মরশুমের প্রথম ডার্বির আগে বিরাট সুখবর ফুটবলপ্রেমীদের জন্য। রাজ্যের ক্রীড়া বিভাগের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁর হস্তক্ষেপে ডার্বির টিকিট নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল ডুরান্ড কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার অনলাইনে ডার্বির টিকিট কিনলে সেই টিকিট আর সশরীরে রিডিম করতে হবে না। শুধু অনলাইন টিকিট অর্থাৎ এম-টিকিট দেখালেই মিলবে খেলা দেখার সুযোগ। জানিয়ে দিল ডুরান্ড কর্তৃপক্ষ।
বিশ্বকাপ জ্বর শেষ হতেই শুরু ভারতীয় ফুটবলের মরশুম। ২৫ জুলাই কলকাতা ডার্বি। শনিবার, বিকেল ৫টায় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল দ্বৈরথ দিয়েই শুরু হবে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup 2026)। তার আগেই ক্রীড়ামন্ত্রী জানান, প্রথমবারের জন্য ডুরান্ড কাপে থাকছে পেপারলেস টিকিট। অনলাইনে টিকিট কেটেই সরাসরি মাঠে ঢুকতে পারতেন তাঁরা। আলাদা করে হার্ড কপি নেওয়ার দরকার নেই। অর্থাৎ টিকিট রিডিম করার দরকার নেই। কিন্তু বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যারা ডুরান্ড ডার্বির টিকিট কেটেছিলেন, তাঁরা ওই সুবিধা পাননি।
আরও পড়ুন:
কিন্তু শুক্রবার সকালে ডুরান্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল, রাজ্যের ক্রীড়াদপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ-র নির্দেশ মতো ডুরান্ডের ম্যাচ-ডে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়ায় বিরাট বদল করা হল। বৃহস্পতিবার থেকে যারা ডার্বির টিকিট কিনবেন তাঁরা শুধু অনলাইন টিকিট অর্থাৎ এম-টিকিট নিয়েই সরাসরি স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন। এর ফলে আর সশরীরে টিকিট রিডিম করতে হবে না। ফলে ফুটবলপ্রেমীদের টিকিটের ঝক্কি অনেকটাই কমে গেল।
আগেকার নিয়ম অনুযায়ী, অললাইনে টিকিট কাটার পরও নির্দিষ্ট ঠিকানায় উপস্থিত হয়ে সেই টিকিট রিডিম করতে হত। অর্থাৎ অনলাইনে টিকিট কাটার পরও সময় নষ্ট করে লাইনে দাঁড়িয়ে ঝক্কি পোয়াতে হত। দীর্ঘদিন ধরেই সমর্থকদের দাবি ছিল পেপারলেস টিকিট চালুর। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস সেই দাবি পূরণ করেননি। এতদিন সেই ব্যবস্থা কার্যকর না হলেও, সরকার পরিবর্তনের পর এবার সেই দাবিই বাস্তবায়িত হতে চলেছে। এবার থেকে আর রিডিমের ঝক্কি রইল না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে বড় অঘটন, স্নানে নেমে মৃত ১, খোঁজ নেই আরও এক পর্যটকের
-
বিমানবন্দরের ধাঁচে গড়ে উঠবে হাওড়া স্টেশন, থাকবে আধুনিক সুবিধা! পরিদর্শনে মন্ত্রী
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট