খাবারে আজও রুটি? শুনলে প্রায়শই ঠোঁট উলটায় বাড়ির বাচ্চারা। বড়রাও অনেক সময়েই রুটি এড়িয়ে চলে। কারও হজমের সমস্যা হয়, কারও বা মুখে স্রেফ বিস্বাদ লাগে আটা-ময়দা। কিন্তু জানেন কি, পদ্ধতি জানা থাকলে রুটিও বানানো যায় বিভিন্ন স্বাদে! ভারতের নানা রাজ্যে সাধারণ গমের আটার বদলে ভিন্ন ভিন্ন উপাদান ব্যবহার হয় রুটি তৈরির জন্য। তাতে যে কেবল মুখের অরুচি কাটবে, তা-ই নয়। পুষ্টিও মিলবে ভরপুর।
জোয়ারের রুটি
রয়েছে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম। প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় হজমে সাহায্য করে। হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। মুখে পড়লে, হালকা দানাভাব লাগে এই রুটিতে। বেগুনের ভর্তা অথবা তরকা ডালের সঙ্গে উপাদেয় লাগে।
আরও পড়ুন:

বাজরার রুটি
আয়রন ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। শীতের দিনে শরীরকে উষ্ম রাখে ভিতর থেকে। কারও আয়রন ডেফিশিয়েন্সি হলে এই রুটি খাওয়া যেতে পারে। রুটির পরত খানিক মোটা। রসুনের চাটনি, সরষে শাক সহযোগে রাজস্থানবাসী খেয়ে থাকে এই রুটি।
রাগির রুটি
ক্যালসিয়াম ও আয়রন থাকায় হাড় মজবুত করে, শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের পক্ষে অত্যন্ত উপযোগী। সাধারণ আটার রুটির চাইতে অনেক বেশি এনার্জি দেয় শরীরকে। সঠিকভাবে না বানালে, শুষ্ক লাগতে পারে মুখে। কর্ণাটকে এই রুটি খাওয়া হয় সাম্বার, নারকেলের চাটনি প্রভৃতি সহযোগে।
ভুট্টার আটার রুটি
বছরের নির্দিষ্ট সময় ছাড়া এই আটা পাওয়া যায় না। এতে ‘ভিটামিন এ’ থাকায় কর্মক্ষমতা বাড়ে। হজমে সুবিধা হয়। স্বাদ সামান্য মিষ্টির দিকে। আলুর তরকারি, রায়তা, আচার— সঙ্গত হিসেবে বেছে নেওয়া যায় যে কোনওটিই।

চালগুঁড়ির রুটি
গ্লুটেন নেই, ফলে বয়স্করাও সহজে হজম করতে পারে। সাদা, হালকা এই রুটি খাওয়া যেতে পারে ঝাল ঝাল মুরগির মাংসের ঝোলের সঙ্গে।
ওটসের রুটি
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে, হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্যও ভীষণ ভালো ওটস। আলাদা করে স্বাদ বোঝা যায় না তেমন, ফলে পনিরের ভুজিয়া, ডিমের কারির মতো যে কোনও তরকারিই রাখা যায় এর সঙ্গে।
সর্বশেষ খবর
-
ষাঁড়াশি চাপে অভিষেক! এবার ত্রিপুরা থেকে সমন, নোটিস পৌঁছল কালীঘাটে
-
ট্রাম্প প্রশাসনের চূড়ান্ত ব্যর্থতায় মেসির ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস! ম্যাচ খেলতে নেমে বিপাকে আর্জেন্টিনা
-
কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ার ‘অপরাধে’ যুবতীকে খুন, স্বামী-সহ ৪ জনের যাবজ্জীবন বনগাঁয়
-
রাতে ঘুম আসে না, সকালে ব্যায়ামের সময় নেই, কেন ঘাঁটছে ব্যালেন্স, জানাচ্ছেন চিকিৎসক
-
কেদারনাথের চেয়েও প্রাচীন শিবতীর্থ পড়শি রাজ্যেই, সপ্তম শতকের কাল ভৈরব দর্শনে কীভাবে যাবেন?