Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Squash Momo

চিকেন নয়, দিল্লির বাঙালি পাড়ায় দেদার বিকোচ্ছে ‘ইস্কুস মোমো’, কেন ফেভারিট ভোজনরসিকদের?

ইস্কুস মোমোর স্বাদ কি সত্যিই পিছনে ফেলে দেবে এতদিনের চিরাচরিত ভেজ-চিকেন পুরের মোমোকে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৫:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৫:১২

options
link
চিকেন নয়, দিল্লির বাঙালি পাড়ায় দেদার বিকোচ্ছে ‘ইস্কুস মোমো’, কেন ফেভারিট ভোজনরসিকদের? zoom
নেপালি এবং দার্জিলিং-কালিম্পংয়ের রান্নায় ইস্কুস মোমো একটি সুপরিচিত আঞ্চলিক পদ।
Advertisement

ভেজ-চিকেন-মটন তো বটেই, বাজারে পাওয়া যায় আরও রকমারি স্বাদের মোমো। এমনকী চকোলেট মোমোও রীতিমতো ভাইরাল হয়েছিল এক সময়ে। কিন্তু সম্প্রতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এমন এক মোমো, জার ভিতরে পুর হিসেবে কোনও আশ্চর্য জিনিস নয়, বরং দেওয়া রয়েছে খুবই সাধারণ এক সবজি!

Squash momo gaining popularity in Delhi’s CR Park

Advertisement

দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কের লিম্বু কিচেনে ইদানীং ভিড় উপচে পড়ছে। নেপথ্যে এখানকার এক বিশেষ পদ—স্কোয়াশ মোমো (Squash Momo)। মোমোর প্রতি দিল্লিবাসীর ভালোবাসা নতুন নয়। শহরের অলিগলিতে তিব্বতি ও নেপালি মোমোর অসংখ্য দোকান তারই প্রমাণ। কিন্তু দক্ষিণ দিল্লির এক ছোট্ট খাবারের দোকানে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন একটি নির্দিষ্ট মোমোর জন্য। যার পুর তৈরি হচ্ছে স্কোয়াশ দিয়ে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

স্কোয়াশ আদতে লাউ বা চালকুমড়ো জাতীয় এক সবজি, যা অনেক জায়গায় ইস্কুস বা ইশকুশও নামে পরিচিত। বাঙালিরাও অনেক সময় আলু দিয়ে স্কোয়াশের তরকারি রান্না করে খেয়ে থাকেন। স্বাদের বিষয়ে স্কোয়াশ খানিকটা শালগম কিংবা ওলকপির ধাঁচের। হিমালয় অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঘরোয়া রান্নায় বিপুল ব্যবহৃত হয় স্কোয়াশ। বিশেষ করে নেপালি এবং দার্জিলিং-কালিম্পংয়ের রান্নায় ‘ইস্কুস কো মোমো’ একটি সুপরিচিত আঞ্চলিক পদ। তবে ভারতের রাজধানী শহরে এর আগে কখনও জনপ্রিয় হতে দেখা যায়নি এমন মোমো। বরং আমিষ পুরের চাহিদাই সেখানে তুঙ্গে থেকেছে বরাবর।

Unique squash momo being prepared in Delhi

এই মোমো তৈরির জন্য প্রথমে স্কোয়াশ কুরিয়ে নেওয়া হয়। সবজিটিতে জলীয় অংশ বেশি থাকায় কুরোনো স্কোয়াশে লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে, তারপর ভালো করে জল নিংড়ে নেওয়া হয়। এরপর এর সঙ্গে মেশানো হয় পিঁয়াজ, আদা এবং ধনেপাতা। পুরটিকে আরও সুস্বাদু করতে অল্প গরম তেলও মেশানো হয় এতে। তারপর এই পুর ময়দার পাতলা আবরণের মধ্যে ভরে মোমোর আকার দেওয়া হয় এবং ভাপে সেদ্ধ করা হয়। সূত্র জানাচ্ছে, লিম্বু কিচেনের স্কোয়াশ মোমোর স্বাদ সামান্য মিষ্টি স্বাদ ও এর ভিতরের অংশ রসে টইটুম্বুর।

Simple process of making squash momo

সোশাল মিডিয়াতেও এই পদটি নিয়ে আলোচনা বাড়তে থাকায়, সাধারণ মানুষের কৌতূহলও বেড়েছে। অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে চিত্তরঞ্জন পার্কে এসে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। স্কোয়াশ মোমোর স্বাদ কি সত্যিই পিছনে ফেলে দেবে এতদিনের চিরাচরিত ভেজ-চিকেন পুরের মোমোকে? সে বিষয় তামাম মোমোপ্রেমী একমত না হলেও লিম্বু কিচেনের ‘ইস্কুস কো মোমো’ যে ঐতিহ্যবাহী এক পাহাড়ি রান্নাকে নতুন করে সমতলবাসীর চেখে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে, তা উপেক্ষা করা যায় না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.