সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইএসএলের ফিরতি ডার্বিতে মোহনবাগানের কাছে ১-০ গোলে পরাস্ত হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। সেই সঙ্গে বিতর্ক আপুইয়ার ‘হ্যান্ডবল’ নিয়ে। এমনকী ম্যাচের পর ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো পেনাল্টি না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যদিও এআইএফএফের রেফারি প্রধান রেফারিং অফিসার ট্রেভর কেটল সাফ জানিয়ে দিলেন, ওটা হ্যান্ডবল ছিল না।
ঠিক কী ঘটেছিল গুয়াহাটির ডার্বিতে? প্রথমার্ধের ঠিক আগে পিভি বিষ্ণুর শট মোহনবাগানের আপুইয়ার হাতে লাগে। কিন্তু রেফারি ভেঙ্কটেশ পেনাল্টি দেননি। তখন ইস্টবেঙ্গল এক গোলে পিছিয়ে ছিল। ওই পেনাল্টি ইস্টবেঙ্গল পেলে বদলে যেতে পারত খেলার ফল। পরে সৌভিক চক্রবর্তী দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে বেরিয়ে যাওয়ায় আর মোহনবাগানের উপর সেভাবে চাপ তৈরি করতে পারেনি অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা।
এই হ্যান্ডবল নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। যা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে এআইএফএফের রেফারি প্রধান রেফারিং অফিসার ট্রেভর কেটলের বক্তব্য, “ডার্বির ওটা হ্যান্ডবল ছিল না। ম্যাচের পর আমাদের ৫ সদস্য ওই ঘটনার ফুটেজটি খতিয়ে দেখে। সেখানে সকলের সিদ্ধান্ত, ওটা হ্যান্ডবল নয়। সবার আগে দেখতে হবে, ফুটবলারের হাতে কীভাবে ছিল। যদি ন্যায্য বা জাস্টিফায়েড পজিশনে থাকে, তাহলে হ্যান্ডবল নয়। ওই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, মোহনবাগানের ফুটবলারের হাত ঠিকভাবেই ছিল। তার কোনও মুভমেন্ট হয়নি। এক্ষেত্রে খুব সাবধানতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আসলে হ্যান্ডবল নিয়ে অনেকের মধ্যেই একটা ভুল ধারণা আছে।”
যদিও ম্যাচের পর ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন অস্কার। তিনি বলেন, “প্রতি ম্যাচে একই ঘটনা ঘটছে। আমরা হয় লাল কার্ড দেখে দশজনে খেলছি। নয়তো পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আজও দুটো পেনাল্টি পাওয়া উচিত ছিল।” এর পালটা দিয়েছিলেন মোহনবাগানের কোচ মোলিনা। তিনি বলেছিলেন, “হেরে গেলে সবাই এরকম অজুহাত দেয়। নতুন কিছু না।’’
সর্বশেষ খবর
-
নেপালে হড়পা বানের পর নতুন বিপদ! দূষিত জলে বাড়ছে সংক্রমণের আশঙ্কা
-
চরম মানসিক অবসাদেই বিপর্যস্ত জীবন! হাসপাতালে উরফি, উদ্বিগ্ন ভক্তরা
-
বাংলাদেশকে টপকাতে পারল না ভারত, শ্রীলঙ্কা সিরিজ জিতেও মেঘাচ্ছন্ন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল
-
নেপালের বিপর্যয়ে পুণ্যার্থীরা নিখোঁজ! কাঁদছেন সদগুরু, হাত-পা কাঁপছে ধর্মগুরুর
-
প্রসাদে দেওয়া হয় চকোলেট! ভক্তদের প্রিয় এই কার্তিক মন্দিরের মাহাত্ম্য কী?