Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Indian tea

চা ছাড়া অচল বাঙালি, ভারতে কীভাবে এসেছিল এই পানীয়? জানুন অজানা গপ্প

পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি কোনায় মেলে চায়ের দোকান। সে ঝাঁ-চকচকে ক্যাফে হোক বা এক্কেবারে ছোট্ট গুমটি— চায়ের দোকান মানেই মানুষের ভিড় লেগে থাকবে বছরভর। ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে চা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ২০:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ২০:২২

options
link
চা ছাড়া অচল বাঙালি, ভারতে কীভাবে এসেছিল এই পানীয়? জানুন অজানা গপ্প zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সকাল বিকেল চা চাইই চাই! হাড়কাঁপানো শীতকাল হোক বা গ্রীষ্মকালের প্রাণ হাঁসফাঁস— চায়ের সঙ্গ ছাড়তে পারেন না চা-প্রেমীরা। এমনকী দুধ-চা পানের লোভে চিকিৎসকের বারণও উপেক্ষা করে যান কত সময়েই! কিন্তু এমন একটা সময় ছিল, যখন চায়ের চাষ হত না ভারতবর্ষে। বাইরে থেকে এই দেশে চা (Indian tea) নিয়ে এসেছিল কারা, সে গল্প জানেন কি?

বিভিন্ন সূত্র মতে, চায়ের জন্ম প্রাচীন চিনদেশে। ভেষজ ঔষধি হিসেবে ব্যবহার হয় এই পানীয়। কিন্তু বিশ্বজুড়ে চা ব্যবসায় চিনের যে একচ্ছত্র আধিপত্য, তা-ই ভাঙতে চেয়েছিল ব্রিটিশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় চায়ের চাষ শুরু করতে চেয়েছিল তারা। তাদের পছন্দের তালিকায় ছিল ভারতের নামও।

Advertisement
how India got introduced to its most popular drink tea
আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং হয়ে ওঠে পৃথিবীর সবথেকে বড় চা উৎপাদনকারী এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম।

উনিশ শতকে অসমে স্থানীয় প্রজাতির চা গাছের হদিশ পায় কোম্পানি। আর তাকেই সম্বল করে বিপুল আকারে চা গাছ চাষ শুরু করে। সময়ের সঙ্গে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং হয়ে ওঠে পৃথিবীর সবথেকে বড় চা উৎপাদনকারী এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম। ভারতের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোকে বলিয়ান করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে চা উৎপাদন। এছাড়াও ভারতের বহু মানুষের কর্ম সংস্থান হয় এই বাণিজ্যের হাত ধরে।

দার্জিলিং চা ফোটানোর পর উজ্জ্বল খয়েরী রং ধরে। অসামান্য এক ফুলেল গন্ধ আসে তা থেকে। বিশ্বের সবচাইতে দামি চায়ের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ‘দার্জিলিং টি’। অন্যদিকে আসাম চায়ের লিকারের রঙ অপেক্ষাকৃত গাঢ়। দুধ চা অথবা মশলা চা বানাতে চাইলে আসাম চা-ই প্রাধান্য পায় আগে। এই দুই ছাড়াও দক্ষিণ ভারতের নীলগিরি চা ও কাংরা উপত্যকায় উৎপাদিত চা বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে। উল্লেখ করা যেতে পারে কাশ্মীরি কাওয়ার কথাও, যদিও তা গ্রিন টি। খাওয়ার পদ্ধতিও সাধারণ চায়ের থেকে খানিক আলাদা।

how India got introduced to its most popular drink tea
ঝাঁ-চকচকে ক্যাফে হোক বা এক্কেবারে ছোট্ট গুমটি— চায়ের দোকান মানেই মানুষের ভিড় লেগে থাকবে বছরভর।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি কোণে মেলে চায়ের দোকান। সে ঝাঁ-চকচকে ক্যাফে হোক বা এক্কেবারে ছোট্ট গুমটি— চায়ের দোকান মানেই মানুষের ভিড় লেগে থাকবে বছরভর। ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে চা। কলেজ-অফিস থেকে শুরু করে রেলওয়ে স্টেশনের কাছেও চায়ের দোকান থাকবেই। যেখানে ভোরের আলো ফোটার আগে শুরু হয়ে যাবে বিশাল ডেচকিতে চা ফোটানো। কেবল চা উৎপাদনের ক্ষেত্রে নয়, চা পানের ক্ষেত্রেও ভারতীয়দের জুড়ি মেলা ভার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.