Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৯ জুন ২০২৬

উঠোনেই ফলছে থোকা-থোকা আঙুর, শখের বাগানে তাক লাগালেন হুগলির বাসিন্দা

গত বছর সেই বাগানে পরীক্ষামূলকভাবে আপেল ও আঙুর গাছ লাগান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৫, ১৫:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৫, ১৫:৪১

options
link
উঠোনেই ফলছে থোকা-থোকা আঙুর, শখের বাগানে তাক লাগালেন হুগলির বাসিন্দা zoom
উঠোনেই ফলছে থোকা-থোকা আঙুর। নিজস্ব চিত্র

সুমন করাতি, হুগলি: শখ থাকলে সম্ভব সবই! আগে বাড়িতেই মাটির টবে আম, কাঁঠাল বা নারকেল ফলিয়েছেন। এবার সেই টবে থোকা থোকা আঙুর ফলিয়ে তাক লাগিয়ে দিল। তাঁর উঠোনে টমেটোর পাশেই ফলছে এই রসালো ফল।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

হুগলির চুঁচুড়া কাপাসডাঙার বাসিন্দা গোপাল দে। পুরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। চার কাঠা জমির উপর নির্মিত বাড়ির ফাঁকা জায়গা ও ছাদে বিভিন্ন ধরনের ফলের গাছ বসিয়েছেন তিনি। আম, কাঁঠাল, কলা, কামরাঙা, নারকেল-সহ অনেক গাছ বহু বছর ধরে ফল দিচ্ছে। গত বছর সেই বাগানে পরীক্ষামূলকভাবে আপেল ও আঙুর গাছ লাগান। আপেল গাছটি টিকে না থাকলেও আঙুর গাছটি লতিয়ে মাচার উপর ছড়িয়ে পড়ে এবং ফলও ধরে। শুধু ফল নয়, সেই আঙুর খেতে সুস্বাদু ও মিষ্টিও।

 

হুগলিতে এখনও বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ তেমন হয় না, সেখানে গোপালবাবুর এই উদ্যোগ শখের বাগানপ্রেমীদের কাছে এক উদাহরণ। বাঁকুড়ার মতো শুষ্ক জেলায় আঙুর চাষ হলেও, হুগলির আবহাওয়াতেও যে আঙুর ফলানো সম্ভব, তা প্রমাণ করেছেন তিনি। গোপালবাবু জানান, অবসর জীবনের সময়টুকু তিনি এই গাছগুলোর পরিচর্যায় কাটান। তাঁর পরিবারও তাঁর সঙ্গে গাছের দেখভাল করে। প্রকৃতির সঙ্গে এই সম্পর্কই তার জীবনের শান্তি ও আনন্দের অন্যতম উৎস। এই গল্প শুধু এক ব্যক্তির শখের নয়, বরং শহুরে কৃষির সম্ভাবনার এক নিখুঁত উদাহরণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.