নতুন মরশুম, নতুন রূপ। যে চুল নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে এত চর্চা, সেটা কেটেই ফেললেন আর্লিং হালান্ড (Erling Haaland)। নরওয়ে ফুটবল তারকার নতুন চেহারা থেকে থ ফুটবল দুনিয়া। একই অবস্থা জলাটান ইব্রাহিমোভিচ বা পেপ গুয়ার্দিওয়ালারও। কেন কাঁধ পর্যন্ত নেমে আসা সোনালি চুল উড়িয়ে দিলেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটির স্ট্রাইকার? সেই ‘অপরাধে’ নম্বর ব্লক করে দেওয়ার হুমকিও পেলেন হালান্ড।
২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের জাতীয় দলের তারকা আর্লিং হালান্ড রাতারাতি নায়ক হয়ে ওঠেন। হালান্ডের হাঁটাচলা, খাওয়াদাওয়া, রকমসকম এত লোকপ্রিয় হয়েছে যে রিলের পর রিল জুড়ে কেবল হালান্ডের চলাচল। তার সঙ্গে ছিল সোনালি চুল। জার্সির সঙ্গে রং মিলিয়ে হেয়ার ব্যান্ড ব্যবহার করতেন। আবার কখনও খোলা চুল ঝাঁকিয়ে সেলিব্রেশন করেছেন। কিন্তু আর সেই ‘মোহময়ী’ চুলের সৌন্দর্য দেখা যাবে না। মরশুম শুরুর আগে কাঁধ পর্যন্ত বিস্তৃত সেই চুল কেটেই ফেললেন হালান্ড। এখন তাঁর মাথায় একদম ছোট ছোট চুল।
আরও পড়ুন:

বৌর্নমাউথকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ শুরু করেছেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। তার আগে সোশাল মিডিয়ায় নতুন চুলের ছাঁট প্রকাশ্যে এনেছেন হালান্ড। যে দেখে হতবাক নেটিজেনরা। নতুন রূপ নিয়ে কয়েকজনকে ভিডিও কলও করেন হালান্ড। তার মধ্যে ছিলেন সিটির প্রাক্তন কোচ পেপ গুয়ার্দিওয়ালা, প্রাক্তন ফুটবলার জলাটান ইব্রাহিমোভিচ ও আরেক প্রাক্তন সতীর্থ জ্যাক গ্রিলিস। ইব্রা তো দেখেই রেগে আগুন। রীতিমতো হুমকি দিয়ে বললেন, “এ তুমি কী করেছ? আমাকে নম্বর ব্লক করে মুছে দাও। এই চুল নিয়ে কি তুমি আগের থেকে বেশি জোরে দৌড়বে?”
তবে পেপ অবশ্য মজা করেন। তিনি বলেন, “তুমি ভাগ্যবান যে মাথায় চুল আছে। ইস, আমি যদি এত ভাগ্যবান হতাম!” গ্রিলিশও মজা করে বলেন, “মনে হচ্ছে, তোমার বয়স মাত্র ১০ বছর। এই চুলটা আমার দারুণ লেগেছে।”
New season, new trim 💇🏼♂️😎 Full episode on YT! 🎬 pic.twitter.com/HPNqmFg5Cp
— Erling Haaland (@Erling) August 23, 2026
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো পিঙ্ক লাইনের ছাড়পত্র দিল কলকাতা পুরসভা, অভিনন্দন শুভেন্দুর
-
ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা! ‘তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন, না হলে…’, বিশ্বনেতাদের হুমকি আমেরিকার
-
যাদবপুরে বৈঠক শেষে বেরনোর সময় পড়ে গেলেন উপাচার্য! ‘নাটক করছেন’, দাবি বিক্ষোভকারীদের
-
কাপড়ের ব্যবসা, শিবপুরের ঘিঞ্জি এলাকায় বাস, বানাতেন জাল নথিও, সীমান্তে ধৃত কে এই আফগান যুবক?
-
বাবা পরিযায়ী শ্রমিক, বহু কষ্টে পড়াশোনা, নিটে সফল আতাউলের স্বপ্ন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হওয়া