বাঙালি ভাতের হোটেল অথবা ক্যান্টিনে খাওয়া শেষ হলেই, নাগালে পাওয়া যায় ছোট বাটিভর্তি মৌরি (Fennel Seeds)। অনেক গৃহস্থ বাড়িতেও প্রত্যেকবারের ভারী খাবারের শেষে মৌরি খাওয়ার চল রয়েছে। মৌরির স্বাদ মুখে না গেলে, খাবার খাওয়া হয়েছে বলেই মনে করেন না অনেকে! বর্তমানে যদিও ব্যস্ত জীবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেশিরভাগ বাঙালিই খাওয়ার শেষে মৌরি খাওয়ার পাট চুকিয়ে দিয়েছেন। অনেক নামী রেস্তরাঁতেও মৌরির বদলে রঙিন চিনির দানা অথবা বিশেষ ধরনের মিছরির টুকরো পরিবেশন করা যায়।
পুষ্টিবিদরা যদিও বলছেন, মৌরি নেহাত হেলাফেলার বিষয় নয়। খাবারের শেষপাতে পরিবেশিত হওয়া ভাজা মৌরির নাম ‘মুখশুদ্ধি’ হওয়ার কারণ রীতিমতো সঙ্গত।
আরও পড়ুন:

১। মৌরি হজমে সাহায্য করে। মাছ-মাংসের মতো ভারী খাবার অনেক সময়ই হজম হতে চায় না। ফলে খাওয়ার খানিকক্ষণ পর থেকেই পেট ফেঁপে ওঠে। শরীর আনচান করে। হজম-জনিত সমস্যা অবহেলা করে, সেই অবস্থায় ঘুমাতে গেলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও থেকে যায়।
২। মৌরিতে ফাইবার থাকে। ‘অ্যানেথোল’-এর মতো প্রদাহনাশী উপাদান থাকে। ফলে হজম তো হয়েই, পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনাও দূর করে। মেটাবলিজমে সাহায্য করে।
৩। অম্বল হলে সহজেই দুর্গন্ধ হয়ে যায় মুখে। মৌরি তা দূর করে।
৪। মৌরি লালা নিঃসরণ বাড়ায়। মুখ শুকিয়ে যায় না।
৫। মৌরি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে।

খাওয়া একেবারেই সহজ। কাঁচা মৌরি শুকনো খোলায় রোস্ট করে নেওয়া যায়। হালকা সুগন্ধ বেরোলেই নামিয়ে নিতে হবে। পুড়ে না যায় যেন, খেয়াল রাখতে হবে সেদিকে। কারণ বেশি ভাজা হয়ে গেলে মৌরির পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। অনেকেই লেবুর রস মিশিয়ে রাখেন ভাজা মৌরিতে। তবে ভিজেভাব থেকে ড্যাম্প ধরে গেলে, মৌরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। খাওয়ার পর অল্প একটু শুকনো ভাজা মৌরি খেলেই হজম সংক্রান্ত যে কোনও চিন্তা দূর হয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অন্ধকারে আলোর রেখা! প্রীতি ম্যাচ ৩৬ ধাপ উপরে থাকা তাজিকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র ভারতের
-
সুজিত বসুর পর উজ্জ্বল বিশ্বাস, গ্রেপ্তার আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী, এবার ত্রাণচুরির অভিযোগ
-
রাজস্থানে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঝলসে মৃত অন্তত ৭
-
নীল-সাদা অতীত, নবান্নে এবার ‘রং দে তু মোহে গেরুয়া’
-
ভুরি ভুরি দুর্নীতি টাকিতে! হাই কোর্টে মামলা করে দাবি তৃণমূল কাউন্সিলরের