Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Bhaichung Bhutia

এবার থেকে নিয়মিত প্রথম হওয়ার লড়াইয়ে থাকবে ইস্টবেঙ্গল, আশাবাদী বাইচুং

বাইচুংদের সেরা সময়ে চার বছরে তিনবার ভারতসেরা হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দু'দশকেরও বেশি সময়ের অপেক্ষা। তবে বাইচুং নিশ্চিত, এবার আর তেমন কিছু হবে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৯:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৯:১৫

options
link
এবার থেকে নিয়মিত প্রথম হওয়ার লড়াইয়ে থাকবে ইস্টবেঙ্গল, আশাবাদী বাইচুং zoom
ইস্টবেঙ্গলের সাফল্য নিয়ে আশাবাদী বাইচুং। ফাইল ছবি।

২২ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে ফের ভারত সেরা হয়েছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। ২০০৩-‘০৪ মরশুমের পর ফের এবছর লিগ ঢুকল লাল-হলুদ তাঁবুতে। আর এবার থেকে পুরনো ইস্টবেঙ্গলকে দেখা যাবে বলে আত্মবিশ্বাসী লাল-হলুদের কিংবদন্তি প্রাত্তন অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া (Bhaichung Bhutia)।

লাল-হলুদের সোনার সময়ে অন্যতম নায়ক বাইচুং। তাঁর হাত (অথবা পা) ধরে বহু ট্রফি জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে প্রাক্তন দলের ম্যাচ দেখতে টিভিতে চোখ রেখেছিলেন বাইচুং। সঙ্গী হয়েছিল ছেলে উগেন, যে নিজেও লাল-হলুদ সমর্থক। ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল জয়ে উচ্ছ্বসিত বাইচুং। ম্যাচ শেষে ফোনে বলছিলেন, “ইস্টবেঙ্গলের কাছে এই ম্যাচটা ছিল চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই। জিততেই হত। সেই ম্যাচে যে মানসিকতা নিয়ে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা লড়াই করল, অনবদ্য। একটা কথা মাথায় রাখতে হবে, কিশোরভারতীতে এবার এর আগে কোনও ম্যাচ খেলেনি ইস্টবেঙ্গল। অচেনা মাঠ। ঠিকমতো বাউন্স হচ্ছিল না। বৃষ্টির জন্য বেশ ভারী হয়ে গিয়েছিল মাঠ। খেলাটা সহজ ছিল না। সেখানে শুরুতে গোল খেয়ে যাওয়া। কিন্তু তারপর দারুণভাবে নিজেদের ‘অ্যাডজাস্ট’ করল টিম ইস্টবেঙ্গল। প্লেয়ার, কোচ- সবাই দুর্দান্ত মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে। দীর্ঘদিন পর ভারতসেরা হল ইস্টবেঙ্গল। দলের সবাই এই সাফল্যের দাবিদার।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আইএসএলে পদার্পণের পর প্রথম কয়েকটা মরশুম বেশ নড়বড়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। পয়েন্ট টেবলের নিচের দিকেই থাকতে হত লাল-হলুদকে। সেসময় বাইচুং আরও ভালো পরিকল্পনার প্রয়োজন বলে ক্লাবকে বার্তা দিয়েছেন বারবার। সেই প্রসঙ্গে প্রাক্তন লাল-হলুদ অধিনায়কের বিশ্লেষণ, “এই প্রতিযোগিতায় অন্য পর্যায়ের লড়াই হয়। তবে এখন চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পেয়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ জার্সি গায়ে ট্রফি হাতে তুলতে কেমন লাগে, ওরা জেনে গিয়েছে। আমি নিশ্চিত, আগামী বছরগুলিতে ইস্টবেঙ্গল চ্যাম্পিয়নের দাবিদার হিসেবে মাঠে নামবে। আসলে জোড়াতালির দল না গড়ে, সময় নিয়ে কাজ করতে সাফল্য পাওয়া যে অসম্ভব নয়- সেটা এই জয়ে প্রমাণ করল ইস্টবেঙ্গল। আগে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, খেলবে কি না, স্পনসর আসবে কি না, দল গড়বে কি না, সেসব নিয়ে ধোঁয়াশা থাকত। কিন্তু পরিকল্পনা সঠিক হলে ট্রফি পাওয়া যায়।”

বাইচুংদের সেরা সময়ে চার বছরে তিনবার ভারতসেরা হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দু’দশকেরও বেশি সময়ের অপেক্ষা। তবে বাইচুং নিশ্চিত, এবার আর তেমন কিছু হবে না। বলছিলেন, “টিম এখন অনেকটাই তৈরি। শুধু পরিকল্পনা করতে হবে। একটু-একটু করে প্রয়োজন মতো সংযোজন-বিয়োজন করতে হবে। একধাক্কায় যাতে অনেকটা পরিবর্তন না হয়, সেটা নজর রাখতে হবে। ভারতীয় ফুটবল নিয়ে আপাতত কিছু সমস্যা আছে। সেগুলি দ্রুত মিটে গেলেই ভালো হয়। এবার সব ক্লাবই খুব সমস্যায় পড়েছে। আশা করছি, পরের বছর এমন কিছু হবে না।” একইসঙ্গে এই জয় সমর্থকদের মনোবল বাড়াবে বলেও মনে করছেন তিনি। বাইচুংয়ের কথায়, ‘ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা এই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে গিয়েছেন। আশা করেছেন ট্রফি জয়ের। টানা ব্যর্থ হলেও ওঁরা দলের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। অবশেষে তাঁদের আশা পূর্ণ হল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.