Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
body oil

গরমকালেও ত্বক কোমল রাখতে অপরিহার্য বডি অয়েল, আর্দ্রতা বজায় রাখতে কোন তেল সেরা?

গ্রীষ্মকালে এসির সামনে বেশিক্ষণ থাকলে ত্বকে দীর্ঘমেয়াদি অনুজ্জ্বলতা দেখা দেয়, যা রুখতে পারে কেবলমাত্র সঠিক অয়েল মাসাজ! সাময়িক রুক্ষতা নয়, তেল মালিশে কমতে পারে দীর্ঘদিনের বলিরেখাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৬, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৬, ১৭:৫২

options
link
গরমকালেও ত্বক কোমল রাখতে অপরিহার্য বডি অয়েল, আর্দ্রতা বজায় রাখতে কোন তেল সেরা? zoom
সঠিক পদ্ধতিতে তেল মালিশ করলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।

শীতকালে বাঙালির পরম সঙ্গী হয়ে ওঠে বডি অয়েল। স্নানের আগে বা স্নান সেরে উঠে সারা গায়ে বডি অয়েল মেখে নিতে পারলে ত্বকের আর্দ্রতা দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকে। কিন্তু গরমকালে এলেই বডি অয়েলের দিন শেষ! এমনিতেই গরম বাড়লে ঘামের কারণে চটচটে ভাব অনুভূত হয় সারা শরীরে। সে অবস্থায় গায়ে তেল মাখা স্বস্তির বদলে অস্বস্তিই বাড়ায়। কিন্তু তা বলে কি গ্রীষ্মকালে ত্বকের রুক্ষতা চলে যায়?

এক্কেবারে না! বরং সারাদিনের ঘাম-ধুলো পেরিয়ে দিনের শেষে স্নান করে গা মোছার পর দেখা যায়, ত্বক দিন দিন অনুজ্জ্বল হয়ে পড়ছে। বাড়ছে শুষ্কভাব। দেখে মনে হচ্ছে, যেন অল্পদিনেই শরীরের বয়স অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে! কী করা যায় তবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বককে ‘ময়েশ্চারাইজড’ রাখতে গরমেও প্রয়োজন বডি অয়েল!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অনেকেই তেলের বদলে জেল-বেসড ময়েশ্চারাইজার বা বডি মিল্কের দিকে ঝোঁকেন। তবে ভুলে গেলে চলবে না যে তেলের প্রয়োজনীয়তা কেবল ত্বকের কোমলতা বজায় রাখার জন্যই নয়। শরীরে সঠিক পদ্ধতিতে তেল মালিশ করলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।

body oil essential skincare in summers too
ত্বককে ‘ময়েশ্চারাইজড’ রাখতে গরমেও প্রয়োজন বডি অয়েল!

কেউ কেউ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা নির্বিশেষেই তেল মাখেন গায়ে। তাঁদের ত্বক যে বছরভর সতেজ থাকে, তা খেয়াল করলেই বুঝতে পারা যায়। তবে গরমকালে মাখতে হলে যেকোনও তেল নয়, বরং গুণাগুণ বুঝে সঠিক তেলটি বেছে নিতে হবে।

বাদাম তেল – গুণে ভরপুর কাঠবাদাম। থাকে ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, রেটিনল ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। কাঠবাদামের তেল ত্বককে মসৃণ করে, আর্দ্রতা ‘লক’ করে চামড়ার ভিতর। হারানো উজ্জ্বলতা অল্পদিনেই ফেরাতে পারে এই তেল। তবে তুলনায় আঠালো কাঠবাদামের তেল। তাই চাইলে, ত্বকে প্রয়োগ করার আগে নারকেল বা জোজোবা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ঘনত্ব কমিয়ে নেওয়া যায়।

চন্দন তেল – অ্যারোমাথেরাপিতে কাজে লাগে চন্দনকাঠের তেল। কারণ এতে থাকে এমন এক প্রাকৃতিক সুবাস, যা স্নায়ুকে শান্ত করে। এই তেল প্রদাহনাশক, অর্থাৎ জ্বালাভাব দূর করে। তাছাড়া অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান আছে এতে, যা নিয়মিত গায়ে মাখলে সহজে সংক্রমণ হয় না। ৪ টেবিলচামচ নারকেল তেলে মিশিয়ে গায়ে মালিশ করা যেতে পারে চন্দনকাঠের তেল।

body oil essential skincare in summers too
নারকেল তেল ত্বক কোমল রাখে, লাবণ্য রাখে অক্ষুণ্ণ।

নারকেল তেল – ভিটামিন ই ও ফ্যাটি অ্যাসিড ভরপুর নারকেল তেলের তুলনা অন্য কিছুর সঙ্গে হতেই পারে না! এই তেল একেবারেই আঠালো নয়। অল্প সময়ের মধ্যেও রুক্ষতা দূর করতে পারে। দেহে নারকেল তেল মালিশের পর কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। তারপর স্নান সারতে হবে ঈষদুষ্ণ জলে। এতে ত্বক কোমল হবে, লাবণ্য থাকবে অক্ষুণ্ণ।

নানা ধরনের আধুনিক বাজারচলতি প্রসাধন দ্রব্যের ভিড়ে প্রাসঙ্গিকতা হারায় গায়ে মাখার তেল। অনেকেই তেলের বদলে জেল-বেসড ময়েশ্চারাইজার বা বডি মিল্কের দিকে ঝোঁকেন। তবে ভুলে গেলে চলবে না যে তেলের প্রয়োজনীয়তা কেবল ত্বকের কোমলতা বজায় রাখার জন্যই নয়। শরীরে সঠিক পদ্ধতিতে তেল মালিশ করলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। ক্লান্তি দূর হয়। শরীর ভিতর থেকে সতেজ লাগে।

বর্তমানে অনেকেই দিনের বেশিরভাগ সময় কাটান কর্মক্ষেত্রে এসির সামনে। এভাবে বেশিক্ষণ থাকলে ত্বকে দীর্ঘমেয়াদি অনুজ্জ্বলতা দেখা দেয়, যা রুখতে পারে কেবলমাত্র সঠিক অয়েল মাসাজ! সাময়িক রুক্ষতা নয়, তেল মালিশে কমতে পারে দীর্ঘদিনের বলিরেখাও। ত্বক নবযৌবন ফিরে পায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.