Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
PRITAM AND PEDRO Review

কৌতুকের মোড়কে পুলিশি ধরপাকড়! কেমন হল ‘প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো’?

প্রথমবার ওয়েব প্ল্যাটফর্মে শিকে ছিঁড়লেন রাজকুমার হিরানি। 'কমেডি কিং' প্রযোজিত সিরিজ 'প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো' কেমন হল? পড়ুন রিভিউ।

Advertisement
নির্মল ধর
নির্মল ধর

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৯:৩৯

link
নির্মল ধর
নির্মল ধর

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৯:৩৯

options
link
কৌতুকের মোড়কে পুলিশি ধরপাকড়! কেমন হল ‘প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো’? zoom
কেমন হল আরশাদ ওয়ারসির 'প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো'?

বড়পর্দায় গল্পবলিয়ে হিসেবে বেশ করিৎকর্মা পরিচালক তথা প্রযোজক রাজকুমার হিরানি। এবার ওয়েব প্ল্যাটফর্মে শিকে ছিঁড়লেন। তবে পরিচালক নন, প্রযোজক হিসেবে। সদ্য জিও হটস্টার-এ মুক্তিপ্রাপ্ত নতুন ওয়েব সিরিজ ‘প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো’র প্রযোজনার পাশাপাশি ক্রিয়েটর, সহ-লেখকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। অতঃপর পুলিশ, সাইবার ক্রাইমের জটিল আবর্তেও হালকা কৌতুকরস যে এই সিরিজের উপজীব্য হবে, তা আগেই আন্দাজ করা গিয়েছিল। সঙ্গে উপরিপাওনা হিসেবে রহস্য,অবৈধ প্রেম, ভিডিও গেমসের নবতম আবিষ্কারের জটিল ধাঁধা। এহেন নানাবিধ উপকরণে ঠাসা ছয় এপিসোডের এই সিরিজে হাস্যরসের জোগান দিয়ে তিনি সাধারণ দর্শকের জন্য সুপাচ্য খাবারই তৈরি করেছেন।

পুরনো ও নতুন গোয়ার লাইটহাউস থেকে প্রান্তিক ও নতুন নতুন লোকেশনে ঘুরেছে ক্যামেরা। সিরিজজুড়ে গোয়ার বিভিন্ন লোকেশন আদতেই নয়নাভিরাম। তবে সবচাইতে বেশি আরাম ও আনন্দ দেয় আরশাদ ওয়ারসির কমিক টাইমিং।

‘প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো’র গল্প অনুযায়ী, আরশাদ ওয়ারসি গোয়ার কন্ডোলেম এলাকার পুলিশ অফিসার পেদ্রো। সিরিজের শুরুতেই কম্পিউটার স্পেশালিস্ট তরুণ প্রীতম থানায় উপস্থিত হয় তাঁর বৃদ্ধবাবাকে নিয়ে। বৃদ্ধ তাঁর স্ত্রীর গাওয়া একটি পুরোনো গানের ক্যাসেট হারিয়ে ফেলেছেন। আর সেই বিশেষ সম্বল খোয়া যাওয়ায় ছেলের সঙ্গে এসেছেন থানায় ডায়েরি করতে। কিন্তু পুরো থানা তখন ব্যস্ত একই এলাকায় ব্যাংকের একটা পুরো এটিএম মেশিন লাপাতা হওয়া নিয়ে। প্রীতম তাঁর কম্পিউটার জ্ঞান দিয়ে সেই এটিএম মেশিন উদ্ধারে সাহায্য করে পেদ্রকে। এখান থেকেই অসমবয়সি দু’জনের বন্ধুত্বের শুরু। পেদ্রোর পুলিশি তদন্তে প্রীতম ভাগীদার হয় বাবার খোয়া যাওয়া ক্যাসেটটি ফিরে পাবার আশায়। এরপর কাহিনী শাখা-প্রশাখা মেলতে শুরু করে যুক্তিবুদ্ধির পরোয়া না করেই। মন্ত্রীর কিশোর সন্তান চুরি হয়ে যায়, চোর প্রচুর মুক্তিপণ দাবি করে। এদিকে প্রীতম কম্পিউটার ঘেঁটে আবিষ্কার করে মন্ত্রীর স্ত্রী’র পরকীয়া প্রেম। বখে যাওয়া সেই মন্ত্রীপুত্র আবার ‘ব্লু হোয়েল’ নামের বিপজ্জনক কম্পিউটার খেলার ভক্ত। এহেন একাধিক ঘটনার জট ছাড়াতে গল্পের শাখা গোয়ার উত্তর থেকে দক্ষিণে গড়ায়। রহস্যের জাল বিছাতে পুরো গোয়াটাই একপ্রকার চষে বেড়িয়েছেন রাজকুমার এবং অবিনাশ। সব সমস্যার সমাধান হয় ‘টেক স্যাভি’ হ্যাকার প্রীতমের হাতযশ ও পেদ্রোর কৌতুককর সংলাপ ও ব্যবহারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
কেমন হল ‘প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো’?

পুরনো ও নতুন গোয়ার লাইটহাউস থেকে প্রান্তিক ও নতুন নতুন লোকেশনে ঘুরেছে ক্যামেরা। সিরিজজুড়ে গোয়ার বিভিন্ন লোকেশন আদতেই নয়নাভিরাম। তবে সবচাইতে বেশি আরাম ও আনন্দ দেয় আরশাদ ওয়ারসির কমিক টাইমিং। প্রীতমের চরিত্রে বীর হিরানি অবশ্যই পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছেন আরশাদের সঙ্গে। এই সিরিজে রয়েছেন বিক্রান্ত মেসি, মোনা সিংও। সহ-অভিনেতাদের মধ্যে নয়না সারিন, সত্যদীপ মিশ্র, শ্রুতি মারাটে সেভাবে চোখে পড়েননি। শেষপাতে যেটা না বললেই নয়। সিরিজের একটি গানও কান ও মনকে বেশ আরাম দেয়। সেটি হল ওই হারানো ক্যাসেটের ‘পিয়া পিয়া পিয়া দিওয়ানে না বানো/ কভি কিসিসে মাফি মাংলো…’ গানটি সত্যিই সুন্দর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.