Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
East Bengal

ডার্বিতে হ্যাটট্রিকে বাইচুংয়ের পাশে, ডুরান্ড দৌরাত্ম্যে ‘ঘরের ছেলে’ এডমুন্ডের হুঙ্কার, ‘সবে তো শুরু’

২০২০-তে ডার্বিতে এডমুন্ডের চোট নিয়ে আজও আপসোস আছে লাল-হলুদ ভক্তদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ২০:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ২০:৫৬

options
link
ডার্বিতে হ্যাটট্রিকে বাইচুংয়ের পাশে, ডুরান্ড দৌরাত্ম্যে ‘ঘরের ছেলে’ এডমুন্ডের হুঙ্কার, ‘সবে তো শুরু’ zoom
১৯৯৭-এ হ্যাটট্রিক বাইচুং ভুটিয়ার। সেই ইতিহাস ফেরালেন এডমুন্ড।
Advertisement

২০২০-তে বেঙ্গালুরু থেকে লোনে ইস্টবেঙ্গলে এসেছিলেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকা। এরকমই এক ডার্বি ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। সেই ম্যাচের অঙ্কও বদলে দিতে পারতেন এডমুন্ড। এত বছর পরেও সেদিনের কথা মনে রেখে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্য ‘ঘরের ছেলে’ তিনি। এদিন যুবভারতীতে ১১, ২২, ৪৪ মিনিটে গোল করে এডমুন্ডই নায়ক। গতিশীল, পরিশ্রমী, সুযোগসন্ধানী ‘মিজো মিসাইল’কে আটকানোর কোনও ক্ষমতাই ছিল না মোহনবাগানের কাছে।

বেঙ্গালুরু হয়ে ইন্টার কাশী ঘুরে ২০২৫-এ আসেন ইস্টবেঙ্গলে। কে জানত, অস্কার ব্রুজোর হাত ধরে সেই মরশুমেই ২২ বছরের খরা কাটাবে লাল-হলুদ বাহিনী। ৩টি গোল ও ৫টি অ্যাসিস্ট করেন। কার্যত নির্ণায়ক ডার্বিতেও গোল করেছিলেন। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরদিন ক্লাবের মাঠে ভাঙা পায়েই উদ্দাম নাচ এডমুন্ডের। কেন যে তাঁকে ‘ঘরের ছেলে’ বলা হচ্ছে, তা যেন স্পষ্ট। আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে এশিয়ার মঞ্চে এবার দাপট দেখাতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড কাপ সেই হিসেবে আইএসএল ও এসিএল ২-র প্রস্তুতি পর্ব। সেখানে ভারতীয় ব্রিগেড কী করতে পারে, তা দেখিয়ে দিলেন এডমুন্ডরা।

Advertisement

ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করা চাট্টিখানি কথা নয়। আর সত্যিই তাঁকে নিয়ে মাত্র চারজন ডার্বিতে এই নজির গড়েছেন। ১৯৯৭ সালে ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে বাইচুং ভুটিয়া হ্যাটট্রিক করেছিলেন। সেবারও স্কোরলাইন ছিল ৪-১। তারপর ২০০৯ সালে হ্যাটট্রিক করেন চিডি এডে। সেবার আই লিগে মোহনবাগান জিতেছিল ৫-৩ গোলে। ২০২১-এ কিয়ান নাসিরি আইএসএলের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে হারিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। আর এবার এডমুন্ড।

তিনি হ্যাটট্রিকের জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানালেন। তিনি বলেন, “ম্যাচের আগে আমি আর আমার বোন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, যাতে হ্যাটট্রিক করতে পারি। ঈশ্বর আমাদের প্রার্থনা শুনেছেন। তাই গোলের পর হাত দিয়ে সেটাই দেখাচ্ছিলাম। এ তো সবে শুরু হল। আশা করি এই মরশুমে আরও ট্রফি জিততে পারব।”

Edmund Lalrindika is the hero of East Bengal Durand Cup final won vs Mohun Bagan
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল গ্রাফিক্স
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.