Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Mohun Bagan

পেনাল্টিতে বঞ্চিত! সূচি নিয়েও ক্ষুব্ধ মোহনবাগান কোচ, ডুরান্ডের সেমিতে সামনে কে?

ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জামশেদপুর নিয়ে আবেগপ্রবণ প্রণয় হালদার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ২১:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ২১:২৯

options
link
পেনাল্টিতে বঞ্চিত! সূচি নিয়েও ক্ষুব্ধ মোহনবাগান কোচ, ডুরান্ডের সেমিতে সামনে কে? zoom
মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস। ছবি: সোশাল মিডিয়া
Advertisement

কষ্টের জয়ে ডুরান্ডের সেমিতে উঠেছে মোহনবাগান। জামশেদপুর এফসি’র বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের ম্যাচ শেষ হয় ১-১ গোলে। শেষমেশ টাইব্রেকারে ৯-৮ ব্যবধানে জিতল সবুজ-মেরুন বাহিনী। ম্যাচের পর মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস রেফারিং ও সূচি, দুটি বিষয় নিয়েই ক্ষোভ উগরে দিলেন। তাঁর মতে, পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মোহনবাগান। সেমিতে তাদের প্রতিপক্ষ নর্থইস্ট ইউনাইটেড। অন্যদিকে ক্লাব বন্ধ হওয়ার আগে জামশেদপুর নিয়ে আবেগপ্রবণ প্রণয় হালদার।

যুবভারতীতে ২ মিনিটের মধ্যেই মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন সাহাল আবদুল সামাদ। কিন্তু বিশালের ভুলে সমতা ফেরায় জামশেদপুর। সহজ গোল মিস করেন ড্রাজিচ। মোহনবাগানের দু’টি পেনাল্টির আবেদন নাকচ হয়। একটি জামশেদপুর ডিফেন্ডারের হাতে লাগে। অন্যটিতে আলবার্তোকে বক্সের মধ্যেই ট্যাকেল করা হয়। এদিন অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে নর্থইস্ট ইউনাইটেড ৫-২ গোলে হারিয়েছে শিলং লাজংকে। হ্যাটট্রিক করেন আলাদিন আজারেই। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েও এবার শিলংয়ে ম্যাচ খেলতে যেতে হবে মোহনবাগানকে।

Advertisement

সব নিয়েই অসন্তুষ্ট কোচ প্যানোস। ম্যাচের পর তিনি বলেন, “আমাদের প্লেয়াররা মনঃসংযোগ হারিয়েছিল। ফিনিশিংয়েও গন্ডগোল হচ্ছে। অন্তত পাঁচটা সুযোগ পেয়েছিলাম। তাছাড়া অনেক প্লেয়ার ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। সত্যিই কীসব চলছে! আমরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। অথচ আমাদের সূচিই সবচেয়ে খারাপ। আমি তো কারও কাছে সাহায্য চাইছি না। আমি যেটা ন্যায্য, সেটাই বলছি। আমার বোধহয় একটু সাবধানে কথা বলা উচিত। কারণ, অন্তত তিনটে পেনাল্টির সুযোগ ছিল। অনেক সিদ্ধান্ত আমাদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। অনেক আগেই ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে তো তিনবার অফসাইড দেওয়া হয়েছিল। এরকম ঐতিহাসিক দলের বিরুদ্ধে কেন এগুলো হচ্ছে? কিন্তু আমরা লড়ে যাব।”

অন্যদিকে প্রশংসা করতে হয় বিদেশিহীন জামশেদপুরে প্রণয় হালদার, প্রতীক চৌধুরী, প্রভাত লাকরাদের লড়াই। ডুরান্ডেই শেষ। তারপর আর কোনও প্রতিযোগিতায় দেখা যাবে না আইএসএল জেতা ক্লাবকে। অস্তিত্ব সংকট নিয়েও তাঁদের লড়াই প্রশংসাযোগ্য। ক্লাব ‘উঠে’ যাওয়া নিয়ে অধিনায়ক প্রণয় হালদার বলেন, “ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা কিছু ঠিক করিনি। আমি এখানে ৪-৫ বছর খেলেছি। খুব ভালো সময় কেটেছে। আবেগপ্রবণ লাগছে। তবে বাস্তবকে মেনেই এগিয়ে যেতে হবে। তবে আমি গর্বিত যে, আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.