement
raditional Greens
বসন্ত মোকাবিলায় সজনে শাক ও ডাঁটা

সজনে ও নিমের জাদুকরী গুণ
প্রাচীন কাল থেকেই বসন্ত মোকাবিলায় সজনে শাক ও ডাঁটার ব্যবহার হয়ে আসছে। আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানও এতে সিলমোহর দিয়েছে।

সজনে শাক: এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এটি রক্তকে টক্সিনমুক্ত করে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

সজনে ডাঁটায় ফাইবার: ডাঁটায় থাকা খনিজ ও ভিটামিন বি শরীরকে ভিতর থেকে আর্দ্র রাখে। ডাঁটার হালকা ঝোল লিভারের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রেখে হজম শক্তি বাড়ায়।

Fight Chickenpox with Traditional Greens
নিমে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ বসন্তে ভীষণ ভাবে কার্যকরী

নিম ও তুলসি: নিমে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের জ্বালা এবং চুলকানি কমাতে অব্যর্থ। তুলসি ও মধুর মিশ্রণ ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় রাখে।

জরুরি সতর্কতা
১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্তত ৭ থেকে ১০ দিন আইসোলেশনে রাখা প্রয়োজন।
২. ব্যবহারের কাপড় ও বিছানা নিম জল দিয়ে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল বা অ্যান্টি-হিস্টামিন ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪. ফোসকা খুঁটলে ত্বকে স্থায়ী দাগ ও সেকেন্ডারি ইনফেকশন হতে পারে।

বসন্ত মানেই ভয় নয়, বরং সচেতনতা। নিয়মিত সজনে শাক ও ডাঁটা পাতে রাখলে সংক্রমণের তীব্রতা অনেকটাই কমানো সম্ভব। তবে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়। তাই সময়মতো চিকেনপক্সের টিকা নেওয়া এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই এর প্রধান হাতিয়ার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.