Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
AFC Asian Cup

ফের প্রকট ভারতীয় ফুটবলের দুর্দশা, ১১ গোল খেয়ে বিশ্বকাপে যাওয়ার রাস্তা কার্যত বন্ধ মেয়েদের

একটা দল ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়ী। আরেক দল কখনও বিশ্বকাপ খেলেনি। জাপান এবং ভারত। দুই দলের মধ্যে যে কয়েক হাজার মাইল দূরত্ব, সে কথা সকলেরই জানা। তা বলে এতটা লজ্জার মুখে পড়তে হবে ব্লু টাইগ্রেসদের, তা হয়তো কল্পনা করা যায়নি। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৮:৪৭

options
link
ফের প্রকট ভারতীয় ফুটবলের দুর্দশা, ১১ গোল খেয়ে বিশ্বকাপে যাওয়ার রাস্তা কার্যত বন্ধ মেয়েদের zoom
ছবি সংগৃহীত।

একটা দল ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়ী। আরেক দল কখনও বিশ্বকাপ খেলেনি। জাপান এবং ভারত। দুই দলের মধ্যে যে কয়েক হাজার মাইল দূরত্ব, সে কথা সকলেরই জানা। তবুও অস্ট্রেলিয়ায় সোনালি স্বপ্নের অপেক্ষায় এএফসি এশিয়ান কাপে নেমেছিলেন ব্লু টাইগ্রেসরা। খাতায়কলমে শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে থাকা ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে লড়াকু ফুটবলের পর শেষ মুহূর্তের গোলে হার স্বীকার করতে হয়েছিল সঙ্গীতা বাফফোর, শিলকি দেবীদের। এবার সামনে জাপান। ‘উদীয়মান সূর্যের দেশ’-এর বিরুদ্ধে লজ্জাজনক হার ভারতের মেয়েদের। গুনে গুনে ১১ গোলের মালা পরল অ্যামেলিয়া ভালভার্দের দল।  

নিজেদের প্রথম ম্যাচে চাইনিস তাইপেইয়ের সঙ্গে ২-০ গোলে জিতলেও খুশি ছিলেন না জাপান কোচ নিলস নিলসেন। ভারতের বিরুদ্ধে আরও ‘কঠোর’ ফুটবলে’র বার্তা দিয়েছিলেন। দলেও যে বিস্তর বদল হবে, সে কথাও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কে জানত, এতটা লজ্জা অপেক্ষা করছে ‘নীল বাঘিনী’দের জন্য। রক্ষণ গুছিয়ে সময়-সুযোগ মতো প্রতি আক্রমণ নির্ভর খেলবে ব্লু টাইগ্রেসরা, সেটা অনুমেয় ছিল। কিন্তু আক্রমণ-টাক্রমণ দূরের ব্যাপার, শুরু থেকেই জাপানি সুনামি আছড়ে পড়ল ভারতের রক্ষণের উপর।

Advertisement

৪ মিনিটে ইউজুকির গোলে সেই যে এগোল জাপান, তার পর আর থামানো গেল না। ১৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটির হাসেগাওয়া। ২০ এবং ৩৫ মিনিটে আরও দু’টি গোল ভারতের জালে ভরে দিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের হিনাটা মিয়াজাওয়া। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে পেনাল্টি থেকে স্কোর লাইন ৫-০ করেন সেইকে। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের সুনামি বজায় রাখে জাপান। বলা চলে, এই অর্ধে আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে সামুরাইয়ের দেশ। ৪৭, ৫০, ৬৫ মিনিটে স্কোর লাইনে অবদান রাখেন উইকি। তিনি হ্যাটট্রিক করেন। ৫৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল সেইকির। ৬২ মিনিটে স্কোর শিটে অবদান রাখেন হিজকাটা। ৮১ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন হিনাটা। সব মিলিয়ে ০-১১ গোলে লজ্জার হারে ভারতের বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন কার্যত শেষ হয়ে গেল।

আজকের স্কোর বোর্ড দেখে মহিলা ফুটবলে ভারত-জাপানের যে বিস্তর ব্যবধান ধরা পড়ল, মাত্র দু-তিন দশক আগেও বিষয়টি এমন ছিল না। মহিলা ফুটবলের প্রাক্‌-ফিফা আমলের কথা ছেড়ে দিন, যে বছর ফিফা মহিলা ফুটবলকে স্বীকৃতি দিয়ে প্রথমবার মহিলা ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ শুরু করে, সেই ১৯৯১-তে জাপান বিশ্বকাপের মূলপর্বে কোয়ালিফাই করেছিল এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে। মূলপর্বে যাওয়ার বাছাই পর্বে খেলেছিল ভারতও। ১৯৮৬ এশিয়া কাপের প্রথম সাক্ষাতে অনিতা সরকারের গোলে ভারত ১-০ হারিয়েছিল জাপানকে। সেই জাপানের বিরুদ্ধে এমন লজ্জাজনক হার দেখিয়ে দিল ভারতীয় ফুটবলের কঙ্কালসার ছবি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.