Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬
Bhawanipore club

গতবারের চ্যাম্পিয়নদের ৯ গোল দিয়ে শেষ আটে সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুর

জাতীয় ফুটসল ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে উজ্জ্বল সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুরের পারফরম্যান্স।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৫, ১০:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৫, ১০:২২

options
link
গতবারের চ্যাম্পিয়নদের ৯ গোল দিয়ে শেষ আটে সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুর zoom

স্টাফ রিপোর্টার: প্রতিপক্ষ গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল। তার উপর জ্বরের জন্য নেই দলের অন্যতম সেরা প্লেয়ার তথা ক্যাপ্টেন। তারপরও জাতীয় ফুটসল ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে উজ্জ্বল সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুরের পারফরম্যান্স। উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপুরে শনিবার গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে করবেট এফসি-কে ৯-৪ গোলে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল তারা।

প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে গতবারের রানার্স গোলাজো এফসি-কে ১৬-২ গোলে হারিয়ে শুরুটা ভালোই করেছিল সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুর। তবে স্থানীয় ক্লাব করবেটের বিরুদ্ধে তাদের চ্যালেঞ্জটা ছিল আরও বড়। কারণ গতবারের চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের প্রথম ম্যাচটা হেরে গিয়েছে। ফলে এদিন তাদের লড়াইটা ছিল মরাবাঁচার। আর এমন ম্যাচেই অধিনায়ক ডেভিডকে পায়নি বাংলার প্রতিনিধিরা, অসুস্থতার জন্য। যদিও সেই অভাব ঢেকে দিলেন দলের সহ-অধিনায়ক নিখিল মালি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে চার মিনিটের মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে করবেটকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেওয়ার কাজটা করলেন তিনিই। পরে করলেন আরও একটি গোল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন দলের অধিনায়কের দায়িত্ব ছিল নিখিলের উপর। আর সেই ভূমিকা দারুণভাবে পালন করলেন তিনি। সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুরের কোচ জোশুয়া ভাজ রুদ্রপুর থেকে ফোনে বলছিলেন, “ভারতীয় ফুটসলে নিখিল সর্বকালের সেরার দাবিদার। এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে ৫৪ গোল করেছে ও, যা সর্বোচ্চ। ওর থেকে এমন পারফরম্যান্স প্রত্যাশিতই।” সোমবার থলাংটিয়াং ফুটসল ক্লাবের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুরের ম্যাচটি এখন নিয়মরক্ষার।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা চাপের মধ্যেই করেছিল সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুর। কারণ প্রথমার্ধ ১-২ গোলে পিছিয়ে থেকে শেষ করে তারা। সেখানে দ্বিতীয়ার্ধে সাত গোল দিয়ে ম্যাচ জিতল বাংলার দলটি। কোন মন্ত্রে বদলে গেল দলের পারফরম্যান্স? জোশুয়ার কথায়, “প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকায় একটু চাপ ছিলই। দ্বিতীয়ার্ধে আমি খেলার ছক বদল করি। ২-২ ছকের বদলে ১-৩ ছকে খেলতে বলি। করবেট সেটা ধরতে পারেনি।” সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুরের শেষ গোলটি করেন গোলকিপার অগাস্টিন ডি’মেলো। গোলটি সদ্যপ্রয়াত পিতাকে উৎসর্গ করেছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.