‘খাই খাই করো কেন, এসো বসো আহারে-/ খাওয়াব আজব খাওয়া, ভোজ কয় যাহারে।’ সুকুমার রায় তাঁর অসাধারণ এই কবিতায় যত রকম আজব খাওয়ার কথাই বলে থাকুন না কেন, তাঁর মাথাতেও আসেনি ডাইনোসর চেখে দেখার আইডিয়া! কিন্তু এ আর নিছক কল্পনা নয়। দুবাইয়ের এক রেস্তরাঁয় সত্যিই পরিবেশিত হয় প্রাগৈতিহাসিক জীবটির মাংস!
শুনেই মনে হতে পারে, এসব নেহাতই বানানো গপ্পোগাছা। কিন্তু এখানে এলে আপনার চোখ কপালে তুলে হাজির হয়ে যেতেই পারে ‘ডাইনোসর টারটারে’! বিশ্বের প্রথম এআই রাঁধুনির এই আশ্চর্য রান্না চেখে দেখতেই পারেন। কিন্তু ব্যাপারটা আদপে কী? এআই নিজেই রান্না করল? তাও ডাইনোর মাংস? পেল কোথায়? এসব কথা আপনার মাথায় যদি পাক খেতে থাকে তাহলে বলি, সত্যিই যে এটা ডাইনোসরের মাংসের পদ নয়, সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু এমনই নামকরণ করেছে এআই।
আরও পড়ুন:
বাকি সমস্ত পদের থেকে সবচেয়ে আশ্চর্য এই ডাইনোর মাংসের পদ! বিলুপ্ত সরীসৃপদের স্বাদ পুনর্নির্মাণ করতেই নাকি এমন পরিকল্পনা। যদিও ডাইনোসরের মাংস বলতে এখানে কোন মাংস দেওয়া হচ্ছে তা খোলসা করেনি রেস্তরাঁটি। কিন্তু যাঁরা তা চেখে দেখেছেন তাঁরা এককথায় বলেছেন, এই স্বাদ নিশ্চিত ভাবেই পাতিহাঁসের!
আসলে ‘উহু’ নামের এই রেস্তরাঁর থিমই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা! সেখানে প্রধান রাঁধুনির পদটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আইমানকে। তবে সত্যিই তো সে ‘ভজহরি মান্না’ সেজে খানা পাকাতে যাচ্ছে না। তার উপরে দায়িত্ব প্রতিটি ডিশ ঠিক করা, তাদের সুন্দর নামকরণ করা। তবে বাকি সমস্ত পদের থেকে সবচেয়ে আশ্চর্য এই ডাইনোর মাংসের পদ! বিলুপ্ত সরীসৃপদের স্বাদ পুনর্নির্মাণ করতেই নাকি এমন পরিকল্পনা। যদিও ডাইনোসরের মাংস বলতে এখানে কোন মাংস দেওয়া হচ্ছে তা খোলসা করেনি রেস্তরাঁটি। কিন্তু যাঁরা তা চেখে দেখেছেন তাঁরা এককথায় বলেছেন, এই স্বাদ নিশ্চিত ভাবেই পাতিহাঁসের! এর মধ্যে কাঁচা মাংসের স্বাদ পাওয়া যাবে। আর প্লেটটাও নাকি কাঁপবে এমন, মনে হয় নিশ্বাস নিচ্ছে। যদি এরপরও আপনার সাধ হয় স্বাদ নেওয়ার, তাহলে পকেট থেকে খসাতে হবে ৪৪ পাউন্ড। ভারতীয় মুদ্রায় মোটামুটি ৫ হাজার ৩০০ টাকার মতো!
আরেক আজব পদ ‘সিউইড বাটার’। এর দাম ৪১ পাউন্ডের মতো। ভারতীয় মুদ্রায় হাজার পাঁচেক! সামুদ্রিক শৈবালের এই মাখন একটি জাপানি মাটির পাত্রে রান্না করা ওয়াগিউ গরুর মাংসের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। খাবারকে সুস্বাদু। একটি চমৎকার প্রাকৃতিক স্বাদবর্ধক হিসেবে ধরা যায়। ২৮ দিন বয়সি মুরগির মাংসও এখানে পাবেন। আরও বিচিত্র সব পদ রয়েছে। কাজেই খেতে যাওয়ার আগে একবার মনে মনে সাহস সঞ্চয় করে যেতে হবে। এমন সব খাবার খেতে বোধহয় পেটের জোরের থেকেও মনের জোর বেশি দরকারি!
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভিসা নীতি থেকে অব্যবস্থা! হাজার বিতর্কে বিদ্ধ বিশ্বকাপ, ট্রাম্প বললেন, ‘সবচেয়ে সফল টুর্নামেন্ট হবে’
-
খোঁজ নেই ৩ ভারতীয়র! বাণিজ্যতরী হামলায় মার্কিন কূটনীতিককে তলব নয়াদিল্লির
-
‘মিস ইউ দিদি’, হাত ছাড়লেও শতাব্দীর হৃদয়ে এখনও মমতা! কেন এমন বললেন তিনি?
-
মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গের আট জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা
-
আদালতে ধমক খেলেন অভিষেক! কখন সিআইডির কাছে যাবেন? ১০ মিনিটে জানানোর নির্দেশ