Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Taskaree: The Smuggler's Web

কাস্টমস অফিসারদের অভিযানের টেক্সটবুক ‘তস্করি’! কেমন হল ইমরানের নতুন ওয়েব সিরিজ?

মুম্বইয়ের অন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্মাগলিং-এর নেটওয়ার্কের বিস্তার কেমন তার ডিটেলড রিসার্চ পেপার যেন এই ওয়েব সিরিজ।

Advertisement
বিদিশা চট্টোপাধ্যায়
বিদিশা চট্টোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:১৯

link
বিদিশা চট্টোপাধ্যায়
বিদিশা চট্টোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:১৯

options
link
কাস্টমস অফিসারদের অভিযানের টেক্সটবুক ‘তস্করি’! কেমন হল ইমরানের নতুন ওয়েব সিরিজ? zoom
ছবি: সোশাল মিডিয়া

সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে নীরজ পাণ্ডের সাত এপিসোডের ওয়েব সিরিজ ‘তাস্কারি: দ্য স্মাগলার্স ওয়েব’। নীরজ এই শোয়ের ক্রিয়েটর এবং রাঘব এম জয়রথ ও বি এ ফিদার পাশাপাশি এই শোয়ের তিনি এই সিরিজের পরিচালকও। মুম্বইয়ের অন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্মাগলিং-এর নেটওয়ার্কের বিস্তার কেমন তার ডিটেলড রিসার্চ পেপার যেন এই ওয়েব সিরিজ। দর্শককে এই বিষয়ে শিক্ষিত করার ভার নিয়েছেন নির্মাতারা, ভাবখানা এমনই। বলিউডে ক্রাইম স্টোরি সময়ের সঙ্গে বদলেছে কারণ গোটা পৃথিবী জুড়ে বদলে গিয়েছে ক্রাইমের প্যাটার্ন। ডাকাত, দস্যু, স্মাগলার, আন্ডারওয়ার্ল্ড পেরিয়ে এখন সন্ত্রাসবাদের এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে আন্তর্জাতিক অর্গানাইজড ক্রাইম সিন্ডিকেট, জিওপলিটিক্স এবং নানান হাওয়ালা কেস। অনেকদিন পর সোনার বিস্কুট আর স্মাগলিং ফিরে এল পর্দায়।

Advertisement

কাস্টমস অফিসাররা কীভাবে স্মাগলারদের ধরেন, কতরকমভাবে কী কী ধরনের জিনিস পাচার হয় , পাচারকারী হিসেবে কিভাবে সাধারণ মানুষরা যুক্ত হন, কাদের দিয়ে পাচার করানো হয়, কীভাবে ঘুষখোর অফিসারদের সাহায্য নেওয়া হয় এবং সৎ অফিসারদের কাজ কতটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় প্রায় পুঙ্খানুপুঙ্খ ডিটেল দিয়ে একটি কল্পিত থ্রিলার তৈরি করা হয়েছে। সাত এপিসোডের এই সিরিজ শুরু হয় অর্জুন মীনার (ইমরান হাশমি) ভয়েস ওভার দিয়ে। তিনিই বলছেন গল্পটা। ইলেকশন ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেললে যেহেতু কাজ দেখাতে হয় তাই প্রকাশ কুমারের (অনুরাগ সিনহা) মতো সৎ অফিসারকে নিয়ে আসে প্রশাসন বিমানবন্দরে স্মাগলার এবং অসৎ অফিসারদের সাফাই করতে। তিনি ফিরিয়ে আনেন তিন সাসপেন্ডেড অফিসারকে। অর্জুন মিনা (ইমরান হাসমি), রবিন্দর গুজ্জর (নন্দিশ সাধু) এবং মিতালি কামাথকে (অম্রুতা খানভিলকার)। ধরে নেওয়া যায় অধিক সততার জন্যই এরা সাসপেন্ড হয়েছিলেন যদিও অর্জুন প্রয়োজনে অসৎ হতে পারেন, তাঁর আবির্ভাবের দৃশ্যে এমনটাই বোঝানো হয়েছিল।

সে যাই হোক নানান অপারেশন, ধরপাকড় এবং আন্ডারকভার গুপ্তচরদের সাহায্যে অর্জুনের দল পৌঁছে যায় স্মাগলিং সিন্ডিকেটের আসল মাথা বড়া চৌধুরী (শারেদ কেলকার) পর্যন্ত। কলকাতার অভিনেত্রী একাবলী খান্না আছেন একটি ছোট্ট চরিত্রে। ‘ফ্যামিলি ম্যান ৩’-এ নিমরত কৌরের চরিত্রের আদলে এই চরিত্র তৈরি এমনটা মনে হতেই পারে। যদিও গুরুত্ব কম। এই সিরিজে থ্রিলারের মধ্যেও আছে অবিশ্বাস্য প্রেম। এয়ার হোস্টেস প্রিয়া (জোয়া আফরোজ) যে কেবল অফিসার অর্জুনের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ এবং প্রেমে পরে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে আন্ডারকভার এজেন্ট হতে রাজি হয়ে যায়। প্রিয়ার কভার ফাঁস হয়ে জয়ার পরও আবার সে কীভাবে স্মাগলারদের দলে যোগ দেয় সেটাও অবিশ্বাস্য। এমন অনেক যুক্তিকে লজ্জায় ফেলে দেওয়ার ব্যাপার ঘটে! অনেকদিন পর ইমরান হাসমিকে পর্দায় ভালো লাগলেও সিরিজের দুর্বল এবং প্রেডিক্টেবল গল্পের কাঠামো তাঁর উপস্থিতির সদ্ব্যবহার করতে সক্ষম হয় না। এটা ভুলে গেলে চলবে না গুণগত মানের থ্রিলার বানাতে হলে ক্লাসরুমের পরিবেশ তৈরি করলে চলবে। তাস্কারি যেন কাস্টমস অফিসারদের অভিযানের টেক্সটবুক হয়েই থেকে যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.