Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
East Bengal

পিছিয়ে পড়ে কোনওক্রমে রক্ষা, কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলকে আটকে দিল ভবানীপুর

টানা পাঁচ ম্যাচ পর 'জয়রথ' থেমেছে ভবানীপুরের। যদিও ৭ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে তারা। দ্বিতীয় স্থানে লাল-হলুদ। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৭:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৭:৪১

options
link
পিছিয়ে পড়ে কোনওক্রমে রক্ষা, কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলকে আটকে দিল ভবানীপুর zoom
ভবানীপুরের বিরুদ্ধে ড্র লাল-হলুদের। ছবি আইএফএ।
Advertisement

ইস্টবেঙ্গল ১ (অনন্তু)
ভবানীপুর ১ (শ্যামল)

গত শুক্রবার মোহনবাগানকে হারিয়েছিল ভবানীপুর। ঠিক একটা সপ্তাহ পর তাদের কোচ রঞ্জন চৌধুরীর ছেলেদের সামনে আরেক প্রধান ইস্টবেঙ্গল। ছয় ম্যাচের মধ্যে টানা পাঁচটি জিতে নজর কেড়েছে তারা। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের হারাতে পারে কিনা ভবানীপুর, সেই দিকে নজর ছিল সকলের। টানা ছয় ম্যাচ জেতার সুযোগ হারালেও লাল-হলুদকে ৩ পয়েন্ট পেতে দেয়নি তারা।

Advertisement

ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে টানা চার ম্যাচে জিতে দুরন্ত ছন্দে থাকা ভবানীপুর উজ্জীবিত ফুটবল উপহার দিয়েছে গোটা ম্যাচেই। এমনিতেই তাদের আক্রমণভাগের ফুটবলার সাহিল হরিজন ও জিতেন মুর্মুরা দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। এই ম্যাচেও নিজেদের উজাড় করে দিলেন তাঁরা। মনে রাখতে হবে, এবারের লিগে ইস্টবেঙ্গলও যথেষ্ট ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে। লিগ টেবিলে তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই ম্যাচে জিততে পারলে লিগ শীর্ষে থাকা ভবানীপুরের সমান পয়েন্ট হয়ে যেত তাদের। তবে সেই সুযোগ হারালেন বিনো জর্জের ছেলেরা।

প্রথমার্ধে দুই দলই তুল্যমূল্য লড়াই করেছে। ইস্টবেঙ্গলে যেমন নজর কেড়েছে ডান উইং বরাবর বিজয় মুর্মুর দৌড়, তেমনই সাহিল হরিজনদের নিয়ে কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। ‘ক্যাপ্টেন ব্যান্ডে’র মর্যাদা রাখলেন জিতেন মুর্মুও। সুযোগ পেলেও আক্রমণে উঠছিলেন। পাশাপাশি বেশ কিছু সুযোগ হারান লাল-হলুদ ফুটবলাররা। প্রথমার্ধে কোনও পক্ষই কোনও গোল করতে পারেনি। গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের ভোল বদলে দেন শ্যামল বেসরা। ৪৬ মিনিটে ২১ বছর বয়সি এই ফুটবলারের গোলে এগিয়ে যায় ভবানীপুর।

এরপর যেন ঘুম ভাঙে লাল-হলুদের। ৪৯ মিনিটে ডান দিক থেকে বিজয় মুর্মুর দিশাহীন সেন্টার কোনও সতীর্থরই মাথা পায়নি। ঠিক জায়গায় বল রাখতে পারলে সমতায় ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারত। তবে সমতায় ফিরতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ৫২ মিনিটে অনন্তু এনএস বাঁ পায়ের বাঁকানো শটের দুরন্ত গোলে ম্যাচে ফেরে মশাল বাহিনী। ৫৬ মিনিটে বিজয়ের ভাসানো বল মাথা ছোঁয়াতে পারেননি মনতোষ চাকলাদার। ৭১ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। প্রায় ৩০ গজ থেকে অনন্তুর নেওয়া শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হলে প্রতিযোগিতার সেরা গোল হতে পারত। ৮০ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ হারান লাল-হলুদের সঞ্জীব ঘোষ। ৮৯ মিনিটে তিন কাঠিতে রাখতে পারেননি মোহনবাগানের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে গোল করা রবি হাঁসদা। এই গোলটা হয়ে গেলে গত ম্যাচেরই যেন ‘রিপিট টেলিকাস্ট’ হত। শেষ পর্যন্ত ১-১ অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ হয় ম্যাচ। 

প্রসঙ্গত, এই ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন ভবানীপুরের ফিজিও কুণাল ঘোষ। ডাগআউট থেকে বেরিয়ে এরিয়ান গ্যালারির সামনে এলে দর্শকদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় তাঁর। ম্যাচের পর ভবানীপুর কোচ রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “আমার মনে হয় এবারের কলকাতা লিগে আপাতত সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচ ছিল এটা। তাই এই ধরনের ম্যাচে রেফারিং একটু ভালো হওয়াটা জরুরি।” উল্লেখ্য, টানা পাঁচ ম্যাচ পর ‘জয়রথ’ থেমেছে ভবানীপুরের। যদিও ৭ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে তারা। দ্বিতীয় স্থানে লাল-হলুদ। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.