আকাশছোঁয়া চিনির দাম। নাগাল পেতে গিয়ে নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের। তাছাড়া ভয় থেকে যায় ডায়বেটিসেরও। তবে কি মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছেকেই বাদের খাতায় রাখতে হবে? আজ্ঞে না, রন্ধনবিশারদরা হদিশ দিচ্ছেন, চিনির এমন কয়েকটি বিকল্পের যা খাবারের স্বাদে পর্যাপ্ত মিষ্টতা তো আনবেই, খেয়াল রাখবে স্বাস্থ্যেরও। যে কোনও রান্নায়, এমনকী বেকিংয়ের ক্ষেত্রেও এই বিকল্পগুলি (Sugar Alternatives) কাজে দেবে।
ব্রাউন সুগার
চিনির সবচাইতে উপযুক্ত বিকল্প এটিই। ব্রাউন সুগারের সাধারণ চিনির চাইতে মিষ্টি ভাব খানিক কম হলেও খাবারের স্বাদে তেমন বদল আসে না। তবে এতে খাবারের রঙ সামান্য গাঢ় হতে পারে। যে রান্নায় এক টেবিলচামচ সাধারণ চিনি ব্যবহার করেন, তাতে সমপরিমাণ মিষ্টতা পেতে এক টেবিলচামচ ব্রাউন সুগারই দিতে হবে।
আরও পড়ুন:

কোকোনাট সুগার
স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই বিশেষ ধরনের চিনি। নারকেল গাছের রস থেকে তৈরি হয় এই চিনি। তবে স্বাদের ক্ষেত্রে নারকেলের ভাব একেবারেই পাওয়া যায় না। বরং হালকা ক্যারামেল, টফি বা গুড়ের মতো খেতে লাগে কোকোনাট সুগার। স্বাদ বুঝে ব্যবহার করা যায় যে কোনও ভারতীর রান্নায়। এর ক্যারামেল-ঘেঁষা স্বাদের জন্য কেক, কুকি, পায়েস প্রভৃতির ক্ষেত্রে একেবারে উপযুক্ত।
স্টিভিয়া
‘স্টিভিয়া রেবৌডিয়ানা’ নামের গাছের পাতা থেকে তৈরি হয় চিনির এই বিকল্পটি। সাদা শুকনো গুঁড়ো হিসেবে বাজারে তা কিনতে পাওয়া যায়। স্বাস্থ্যকর তো বটেই, তবে সাধারণ চিনির থেকে অনেক বেশি মিষ্টি স্টিভিয়া। পরিমাণে বেশি হয়ে গেলে মিষ্টির বদলে তেতো স্বাদ লাগতে পারে জিভে। তাই রান্নায় ব্যবহারের আগে জিভে দিয়ে স্বাদ চেখে নেওয়া ভালো।
ডেট সুগার
চিনির এই বিকল্পটি যে শুকনো খেজুরের গুঁড়ো থেকে তৈরি হয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা এমনিতেই কোনও রকমের মিষ্টি খাবার বা স্মুদি-ওটস ইত্যাদিতে খেজুর ব্যবহার করে থাকেন। ডেট সুগারের ব্যবহারও একই। হালকা খেজুর, হালকা গুড় বা ক্যারামেলের মতো স্বাদ এই চিনির। মিষ্টিজাতীয় রান্নার পক্ষে ভীষণ উপযোগী।
মধু
বাঙালিকে মধু ব্যবহারের কথা নতুন করে শেখানোর কিছু নেই। তবে রান্নায় সরাসরি মধু ব্যবহারে খানিক ছুৎমার্গ থাকে বৈকি। সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করতে পারলে কিন্তু মধু দেওয়া রান্নার স্বাদ খোলতাই হবেই। এমনকী স্যালাড কিংবা ঝাল ঝাল মাংসতেও সামান্য মধু দিতে পারলে স্বাদ খানিক ‘রিচ’ হয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট
-
তারাপীঠের পর এবার রামপুরহাটের হোটেলে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি, ঘটনাস্থলে দমকল
-
মাত্র তিনদিনেই শেষ কাজ! এসআইআরের মতোই জনগণনাতেও নজির সাঁইথিয়ার শিক্ষকের
-
রাতের আকাশে বেগুনির খেলা! স্পেস স্টেশন থেকে নবরূপ দেখালেন নভোশ্চর
-
হকি বিশ্বকাপে ডাচেদের বিরুদ্ধে হার, শেষ চারে ওঠার স্বপ্ন প্রায় শেষ ভারতের