সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিসেম্বরে মেসি-মাদকতায় মাততে চলেছে ভারত। ইতিমধ্যেই সেই সূচি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। তবে চমকপ্রদ বিষয় হল ডিসেম্বরের সেই সফরের আগেই এদেশের মাটিতে পা রাখতে চলেছেন বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। শুধু আসছেন না, নভেম্বরে ভারতের মাটিতে খেলতেও দেখা যাবে তাঁকে। একা মেসি নন, ভারতে আসছে গোটা আর্জেন্টিনা দলই।
২০১১ সালে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। কলকাতা জুড়ে আবেগের ঝড় উঠেছিল নীল-সাদা জার্সির আর্জেন্টিনাকে কেন্দ্র করে। ১৪ বছর পর সেই উচ্ছ্বাস ফিরছে। কেরল সরকার আগেই ঘোষণা করেছিল আগস্টে মেসির আর্জেন্টিনা সে রাজ্যে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে আসবে। তবে সেই পরিকল্পনা অর্থের অভাবে ভেস্তে যায়। কিন্তু কেরল সরকার আশা ছাড়েনি। আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে গিয়েছে। আর সেই চেষ্টা সফল। শুক্রবার গভীর রাতে বিবৃতি দিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা জানিয়ে দিয়েছে, কেরলে খেলতে আসছে তারা।
আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের তরফে সোশাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করে দেওয়া হয়েছে আগামী ১০ থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে কেরলে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। অবশ্য প্রতিদ্বন্দ্বী এখনও ঘোষণা করা হয়নি। কোচিতে ৬০০০০ দর্শকের স্টেডিয়ামে ম্যাচটি হবে বলেই আপাতত জানা যাচ্ছে। বাংলার মতো কেরলেও ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা কম নয়। ফুটবল বিশ্বকাপের সময় তার নমুনা দেখা গিয়েছে। মেসি এবং আর্জেন্টিনা যদি কেরলে আসে, তাহলে সে রাজ্যের ক্রীড়া মানচিত্র বদলে যাবে বলেই আশা ক্রীড়ামহলের। নভেম্বরের ওই ম্যাচে মেসি খেলবেন কিনা সেটা অবশ্য টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।
তবে ডিসেম্বরে যে লিও ফের ভারতে আসছেন তাতে কোনও সংশয় নেই। ডিসেম্বরের সফরে অবশ্য কোনও ম্যাচ খেলার কথা নয়। কলকাতা, আহমেদাবাদ, দিল্লি, মুম্বইয়ে একাধিক ইভেন্টে অংশ নেবেন লিও। সব ঠিক থাকলে দুমাসে দুবার মেসি দর্শনের সুযোগ পাবেন ভারতীয়রা।
সর্বশেষ খবর
-
পিতা-পুত্রের রাজনৈতিক মতাদর্শের মাঝে প্রজন্ম-ফারাক! মুক্তি পেল সৃজিতের ‘উইঙ্কল টুইঙ্কল’-এর ট্রেলার
-
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে ভর্তিতে ‘বেনিয়ম’, এবিভিপির নিশানায় জুটা
-
শ্রাবণ মাসে পাঁঠার মাংস চেয়েছিল ছেলে, ‘খুন’ করল বাবা, হুঁশ ফিরতেই প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! তারপর…
-
ইসলামিক হুজুগে ‘মুসলিম ন্যাটো’য় এন্ট্রি চায় ঢাকা? বিস্ফোরক দাবি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর
-
রক্তের দেদার কালোবাজারি! জানেন, বেআইনি কারবারে কেন বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি?