Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
Air Fryer

স্বাস্থ্যকর খাবার বানাতে সর্বক্ষণ এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার, ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে না তো?

এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করলেই যে খাবার রাতারাতি স্বাস্থ্যকর হয়ে যায়, তা নয়। খাবারের পুষ্টিগুণ মূলত তার উপকরণের ওপর নির্ভর করে। হিমায়িত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, নাগেটস বা প্যাকেটজাত স্ন্যাক্স এয়ার ফ্রায়ারে দিলেই প্রস্তুত হয়ে যায়। তবে তাতে সেসবে পুষ্টিগুণ যোগ হয়ে যায় না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ২০:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ২০:১৫

options
link
স্বাস্থ্যকর খাবার বানাতে সর্বক্ষণ এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার, ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে না তো? zoom
রান্না না জানা থাকলেও সহজেই এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করা যায়।

বাঙালির রান্নাঘরের নতুন সংযোজনগুলির মধ্যে অন্যতম এয়ার ফ্রায়ার। স্বাস্থ্যকর খাবার চাইলে এয়ার ফ্রায়ারের দ্বারস্থ হতেই হবে, মনে করেন অনেকে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

এয়ার ফ্রায়ার কীভাবে কাজ করে?
খাবারের চারপাশে থাকা হাওয়াকে গরম করে তোলে এই যন্ত্র, ফলে সামান্যতম তেলের ব্যবহারেই খাবার রান্না হয়ে যায়। তেল-মাখন-ঘি ছাড়াই ভাজাভুজি তৈরি হয়ে যায়, মুচমুচে ভাব আসে। শাকসবজি, আলু এবং প্রোটিনজাতীয় খাবারের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থেকে যায় তাই। মেদ ঝরানো নিয়ে যারা রীতিমতো চিন্তিত, তারা তাই গ্যাস ওভেনের বদলে এয়ার ফ্রায়ার-মুখো হন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
does using an air fryer really make food healthier
প্রসেসড খাবার এয়ার ফ্রায়ারে ডি-ফ্রস্ট করলেও যে তাতে খাদ্যগুণ বাড়ে, এমন নয়।

ডিপ ফ্রাই করতে হয় না বলেই এয়ার-ফ্রায়েড খাবারে ক্যালোরি অনেক কম থাকে। তাছাড়া অল্পবিস্তর শিখে নিলেই এই যন্ত্র ব্যবহার করা যায়। ফলে রান্না জানেন না, এমন মানুষেরাও সহজেই তা চালাতে পারেন। আগুনে হাত পুড়ে যাওয়ার ভয়ও থাকে না।

এয়ার-ফ্রায়েড খাবার স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে কেন?

  • এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করলেই যে খাবার রাতারাতি স্বাস্থ্যকর হয়ে যায়, তা নয়। খাবারের পুষ্টিগুণ মূলত তার উপকরণের ওপর নির্ভর করে। হিমায়িত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, নাগেটস বা প্যাকেটজাত স্ন্যাক্স এয়ার ফ্রায়ারে ডি-ফ্রস্ট করলে যে তাতে পুষ্টিগুণ যোগ হয়ে যায়, তা নয়। রান্না করলেও সেগুলোতে থাকা অতিরিক্ত সোডিয়াম, প্রিজারভেটিভ এবং ফ্যাট থেকেই যায়।
  • অনেক সময় ডিপ-ফ্রায়েড না হলে, খাবারের একেবারে ভিতরের অংশ কাঁচা থেকে যেতে পারে। যা পেটে গেলে নানা ধরনের হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • এয়ার ফ্রায়ারে খাবার ঢোকানোর সময়, সিলিকন লাইনার কিংবা পার্চমেন্ট পেপার ব্যবহার করার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। সরাসরি খাবার যন্ত্রের ভিতর না বসানোই ভালো।
  • প্রতিবার ব্যবহারের পর ভিতরের লাইনার বের করে পরিষ্কার করা উচিত। খাবারের কণা দীর্ঘদিন ধরে জমতে থাকলে, তাতে ফাঙ্গাস গজাতে পারে, যা পেটে গেলে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়ে যায়।
does using an air fryer really make food healthier
এয়ার ফ্রায়ারের ভিতর খাবার সরাসরি না বসিয়ে, পার্চ‌মেন্ট পেপার ব্যবহার করা যায়।

এয়ার ফ্রায়ারে স্বাস্থ্যকর রান্না করতে চাইলে—

  • প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে তাজা উপকরণ ব্যবহার করা উচিত।
  • কম তেল ব্যবহার করবেন অবশ্যই, তবে মাছ/মাংস কিংবা সবজির গায়ে তা ভালোভাবে মাখানো হয়েছে কি-না, দেখে নিতে হবে।
  • খাবার ভিতরে ঢোকানোর আগেই যন্ত্রটি প্রি-হিট করে নিন। নয়তো দীর্ঘ সময় উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করতে হবে। যা খাবার এবং এয়ার ফ্রায়ার— দুইয়ের পক্ষেই ক্ষতিকর।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.