Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
East Bengal

রশিদ-বিষ্ণুর গোলে একতরফা জয়, নামধারীকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

প্রথমার্ধেই জোড়া গোল ছিনিয়ে নেন সল ক্রেসপোরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৬:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৬:৩৯

options
link
রশিদ-বিষ্ণুর গোলে একতরফা জয়, নামধারীকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল zoom
Advertisement

ইস্টবেঙ্গল: ২ (রশিদ, বিষ্ণু)
নামধারী ০

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে নামধারী এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিল্ড ফাইনালে উঠল লাল-হলুদ বাহিনী। গোল করেন মহম্মদ রশিদ ও পিভি বিষ্ণু। আগের ম্যাচে শ্রীনিধি ডেকানকে হারানোয় এই ম্যাচে ড্র করলেই যথেষ্ট ছিল অস্কার ব্রুজোর দলের জন্য। তবে এই ম্যাচে প্রথম থেকে জয়ের জন্য ঝাঁপিয়েছিলেন মিগুয়েলরা। কার্যত একতরফা ফুটবল খেলে জয় ছিনিয়ে নিলেন তাঁরা।

Advertisement

মোহনবাগানের পর নামধারীকে শিল্ডের সবচেয়ে শক্তিশালী বলে ধরেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ। ম্যাচে অবশ্য সেভাবে বেগ দিতে পারল না পাঞ্জাবের দল। প্রথমার্ধেই জোড়া গোল ছিনিয়ে নেন সল ক্রেসপোরা। মাঝমাঠ সম্পূর্ণ দখলে রেখে বেশিরভাগ সময় বল ঘোরাফেরা করেছে নামধারীর অর্ধে। দুই উইং ধরে আক্রমণ শানিয়ে যান বিপিন, বিষ্ণুরা। বিশেষ করে বিপিন ধারাবাহিক ভাবে ক্রস ভাসাতে থাকেন বক্সে। প্রথম একাদশে হামিদের বদলে ডেভিডকে রাখেন অস্কার। তবে ভারতীয় স্ট্রাইকার সেভাবে সঠিক জায়গায় পৌঁছতে পারছিলেন না। ফলে কিছুটা নিষ্প্রভ লাগছিল মিগুয়েলকেও।

১৯ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন রশিদ। সলের ক্রস থেকে কার্যত ফাঁকা গোলে হেড করতে পারেননি মিগুয়েল। ফিরতি বলে জোরালো শট নেন প্যালেস্তানীয় মিডফিল্ডার। নামধারীর এক ডিফেন্ডারের গায়ে লাগে তা জালে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয় গোল এল ৪২ মিনিটে। বক্সের মধ্যে বল পেয়ে আচমকা গতি বাড়িয়ে ডান পায়ে শট নেন বিষ্ণু। নামধারীর গোলকিপার যে প্রথম পোস্ট ছেড়ে রেখেছিলেন, তা সম্ভবত খেয়াল করেছিলেন লাল-হলুদের তরুণ তুর্কি। সেই ফাঁক দিয়েই জাল বলে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে বরং কিছুটা হালকা মেজাজেই খেলছিলেন লাল-হলুদের ফুটবলাররা। গোলের সুযোগও আর সেভাবে তৈরি হয়নি। বরং দুয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল নামধারী। কিন্তু তাতে ইস্টবেঙ্গলকে বেগ দেওয়ার মতো বিষ ছিল না। এবার দেখার ১৮ তারিখের ফাইনালে ডার্বি হয় কি না। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.