Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
Malda

আমের জেলায় ক্যাপসিকাম চাষ, দিশা দেখাচ্ছে মালদহ

শীতের পর শুষ্ক আবহাওয়ায় মিষ্টি লঙ্কা ফলিয়ে লাভের মুখ দেখছেন তাঁরা। চাষিদের মুখে তাই এবারও মিষ্টি হাসি।

Advertisement
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৭:০৫

link
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৭:০৫

options
link
আমের জেলায় ক্যাপসিকাম চাষ, দিশা দেখাচ্ছে মালদহ zoom
মালদহে ক্যাপসিকাম চাষ। ছবি: সংগৃহীত

আমের জেলায় মিষ্টি মরিচ! হ্যাঁ, লঙ্কা প্রজাতির এই সবজির চাষ করে এখন গোটা জেলার চাষিদের দিশা দেখাচ্ছেনা আমের জেলা মালদহের ইংরেজবাজার ব্লকের চাষিরা। এই মিষ্টি মরিচ আসলে ক্যাপসিকাম। বাজারে সারা বছর যার ব্যাপক চাহিদা। বিশেষ করে হোটেল-রেস্তরাঁয় ক্যাপসিকাম ছাড়া রান্না প্রায় হয় না বললেই চলে। গিন্নির হেঁশেলেও ক্যাপসিকাম যেন অপরিহার্য। আম উৎপাদনের জন্য দেশজুড়ে যথেষ্ট নামডাক রয়েছে বাংলার এই মালদহ জেলার। এখন এই জেলার বহু আমচাষিও ক্যাপসিকাম চাষের দিকে ঝুঁকেছেন। শীতের পর শুষ্ক আবহাওয়ায় মিষ্টি লঙ্কা ফলিয়ে লাভের মুখ দেখছেন তাঁরা। চাষিদের মুখে তাই এবারও মিষ্টি হাসি।

বিগত কয়েকটি বছরের মধ্যেই ক্যাপসিকাম চাষ ইংলিশবাজার ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের দাবি, আগে এই জেলায় ক্যাপসিকাম চাষ হত না। এখন নজর কাড়ছে ইংলিশবাজার। সাধ্যমতো কেউ আধ বিঘা, আবার কেউ এক বিঘা জমিতেও এই সবজির চাষ করছেন। কেউ আবার বাড়ির ছাদেও টবে ফলাচ্ছেন মিষ্টি লঙ্কা প্রজাতির এই সবজি। আমের মরশুম শুরুর আগেই চলছে গাছ থেকে ক্যাপসিকাম তোলার কাজ। পাইকারি বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রিও করছেন চাষিরা। যাট থেকে আশি টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ক্যাপসিকাম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Malda now leads in capsicum farming

মালদহের উদ্যানপালন বিভাগের উপ-অধিকর্তা সামন্ত লায়েক বলেন, “এই জেলায় ক্যাপসিকাম চাষের প্রচলন ছিল না। উদ্যানপালন দপ্তরের প্রশিক্ষণ নিয়ে জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে এখন গোটা জেলার চাষিদের নয়া দিশা দেখাচ্ছে ইংলিশবাজার। লাভ ভালো হচ্ছে জেনে অমৃতি, বিনোদপুর, কাজিগ্রাম, মিল্কি, আটগামা, সাট্টারি-সহ এই ব্লকের বিভিন্ন এলাকার চাষিরা ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ফি বছর বেড়ে চলেছে চাষের জমির পরিধি।”

অমৃতির এক চাষি আবদুর রাজ্জাক জানান, আগে তাঁরা আমচাষ নিয়ে মেতে থাকতেন। তিন বছর ধরে ক্যাপসিকাম চাষ করে তাঁরা লাভবান হচ্ছেন। এটা জেনে পরবরতীতে আরও অনেকে এই চাষে যুক্ত হয়েছেন। জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের উপ-অধিকর্তা বলেন,
“ক্যাপসিকাম চাষের জন্য কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক অনুদানও দেওয়া হচ্ছে। চাষিদের প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়া হয়েছে।”

Mango hub Malda now leads in capsicum farming

চাষিরা জানান, উদ্যানপালন বিভাগের পরামর্শ মেনে পলিথিনের মাচা দিয়ে চাষ করা হচ্ছে। তাঁরা পলিথিনের মাচার ব্যবস্থা করেছেন। জেলা বাগিচাপালন দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, চাষিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ক্যাপসিকাম চাষ করানো হচ্ছে। প্রায় আড়াইশো বিঘা জমিতে চাষ হচ্ছে। অনেক কৃষকই এতে উৎসাহিত হয়েছেন। এই চাষের জন্য দোয়াঁশ মাটি হলে ভালো হয়। ক্যাপসিকাম খরা সহ্য করতে পারে না। আবার গাছের গোড়ায় জল জমে থাকলে তা এই চাষের পক্ষে ক্ষতিকর হয়। তাই প্রয়োজনীয় সেচের দরকার হয়। যাতে জমিতে আগাছা না জন্মায় সেজন্য দপ্তর থেকে পলিথিনের মাচা বানিয়ে চাষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইংলিশবাজার ব্লকের পাশাপাশি গোটা জেলায় এই চাষ ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে উদ্যানপালন দপ্তর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.