Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Lionel Messi

‘অনেক যুদ্ধ, অনেক ক্ষত’, বিদায়বার্তায় মেসির সঙ্গী ‘ব্রিন্দিস’, গানেই লড়াইয়ের কাহিনি শোনালেন লিও

সোদেদাদ পাস্তোরুত্তির গাওয়া 'ব্রিন্দিস' গানটিকে অবসর ঘোষণার মুহূর্তে নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের আবেগঘন কোলাজের ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসাবে বেছে নিলেন মেসি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ০৯:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ০৯:৩০

options
link
‘অনেক যুদ্ধ, অনেক ক্ষত’, বিদায়বার্তায় মেসির সঙ্গী ‘ব্রিন্দিস’, গানেই লড়াইয়ের কাহিনি শোনালেন লিও zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

যে গান ছিল কাতার বিশ্বকাপে তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী। ড্রেসিংরুম থেকে মাঠ পর্যন্ত তাঁর সতীর্থরাও যে গানটি সবসময় গাইতেন। সেই সোদেদাদ পাস্তোরুত্তির গাওয়া ‘ব্রিন্দিস’ গানটিকেই অবসর ঘোষণার মুহূর্তে নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের আবেগঘন কোলাজের ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসাবে বেছে নিলেন লিওনেল মেসি।

গানটি ২০০৬ সালে ৭ অক্টোবর একটি কনসার্টে সোলেদাদ প্রথমবার দিয়েগো মারাদোনার সামনে এই গানটি গেয়েছিলেন। গানের কিছু অংশ বদলে দিয়ে তিনি গেয়েছিলেন “দিয়াগোর সঙ্গে এমন একটি রাতের জন্য আমি আমার জীবনও দিয়ে দিতে পারি। তারপর থেকে আর্জেন্টাইনদের কাছে ক্রমশ পছন্দের গান হয়ে উঠতে থাকে ‘ব্রিন্দিস’ গানটি। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের পর থেকেই আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গী হয়ে ওঠে ব্রিন্দিস’ গানটি।

Advertisement

পরবর্তীকালে সোলেদাদ জানান, আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি তাঁকে বলেছিলেন ২০২১ সালের কোপা আমেরিকার পর থেকেই এই গান আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের প্রিয় সঙ্গীত হয়ে উঠেছিল। মেসিও নিশ্চিত করেছিলেন, ‘ব্রিন্দিস’ তাঁদের দলের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গিয়েছে। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের কয়েক মাস পরে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন মেসি। সেই ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ডেও তিনি ব্যবহার করেছিলেন এই ‘ব্রিন্দিস’ গানটিকেই। এবার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নেওয়ার সময় তিনি বেছে নিলেন প্রিয় ‘ব্রিন্দিস’কেই। এই গানের ছত্রে ছত্রে উঠে এসেছে বারবার কষ্ট পেয়েও হাল না ছেড়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা। 

সোমবার সোশাল মিডিয়ায় তিনটি হাতে লেখা কাগজ আপলোড করেছেন মেসি। সেখানেই ‘বুকে কষ্ট নিয়ে’ বিদায়ের কথা জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম বার্তায় নীল-সাদা জার্সি তুলে রাখার কথা জানিয়েছেন আর্জেন্তিনীয় কিংবদন্তি। গত ২১ বছর ধরে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ফুটবল বিশ্বকে মাতিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু আর সেই জাদু দেখা যাবে না। সে কথা ভেবে চোখে জল ফুটবলভক্তদের। ২০০৫ সালে প্রথম আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে চাপান। প্রথম ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন। সেখান থেকে ২১ বছর খেলেছেন, জিতেছেন বিশ্বকাপ-সহ একঝাঁক ট্রফি। অবশেষে থেমে গেল নীল-সাদা জার্সিতে লিওর যাত্রা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.