Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Lionel Messi

মেসিকে আনার নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! এবার কাঠগড়ায় বামেরা, তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থা

এবার মেসি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়ে গেল বামেদেরও! কেরলে মেসি-সহ গোটা আর্জেন্টিনা দলকে এনে প্রীতি ম্যাচ খেলানোর যে ঘোষণা গত বছর করা হয়েছিল, সেটার পুরোটাই নাকি ভুয়ো।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ২০:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ২০:৪৩

options
link
মেসিকে আনার নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! এবার কাঠগড়ায় বামেরা, তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থা zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

এবার মেসি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়ে গেল বামেদেরও! কেরলে মেসি-সহ গোটা আর্জেন্টিনা দলকে এনে প্রীতি ম্যাচ খেলানোর যে ঘোষণা গত বছর করা হয়েছিল, সেটার পুরোটাই নাকি ভুয়ো। আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা বা মেসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগই করেনি কেরলের তৎকালীন সরকার। স্রেফ চমক দিতে মেসি আসবেন বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয়। অন্তত তেমনটাই দাবি বর্তমান কংগ্রেস সরকারের আমলে গঠিত তদন্ত কমিটির।

একটু খোলসা করে বলা যাক। গত বছর কেরলের তৎকালীন বাম সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রী ভি আবদুররহিম ঘোষণা করেন, নভেম্বরে কেরলের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচ খেলবে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচের জন্য আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশনকে ১২৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই মেসি আসছেন বলে প্রচার করা শুরু করে দেয় কেরলের বাম সরকার। এমনিতেই কেরলে প্রচুর ফুটবলভক্ত, মেসি এবং আর্জেন্টিনাকে নিয়ে আলাদা পাগলামো আছে। ভোটের ঠিক আগে আগে মেসিকে আনতে পারলে সেটার প্রভাব ভোটেও পড়বে বলে আশাবাদী ছিল কেরল সরকার। কিন্তু বিধি বাম। শেষপর্যন্ত মেসি আসেননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেই ম্যাচ আয়োজিত হয়নি।

Advertisement

পরে সাফাইয়ের সুরে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী দাবি করেন, “আমরা স্পনসর জোগাড় করে ফেলেছিলাম। ২৫০ কোটি টাকা তুলেছিলাম। সেই টাকা থেকে আর্জেন্টিনা দলকে ১২৬ কোটি টাকা দেওয়াও হয়েছিল। কিন্তু তারপর আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এমনটা হতে পারে, আমি ভাবতেও পারছি না।” বস্তুত তিনি দাবি করেন, আর্জেন্টিনা ফেডারেশন টাকা নিয়েও খেলতে আসেনি। কিন্তু কংগ্রেস সেসময় পুরো বিষয়টিতে দুর্নীতির অভিযোগ তোলে। পরে রাজ্যে সরকার বদলের পর ওই পুরো ঘটনা নিয়ে ক্রীড়া বিভাগের বিশেষ সচিবের নেতৃত্বে একটি তদন্তকারী দল গঠন করা হয়। ওই তদন্তকারী দল মঙ্গলবার সে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

ওই তদন্ত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মেসির ভারতে আসার ব্যাপারটা পুরোটাই ভুয়ো। আর্জেন্টিনার ফেডারেশনের সঙ্গে কোনও চুক্তি কেরল সরকারের হয়েছিল এমন কোনও প্রমাণ নেই। আর্জেন্টিনা ফেডারেশনকে ১২৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল এমন কোনও প্রমাণও নেই। এমনকী স্পনসর বেছে নেওয়ার জন্য কোনও টেন্ডারও ডাকা হয়নি। নিজেদের পছন্দের একটি সংস্থাকে স্পনসর হিসাবে বেছেছিল তৎকালীন বাম সরকার। গোটা বিষয়টিতে আর্থিক লেনদেন বা বেনিয়ম হয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই ভিজিল্যান্সকে দায়িত্ব দিয়েছে ভি ডি সতীশনের সরকার। এখানেই শেষ নয়, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তের সুপারিশও করতে চলেছে কংগ্রেস সরকার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.