লিগজয়ের অঙ্ক
এই মুহূর্তে ১২ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগশীর্ষে ইস্টবেঙ্গল। একই পয়েন্ট নিয়ে গোলপার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গলের শেষ ম্যাচ ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে, বৃহস্পতিবার। জিতলে চ্যাম্পিয়ন। হারলে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের দিকে। ইস্টবেঙ্গল জিতলে মোহনবাগানকে দিল্লি এফসি'র বিরুদ্ধে শুধু জিতলে হবে না, বিরাট ব্যবধানে জিততে হবে। পিছনে লড়াইয়ে আছে পাঞ্জাব এফসি, জামশেদপুর ও মুম্বই। তিনটি দলেরই ২২ পয়েন্ট। তবে ইস্টবেঙ্গল জিতলে আর কোনও দিকে তাকাতে হবে না।
খেলা শেষ। ম্যাচের ফলাফল ১-১।
ডার্বি অমীমাংসিত। খেলা শেষ হল ১-১ গোলে। গোটা ম্যাচজুড়ে গোলনষ্টের মেলা ছিল। কিন্তু যত নাটক বাকি ছিল শেষ ১০ মিনিটে। ইস্টবেঙ্গল এডমুন্ডের ৮৪ মিনিটের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর তেড়েফুঁড়ে ওঠে মোহনবাগান। ৮৯ মিনিটে গোল শোধ করে মোহনবাগান। কিন্তু শেষের দিকে সহজ সুযোগ মিস করেন ম্যাকলারেন। ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার প্রভসুখন গিলকে একা পেয়ে তাঁর গায়েই মারেন অজি স্ট্রাইকার।
গোওওওওল... ইস্টবেঙ্গল
ইস্টবেঙ্গলের গোল। মোহনবাগানের রক্ষণ ফুঁড়ে জালে বল জড়িয়ে দিলেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকা। মিগুয়েলের পাস থেকে মেহতাব সিংদের পিছনে ফেলে বক্সে ঢুকে পড়েন এডমুন্ড। বিশাল কাইথকে বোকা বানিয়ে সেকেন্ড বারে অনবদ্য ফিনিশিং। গোটা দল মাঠে নেমে পড়ে সেলিব্রেট করতে। গ্যালারিতে তখন লাল-হলুদ গর্জন। জয়ের গন্ধ পাচ্ছে মশাল বাহিনী।
গোলমিসের প্রতিযোগিতায় প্রথমার্ধ গোলশূন্য
প্রথমার্ধ গোলশূন্য। তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দুই দলের স্ট্রাইকারের। গোল করার যেন ইচ্ছাই নেই কোনও দলের। গোল মিসের প্রতিযোগিতায় এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায় দেখ। ডিফেন্ডারদের অবস্থাও তথৈবচ। একদিকে শুভাশিস বোসরা বিপক্ষকে সাহায্য করতে প্রস্তুত। অন্যদিকে একই প্রতিজ্ঞা জয় গুপ্তদের। তবে সোয়বার্গ, বিপিন বা মনবীররা যেন গোল করবেন না ঠিক করে রেখেছেন।