Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
East Bengal

ফিরল রাজার মতো, ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে পাঞ্জাব বধ ইস্টবেঙ্গলের

ভাঙাচোরা দল নিয়ে এই লড়াই ইস্টবেঙ্গলের পক্ষেই সম্ভব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৪, ২১:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৪, ২১:৪৫

options
link
ফিরল রাজার মতো, ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে পাঞ্জাব বধ ইস্টবেঙ্গলের zoom
Advertisement

ইস্টবেঙ্গল: ৪ (হিজাজি, বিষ্ণু, মেতেই আত্মঘাতী, ডেভিড)
পাঞ্জাব: ২ (সুলিচ, ভিদাল)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গল খোঁচা খাওয়া বাঘ! ময়দানের বহু ক্লিশে প্রবাদ ফিরিয়ে দিলেন অস্কার ব্রুজো। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুবভারতীতে যে ফুটবল লাল-হলুদ ফুটবলাররা খেললেন, সেটাকে শুধু অনবদ্য বললে কম বলা হয়। দুগোলে পিছিয়ে পড়ার পর ফর্মে থাকা পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ভাঙাচোরা দল নিয়ে এই প্রত্যাবর্তন, বোধ হয় শুধু ইস্টবেঙ্গলের পক্ষেই সম্ভব।

Advertisement

ম্যাচ শেষের ফলাফল বলছে লাল-হলদু শিবির ৪-২ গোলে জয়ী। কিন্তু স্কোরবোর্ড দেখলে হয়তো পুরো ম্যাচের ছবিটা স্পষ্ট হবে না। আসলে এই ম্যাচে নামার আগে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল লাল-হলুদ শিবিরের। আগের ম্যাচে রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে হার। একের পর এক ফুটবলারের চোট। মাদিহ তালাল, সল ক্রেসপো, জিকসন সিং, দিয়ামান্তাকসের মতো চার প্রথম দলের ফুটবলারের অনুপস্থিতি। কোনও কিছুই দমিয়ে রাখতে পারল না লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। ম্যাচ শুরুর আগে কোচ ব্রুজো বলে দিয়েছিলেন, ইস্টবেঙ্গল ছোট দল নয়, সেটা বুঝিয়ে দিতে হবে। কোচের সেই চ্যালেঞ্জ মাঠে প্রমাণ করতে প্রাণপাত করলেন ফুটবলাররা।

ম্যাচের দুই অর্ধে খেলা হল দুরকম। প্রথমার্ধটা ছিল পুরোপুরিই পাঞ্জাবের। একের পর এক সুযোগ পেয়েছিল তারা। ২১ মিনিটে সুলিচ এবং পরে ৩৯ মিনিটে ভিদালের গোলে এগিয়েও যায় পাঞ্জাব। প্রথমার্ধের পর মনে হয়েছিল, ফর্মে থাকা পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে এই ভাঙাচোরা ইস্টবেঙ্গল আর যা-ই হোক দুগোল শোধ করে জিতে ফিরতে পারবে না। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে যেন অন্য ইস্টবেঙ্গলকে দেখা গেল। খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে আক্রমণে রীতিমতো ঝড় তুলে গেলেন মহেশ, ডেভিড, বিষ্ণুরা। যার ফল মিলল হাতেনাতে। মিনিট কুড়ির ঝড়ে পাঞ্জাব ডিফেন্স তছনছ। প্রথমে গোল করলেন হিজাজি, তারপর বিষ্ণু। ৬০ মিনিটে সুরেই মেতেইয়ের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে প্রথম লিড পেল লাল-হলুদ শিবির। তার মিনিট চারেক বাদে পাঞ্জাবের লুংডিম লাল-কার্ড খেতেই তাদের প্রত্যাবর্তনের আশা মোটামুটিভাবে শেষ হয়ে যায়। ৬৭ মিনিটে ডেভিড পাঞ্জাবের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতলেন। 

জয়ের ফলে ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টবেঙ্গল আপাতত এগারোতে। তবে এদিনের ম্যাচে যে  মানসিকতার পরিচয় ইস্টবেঙ্গল দিল, তাতে আগামী দিনে অন্তত সুপার সিক্সে শেষ করার স্বপ্ন দেখতেই পারেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.