Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Akshay Kumar

জিম বা ডায়েট নয়, বরং পরিবারের চাপেই ৫৯-এও ফিট অক্ষয়! খোলসা করলেন খোদ ‘খিলাড়ি’

প্রায় ৬০ বছর বয়সেও তাঁর এনার্জি দেখে বোঝা যায়, বয়স শরীরকে থামায় না, থামিয়ে দেয় অনিয়ম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ২১:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ২১:০৫

options
link
জিম বা ডায়েট নয়, বরং পরিবারের চাপেই ৫৯-এও ফিট অক্ষয়! খোলসা করলেন খোদ ‘খিলাড়ি’ zoom
কীভাবে এত ফিট বলিউডের 'খিলাড়ি'? ছবি: সংগৃহীত

৫৯ বছর বয়সেও তাঁর এনার্জি, ফিটনেস আর শৃঙ্খলা দেখে অনেক তরুণও অবাক হন। এখনও অ্যাকশন দৃশ্যে দৌড়ঝাঁপ, কঠিন স্টান্ট বা টানা কাজ— সবটাই অনায়াসে করে চলেছেন অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। বলিউডের ‘খিলাড়ি’-র কথায়, তাঁর ফিট থাকার আসল রহস্য না কোনও কঠিন জিম রুটিন, না কোনও ক্রাশ ডায়েট। তাঁর বাড়িতেই রয়েছেন দুই ফিটনেস ট্রেনার। ছেলে আরাভ ও মেয়ে নিতারা। পরিবারের চাপই তাঁর ফিটনেসের মূল মন্ত্র।

akshay kumar fit at 59 not gym or diet family pressure fitness
ছেলে আরাভের সঙ্গে। ছবি: সংগৃহীত

ছেলেমেয়ের কাছে হারতে নারাজ
এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় মজার ছলেই বলেছিলেন, তাঁর সন্তানরাই তাঁকে প্রতিদিন ফিট থাকতে বাধ্য করে। কারণ, ওদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে অলস হওয়ার সুযোগ নেই।
অভিনেতার কথায়, মেয়ে চায় আমি যেন ওর থেকেও দ্রুত দৌড়াই। ছেলে চায় আমি ওর থেকেও দ্রুত সাঁতার কাটি, দ্রুত পাহাড়ে উঠি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্কুলের স্পোর্টস ডে-তেও তাঁর উপর থাকে নির্দেশ। নিতারার সোজাসাপ্টা দাবি, ‘ড্যাডি, তোমাকে জিততেই হবে!’ সমস্যা হল, যাঁদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে হয়, তাঁদের বেশিরভাগের বয়স তিরিশের ঘরে। আর সেখানে প্রায় ষাট ছুঁইছুঁই অক্ষয় এখনও দৌড়ে নামেন সমান আত্মবিশ্বাসে। তাঁর কথায়, ছেলে-মেয়ের সঙ্গে এই তাল মিলিয়ে চলাই তাঁকে প্রতিদিন আরও ডিসিপ্লিন থাকতে শেখায়।

akshay kumar fit at 59 not gym or diet family pressure fitness
বয়স শুধু একটা সংখ্যা মাত্র। ছবি: সংগৃহীত

সন্ধ্যে সাড়ে ছ’টার পর আর খাওয়া নয়
অক্ষয়ের ফিটনেস রুটিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়মের একটি হল আর্লি ডিনার, অর্থাৎ, তাড়াতাড়ি রাতের খাওয়া সেরে নেওয়া। সাধারণত সন্ধ্যে সাড়ে ছ’টার মধ্যেই ডিনার কমপ্লিট। তাঁর কথায়, শরীরকে খাবার হজম করার জন্য সময় দেওয়া জরুরি। রাতে দেরি করে খেলে শরীর বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পায় না। 

চিকিৎসকরাও এ বিষয়ে একমত। তাঁদের কথায়, নিয়মিত তাড়াতাড়ি ডিনার করলে হজম ও ভালো ঘুমের পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য মেলে।

প্রতি সোমবার উপোস
অক্ষয় বহুদিন ধরেই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং মেনে চলেন। প্রতি সোমবার প্রায় সারাটা দিনই উপোস থাকেন তিনি। রবিবার রাতে খাওয়ার পর থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আর কিছু খান না বলিউডের খিলাড়ি।

বর্তমানে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং নিয়ে আগ্রহ বাড়লেও চিকিৎসকেরা সতর্ক করছেন, এই ধরনের উপোস সবার শরীরের জন্য উপযুক্ত নয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, দুর্বলতা বা অন্য শারীরিক সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এমন নিয়ম মেনে চলা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

akshay kumar fit at 59 not gym or diet family pressure fitness
নিয়মানুবর্তিতা। ছবি: সংগৃহীত

ওজন বাড়ানো নয়, ফোকাস ‘ফাংশনাল ফিটনেস’-এ
অনেক বলিউড অভিনেতার মতো বিশাল পেশি গঠনের পেছনে ছোটেন না অক্ষয়। বরং তাঁর ফিটনেসের মূলমন্ত্র হল শরীরকে সচল রাখা। তাই তাঁর রুটিনে থাকে সাঁতার, মার্শাল আর্ট, দৌড়, হাইকিং, স্ট্রেচিং এবং বডিওয়েট এক্সারসাইজ। পাশাপাশি ক্রাশ ডায়েট বা অতিরিক্ত সাপ্লিমেনটের উপর নির্ভরতা নিয়েও বারবার সতর্ক করেছেন তিনি।

ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাংশনাল ফিটনেস শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি, ব্যালেন্স, স্ট্যামিনা এবং মোবিলিটি বা সচলতা দীর্ঘদিন বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বয়স বাড়লেও কেন ফিট অক্ষয়?
অক্ষয় কুমারের জীবনযাপন আসলে একটা বড় শিক্ষা দেয়, ফিটনেস মানে শুধু পেশি দেখানো নয়। বরং নিয়মিত ঘুম, নিয়ন্ত্রিত খাবার, শরীরচর্চা, সক্রিয় জীবনযাপন এবং ধারাবাহিক অভ্যাসই সুস্থ থাকার আসল চাবিকাঠি। প্রায় ৬০ বছর বয়সেও তাঁর এনার্জি দেখে বোঝা যায়, বয়স শরীরকে থামায় না, থামিয়ে দেয় অনিয়ম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.