Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Rice Beer

মদ নাপসন্দ, জেন জি’র নয়া হুজুগ রাইস বিয়ার! ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এই পানীয় আদৌ স্বাস্থ্যকর?

কলকাতার পার্টি সার্কিট হোক বা দিল্লির ক্যাফে। তরুণ প্রজন্মের হাতে আজকাল সুরা বা ককটেলের বদলে দেখা যাচ্ছে সাদাটে এক পানীয়। মদের বিকল্প হিসেবে পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে এই প্রাকৃতিক পানীয়। এক সময় কম্বুচা নিয়ে মাতামাতি হলেও এখন আলোচনার কেন্দ্রে অসমের ঐতিহ্যবাহী রাইস বিয়ার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ২০:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ২০:৫৭

options
link
মদ নাপসন্দ, জেন জি’র নয়া হুজুগ রাইস বিয়ার! ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এই পানীয় আদৌ স্বাস্থ্যকর? zoom
জেন-জি প্রজন্ম মজেছে ঘরোয়া রাইস বিয়ারে!
Advertisement

কলকাতার পার্টি সার্কিট হোক বা দিল্লির ক্যাফে। তরুণ প্রজন্মের হাতে আজকাল সুরা বা ককটেলের বদলে দেখা যাচ্ছে সাদাটে এক পানীয়। হালের সমীক্ষা বলছে, জেন জি বা নতুন প্রজন্মের মধ্যে চিরাচরিত মদ্যপানের নেশা কমছে। শরীর নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন তারা। বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত চার বছরে মদ্যপানের হার উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সিদের মধ্যে। তবে নেশা কি পুরোপুরি বিদায় নিয়েছে? বোধহয় না। বরং সরাসরি মদের বিকল্প হিসেবে এখন তরুণদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে স্থানীয় ও প্রাকৃতিক পানীয়। এক সময় কম্বুচা নিয়ে মাতামাতি হলেও এখন আলোচনার কেন্দ্রে অসমের ঐতিহ্যবাহী রাইস বিয়ার।

ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহ্যের নয়া মোড়ক?
রাইস বিয়ার বা চাল দিয়ে তৈরি এই পানীয় উত্তর-পূর্ব ভারতে কয়েক শতাব্দী ধরে প্রচলিত। অসমের বিভিন্ন জনজাতি একে ‘জুডিমা’, ‘আপং’ বা ‘রোহি’ নামে চেনে। ইদানীং শহরের বিলাসবহুল ক্যাফেতেও এর চাহিদা তুঙ্গে। কোথাও চালের গুঁড়োর সঙ্গে বিশেষ ভেষজ মিশিয়ে, কোথাও আবার সেদ্ধ চাল ঠান্ডা করে ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে তৈরি হয় এই পানীয়। এতে অ্যালকোহলের মাত্রা সাধারণত ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে থাকে। তবে ক্যাফেগুলোতে যে রাইস বিয়ার পরিবেশন করা হচ্ছে, তা অনেক সময় সাবেকি স্বাদের চেয়ে কিছুটা আলাদা। সোশাল মিডিয়ার দৌলতে এটি এখন স্ট্যাটাস সিম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যকর নাকি কেবলই নেশা?
অনেকেরই ধারণা, রাইস বিয়ার মানেই তা ভেষজ ও স্বাস্থ্যকর। বিষয়টি আংশিক সত্য। ফারমেন্টেশনের ফলে এতে কিছু উপকারী মাইক্রোব তৈরি হয় যা হজমে সহায়তা করতে পারে। তবে তা কেবল পরিমিত পানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আদতে এটি একটি নেশাবস্তু। এর মধ্যে থাকা অ্যালকোহল নিয়মিত শরীরে গেলে লিভারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়া থেকে শুরু করে মানসিক অবসাদ— পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্রেফ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি বলে একে স্বাস্থ্যকর পানীয় ভাবলে ভুল হবে। অতিরিক্ত রাইস বিয়ার পান করলেও শরীরে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই হুজুগে গা ভাসিয়ে একে ‘নির্দোষ’ পানীয় ভাবার কোনও কারণ নেই। বিকল্প নেশার ক্ষেত্রে সচেতনতাও জরুরি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.