Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ডুরান্ড ফাইনালে মহারণ
East Bengal

‘এটাই সেরা ডার্বি জয়’, ডুরান্ড ঘরে তুলে তৃপ্ত ইস্টবেঙ্গল ‘চাণক্য’ হাবাস

ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস কিন্তু কোনও রাখঢাক না রেখেই বলে দিলেন, জীবনের সেরা ডার্বি জয় এটাই। কেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ।

Advertisement
প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৪:৩১

link
প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৪:৩১

options
link
‘এটাই সেরা ডার্বি জয়’, ডুরান্ড ঘরে তুলে তৃপ্ত ইস্টবেঙ্গল ‘চাণক্য’ হাবাস zoom
ফুটবলারদের অভিনন্দন জানালেন কোচ হাবাস। ছবি সংগৃহীত।

ম্যাচ তখন শেষ হয়েছে। ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কোচ, ফুটবলারদের গায়ে শোভা পাচ্ছিল ‘চ্যাম্পিয়ন’ লেখা টি শার্ট। ঠিক যেমনটা কয়েক মাস আগে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিন দেখা গিয়েছিল কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে। ঠিক তখনই টানেল থেকে উঠে এলেন লাল-হলুদ কর্তা দেবব্রত সরকার। গায়ে টকটকে লাল জামার উপর জড়ানো বিশাল একটা ইস্টবেঙ্গল পতাকা। মাঠে ঢুকেই ডাগ আউটের পাশ দিয়ে সোজা চলে গেলেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের কাছে। দেবব্রত জড়িয়ে ধরলেন লাল-হলুদ কোচকে।

গ্যালারি তখন ‘জয় ইস্টবেঙ্গল’ ধ্বনিতে মুখরিত। কোচকে ছেড়ে দেবব্রত সেই লাল-হলুদ পতাকা এরপর জড়িয়ে দিলেন বড় ম্যাচের মহাতারকা এডমুন্ডের গায়ে। এখানেই শেষ নয়। গ্যালারির উন্মাদনা এরপর আরও তুঙ্গে উঠল যখন প্রভসুখন গিল, আনোয়ার আলি, জয় গুপ্তা-সহ গোটা দল মিলে মাঠে বসে পড়ে আর্লিং হালান্ডের নরওয়ের কায়দায় ‘ভাইকিং রো’ শুরু করে দিলেন! আর এই ম্যাচের চাণক্য হিসাবে আবার নিজেকে সেরা প্রমাণিত করলেন যিনি, সেই ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস কিন্তু কোনও রাখঢাক না রেখেই বলে দিলেন, জীবনের সেরা ডার্বি জয় এটাই। কেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। এদিন তিনি বলেন, “অন্য ডার্বিগুলো ফাইনাল ছিল না। এটা ফাইনাল ম্যাচ ছিল। সেই ফাইনাল জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এটাই সেরা ডার্বি জয় আমার কাছে।” আরও বলছেন, “বিশ্বাস করুন, স্বপ্নের মতো একটা জয় পেলাম আমরা। দলগতভাবে ভালো খেলেছে টিম। পাশাপাশি ব্যক্তিগত নৈপুণ্যেও অনেকে ভালো পারফর্ম করেছে। ফুটবলারদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

Advertisement
East Bengal celebrates after winning the Durand Cup 2026 final against Mohun Bagan
ইস্টবেঙ্গলের ‘ভাইকিং রো’।

 

এদিন ম্যাচের শেষে এডমুন্ডকেও দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন হাবাস। ‘পজিটিভ স্ট্রাইকার’ না হয়েও গোল করতে পারেন বলে তাঁকে নিয়ে আশাবাদী হাবাস। ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার প্রভসুখন গিল আবার বলে গেলেন, ‘‘২০২৩ সালে আমার প্রথম মরশুম ছিল। সেবার ডুরান্ড ফাইনালে হেরে গিয়েছিলাম। এবার জিতলাম। সবচেয়ে বড় কথা, গত তিন মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ট্রফি জিতলাম। নিঃসন্দেহে বড় প্রাপ্তি। ভারতীয় ফুটবলে ইস্টবেঙ্গল যে জায়গায় ছিল, সেখানে আবার ফিরে আসছে। এবার চেষ্টা করব ইস্টবেঙ্গলের সম্মান আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাড়ানোর।”

লিগের প্রথম ম্যাচে লিস্টন কোলাসোদের কাছে হারতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। এই ম্যাচটা কি সেই অর্থে প্রতিশোধের ম্যাচ ছিল? উত্তরে ইস্টবেঙ্গলের আর এক গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার জয় গুপ্তা বলছেন, ‘‘আমরা জবাব দিয়েছি মাঠে।’’ ম্যাচের আর এক গোলদাতা বিপিন সিংয়ের আবার এটাই জীবনের প্রথম ডার্বি গোল। বললেন, “ডার্বিতে নিজের প্রথম গোলটা পেলাম। ভালো লাগবে না?” তবে মহম্মদ রশিদ একটা ট্রফি জয়ে সন্তুষ্ট থাকতে রাজি নন। বলে গেলেন, “এখানেই আমাদের কাজ শেষ হয়ে যায়নি। সামনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে, সেই ম্যাচগুলো জিততে হবে। এই জয় বাবাকে উৎসর্গ করলাম।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.