Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Tea

পাহাড়-সমতলে বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি চা বাগানের, মাথায় হাত মালিকদের

দার্জিলিং পাহাড়ে শতাধিক চা বাগানে ফার্স্ট ফ্ল্যাশের পাতা নষ্ট হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫, ১৪:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫, ১৪:৪৮

options
link
পাহাড়-সমতলে বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি চা বাগানের, মাথায় হাত মালিকদের zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার, শিলিগুড়ি: উত্তরের পাহাড়-সমতলে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি। ক্ষতিগ্রস্ত বিস্তীর্ণ এলাকার চা বাগান। দার্জিলিং পাহাড়ের সান্দাকফু, ফালুটের মতো উঁচু এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা বাড়ছে। শিলাবৃষ্টি ও তুষারপাত সিকিমে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত ওই পরিস্থিতি চলতে পারে। বৃষ্টির আশায় চাতকের মতো কাতর চোখে আকাশের দিকে চেয়েছিলেন উত্তরের চা ও সবজি চাষিরা। সেটাও নেহাত কম দিন নয়। প্রায় পাঁচ মাস। অবশেষে সেই প্রতীক্ষা ও আক্ষেপের অবসান হল শুক্রবার বিকেলের পর। যদিও ডেকে এনেছে সর্বনাশ।

ডুয়ার্স ও দার্জিলিং পাহাড়ের কিছু চা বাগান শুধু বৃষ্টি পেলেও বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝমঝমিয়ে নেমেছে শিলাবৃষ্টি। তাতেই চা গাছের দফারফা দেখে চা বাগান মালিকদের মাথায় হাত পড়েছে। চা বণিকসভা আইটিপিএ-র ডুয়ার্স শাখার সচিব রাম অবতার শর্মা জানান, শীতে চা শিল্পে বৃষ্টির প্রয়োজন। কিন্তু যেভাবে কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে তাতে প্রচুর ক্ষতি হয়েছে।

Advertisement

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত শিলাবৃষ্টি হয়েছে ডুয়ার্সের নাগরাকাটা, ধূপগুড়ি, বীরপাড়া, মেটেলি, বিন্নাগুড়ি ও দার্জিলিং পাহাড়ে। জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি ব্লকের বিভিন্ন গ্রামে সবজি ও চা বাগানে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মেটেলির কিলকোট চা বাগান ও বিন্নাগুড়ি এলাকায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়ার রহিমপুর, দলগাঁও-সহ কিছু চা বাগানের কয়েক হেক্টর এলাকার চা গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দার্জিলিং পাহাড়ে শতাধিক চা বাগানে ফার্স্ট ফ্ল্যাশের পাতা নষ্ট হয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার উত্তরের পাহাড়-সমতলে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হতে পারে শিলাবৃষ্টি। দার্জিলিংয়ে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা বাড়ছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ওই পরিস্থিতি চলবে। মালদহ ও দুই দিনাজপুরেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে।কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের সিকিম কেন্দ্রের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, “পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে পূর্ব ভারতের দিকে পাশ করবে। পরপর পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে। নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা অসবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। তারই প্রভাবে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি চলবে।” এদিকে সিকিমে তুষারপাত অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির পর উত্তর ও পূর্ব সিকিমের উঁচু এলাকায় ফের তুষারপাত হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.