Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Boroli Fish

বর্ষার আগে বোরোলি রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ, তিস্তায় ছোট মাছ ধরায় ‘না’

জলপাইগুড়িতে তিস্তা, জলঢাকা, করলা নদীতে বোরোলি-সহ ছোট মাছ শিকার বন্ধ করতে ছোট জাল, চাইনিজ জাল সেই সঙ্গে বৈদ্যুতিক সামগ্রী ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে মৎস্য দপ্তর। নিষেধাজ্ঞা না মানলে জেল ও জরিমানা দুটিই হতে পারে বলে মৎস্য দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।

Advertisement
শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:০৭

link
শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:০৭

options
link
বর্ষার আগে বোরোলি রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ, তিস্তায় ছোট মাছ ধরায় ‘না’ zoom
বোরোলি রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ তিস্তায়। ছবি: সংগৃহীত

দুয়ারে কড়া নাড়ছে বর্ষা। বর্ষা মানেই মাছেদের প্রজনন ঋতু। জলপাইগুড়িতে তিস্তা, জলঢাকা, করলা নদীতে বোরোলি (Boroli Fish) -সহ ছোট মাছ শিকার বন্ধ করতে ছোট জাল, চাইনিজ জাল সেই সঙ্গে বৈদ্যুতিক সামগ্রী ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে মৎস্য দপ্তর। অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে বলে জানাগিয়েছে। এই নিয়ে নদী সংলগ্ন এলাকায় প্রচার কর্মসূচি ও শুরু হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা না মানলে জেল ও জরিমানা দুটিই হতে পারে বলে মৎস্য দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।

জলপাইগুড়ি জেলার অন্যতম চর্চিত মাছ বোরোলি। আকারে ছোট হলেও এতটাই সুস্বাদু যে পদ্মার ইলিশের সঙ্গে তুলনা টানা হয়। দামেও ইলিশকে বরাবরই টেক্কা দিয়ে আসছে বোরোলি। বর্তমানে ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তিস্তার বোরোলি মাছ। গজলডোবা ব্যারেজ থেকে নিয়ে মন্ডল ঘাট পর্যন্ত তিস্তা পাড়ের কয়েক শো মৎস্যজীবী জাল নিয়ে বের হলে প্রথম লক্ষ্যই থাকে বোরলি মাছ। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ময়নাগুড়ির বার্নিশ এলাকার বাসিন্দা মৎস্যজীবী সুকুমার রায় জানান, বোরোলি খুব কম সংখ্যায় ধরা পড়ে। তবে কেজি খানেক মাছ ধরতে পারলে দিন শেষে ভালো রোজগার হয়ে যায়। তাই তিস্তার, আড়, বোয়াল, দাড়াঙ্গি, খোকসা মাছের চাইতেও তাদের বেশি নজর থাকে বোরোলি মাছের উপর।

Advertisement

সহ মৎস্য আধিকর্তা রমেশচন্দ্র বিশ্বাস জানান, মাছেদের প্রজনন ঋতু হচ্ছে। এই সময় ছোট মুখের জাল। চিনা জাল এক কথায় মরণফাঁদ। এই সময় মাছেরা ডিম ছাড়ে, বাচ্চাদের বড় করে। ছোট জালে সেই মা ও বাচ্চা ধরা পড়ার অর্থ মাছের মৎস্য ভাণ্ডারে সরকারি ক্ষতি। যা পূরণ করতে কয়েক বছর লেগে যায়। এতে মৎস্যজীবীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই কারনেই কয়েক মাসের জন্য নদীতে ছোট জাল ব্যবহার করে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা থাকছে। অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। এই নিয়ে প্রচার অভিযান ও শুরু করা হচ্ছে বলে জলপাইগুড়ি মৎস্য দপ্তরের সহ অধিকর্তা রমেশচন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.