Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Bhawanipore FC

আর কত বঞ্চনা? মোহনবাগানকে হারিয়ে বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ চাইছেন রবি-সাহিলরা

তবে কলকাতা লিগের সূচি নিয়ে খুশি নন ভবানীপুর কোচ রঞ্জন চৌধুরী।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১০:৫৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১০:৫৮

options
link
আর কত বঞ্চনা? মোহনবাগানকে হারিয়ে বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ চাইছেন রবি-সাহিলরা zoom
কোচ রঞ্জন চৌধুরির সঙ্গে দুই গোলদাতা রবি হাঁসদা ও সাহিল হরিজন। ছবি: অপ্রতিম পাল
Advertisement

রবি হাঁসদা বা সাহিল হরিজনের নাম এখন আর বঙ্গ ফুটবলমহলে অচেনা নয়। সন্তোষ ট্রফিতে সর্বোচ্চ স্কোরার রবি আইএসএল খেলে ফেলেছেন মহামেডানের হয়ে। ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরে গোলও করেছেন সাদা-কালো জার্সিতে। সাহিল আবার গত কয়েক বছর ধরেই ধারাবাহিক। কলকাতা লিগ থেকে আই লিগ ২- প্রতিটা স্তরেই ভালো খেলেছেন। গত মরশুমে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড।

শুক্রবার কলকাতা লিগে মোহনবাগানের ঘরের মাঠে সবুজ-মেরুন বধ করেছে ভবানীপুর। ২-১ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে গোল করেছেন রবি-সাহিল। আর ভবানীপুরকে ম্যাচ জিতিয়ে দু’জনের মুখে একটাই কথা- বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ দেওয়া হোক তাঁদের। মহামেডানে রিজার্ভ বেঞ্চে বসিয়ে রাখা প্রসঙ্গে রবি বলছিলেন, “সবাই জানে আমার সঙ্গে কী হয়েছে। যেটুকু সুযোগ পেয়েছি, ভালো খেলেছি। গোল করেছি। তারপরও খুব বেশি সময় খেলানো হয়নি। তাই বলব, আমাদের উপর ভরসা রাখা হোক।” অন্যদিকে সাহিলের কথায়, “মুহূর্তের মধ্যে কিছু হয় না। ভালো পারফর্ম করার জন্য সময় দিতে হয়। সেটুকুই চাইছি।” অবশ্য মুখে বলে নয়, এই তরুণ ফরোয়ার্ড দলে জায়গা করে নিতে চান প্র্যাকটিসে ভালো খেলার মাধ্যমে।

Advertisement

এবারের লিগে টানা চার ম্যাচেই গোলের দেখা পেলেন সাহিল। শেষ দু’টো ম্যাচে তাঁর করা একমাত্র গোলেই জিতেছে ভবানীপুর। এদিন মোহনবাগানের বিরুদ্ধে করা গোলটি বাবা-মাকে উৎসর্গ করলেন তিনি। গোলের পরই মাঠের পাশে দাঁড়ানো বাবার কাছে ছুটে আসেন হাবড়ার এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচ শেষে সেই প্রসঙ্গে বলছিলেন, “আমার খেলোয়াড় হওয়ার পিছনে বাবা-মার অনেক অবদান রয়েছে। তাই এই গোলটা আমি ওঁদের উৎসর্গ করছি।” মরশুমের প্রথম গোলের পর রবির বার্তা, “আমাদের দলে কয়েকজন খুব ভালো ফরোয়ার্ড রয়েছে। আমি, সাহিল, জিতেন মুর্মু, রাহুল পাসোয়ান। ফলে সুযোগ পাওয়াটা কঠিন। আজ গোল করার লক্ষ্য নিয়েই এসেছিলাম। আমি নিজে মোহনবাগান সমর্থক। ফলে এই মাঠে ওদের বিরুদ্ধে গোল করতে পেরে ভালো লাগছে।”

ভবানীপুর কোচ রঞ্জন চৌধুরী খুশি মোহনবাগানের মতো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে। “আমি দীর্ঘদিন কোচিং করাচ্ছি। এমন ম্যাচে জয় আগেও পেয়েছি। সবটাই ছেলেদের কৃতিত্ব। ওরা মাঠে খেলে তিন পয়েন্ট নিয়ে এসেছে।” একইসঙ্গে আইএফএ-কে ম্যাচ দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার বার্তাও দিলেন তিনি। রঞ্জনের কথায়, “দু-তিনদিন আগে জানতে পারছি, পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষ কে। সূচি তৈরির ক্ষেত্রে সিকোয়েন্স মানা হচ্ছে না। সেগুলো আমাদের জন্য সমস্যার।” লিগে পরের ম্যাচে ভবানীপুরের প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.