রথযাত্রা মানেই হুটপাট বৃষ্টির আগমন। আর বৃষ্টি মানেই গরম ধোঁয়াওঠা চায়ের সঙ্গে পছন্দসই পকোড়া। কখনও আলু, কখনও পিঁয়াজ, কখনও আবার অন্যধারার কিছু। পরিবেশনের সময় সঙ্গে টক-মিষ্টি কোনও চাটনি আর ঝিরিঝিরি করে কাটা শসা-পিঁয়াজ-গাজরের স্যালাড হলে, আরওই জমে যায়। কিন্তু এই শসা যদি স্যালাডে না দিয়ে পকোড়ার ভিতর দেন, তবে ব্যাপারখানা কেমন দাঁড়াবে ভেবেছেন কখনও?
নেহাত মন্দ হবে না। অনেকেই পাকা শসার তরকারি বানিয়ে থাকেন, অনেকে আবার শুক্তোও বানান তা দিয়ে। এই বর্ষায় বরং শসার পকোড়া (Cucumber Pakoda) বানিয়ে দেখা যেতে পারে।
আরও পড়ুন:

কীভাবে বানাবেন শসার পকোড়া?
উপকরণ
- ১ কাপ বেসন
- ১ চা-চামচ কর্নফ্লাওয়ার
- ২ চা-চামচ লবণ
- অর্ধেক চা-চামচ লাল লঙ্কা গুঁড়ো
- অর্ধেক চা-চামচ চামচ ধনে গুঁড়ো
- ১ টেবিলচামচ কাঁচা লঙ্কা (মিহি কুচি করে নিতে হবে)
- ৩টি মাঝারি আকারের শসা (পাতলা ফালি করে নিতে হবে)
- পরিমাণমতো তেল
প্রণালি
একটি পাত্রে বেসন, কর্নফ্লাওয়ার, লবণ, লাল লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো এবং কাঁচা লঙ্কা কুচি একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। অল্প অল্প করে জল দিয়ে ঘন ব্যাটার তৈরি করুন। অন্য যে কোনও পকোড়া ভাজার মতোই, এক্ষেত্রেও খেয়াল রাখতে হবে সে ব্যাটার অতিরিক্ত আঁটসাঁট বা হড়হড়ে না হয়ে থাকে। তেমন হলে পকোড়ার স্বাদ মোটে ভালো হবে না। ব্যাটারটি ঢেকে প্রায় ২০ মিনিট রেখে দিন।
এরপর কড়াইয়ে মাঝারি আঁচে তেল গরম করুন। ডুবো তেলে ভাজতে হবে, সেইমতো তেল নিন। শসার প্রতিটি টুকরো ব্যাটারে ডুবিয়ে গরম তেলে ছেড়ে দিন। এই পকোড়া দেখতে খানিক আলুর পকোড়ার মতো লাগবে। এক পাশ সোনালি রঙ ধরলে, অন্যপাশে উলটে দিন। ভাজা হলে টিস্যু পেপারের ওপর তুলে রাখুন। তাহলে বাড়তি তেল টিস্যুতে টেনে যাবে।
পকোড়া এক্কেবারে তৈরি! পরিবেশনের ঠিক আগে আর একবার ভেজে নিতে পারেন, তাতে মুচমুচে ভাব বাড়ে। গরম গরম চাটনি বা টমেটো সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এগিয়ে গিয়েও জয় হাতছাড়া, কলকাতা লিগে দ্বিতীয় ম্যাচে আটকে গেল মোহনবাগান
-
সত্যকথনের আগুন ও আলো, ‘নির্বাসিত’ তসলিমার বঙ্গে প্রত্যাবর্তন
-
নেই অমুসলিম সদস্য, ওয়াকফ বোর্ডকে নিষ্ক্রিয় ঘোষণা করল কেরল হাই কোর্ট
-
জোড়া চুনকামের পর সিরিজ জয়ের হাতছানি, মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা ভারতের!
-
‘নবম শ্রেণির চাপের মধ্যে কেন তিন ভাষা বাধ্যতামূলক?’, সিবিএসইকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের