Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Mukutmanipur

মুকুটমণিপুর জলাধারে ঘাটতি, বোরো চাষের পর সেচের জল পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন চাষিরা

যেখানে পর্যাপ্ত সেচের ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে বোরো চাষের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে চাষিদের।

Advertisement
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:৫১

link
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:৫১

options
link
মুকুটমণিপুর জলাধারে ঘাটতি, বোরো চাষের পর সেচের জল পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন চাষিরা zoom
বোরো ধানের চারা রোপন করেও সেচের জল নিয়ে চিন্তিত চাষিরা। ফাইল ছবি

কংসাবতী জলপ্রকল্পের মূল ভরসা মুকুটমণিপুর জলাধার। সেই জলাধারেই এবার জলের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় বোরো চাষের মরশুমে বাড়ছে উদ্বেগ। ইতিমধ্যেই জেলার বহু চাষি ঝুঁকি নিয়ে জমিতে বোরো ধান রোপণ শুরু করেছেন। কিন্তু ড্যামে জলের স্তর তুলনামূলক কম। তাই সেচের জল আদৌ সময়মতো মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে মাঠে ধান রোপণের পরেও চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

কংসাবতী প্রকল্পের জল মূলত বাঁকুড়া জেলার খাতড়া ও বিষ্ণুপুর মহকুমা ছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুর ও হুগলির বিস্তীর্ণ এলাকায় সেচের জন্য ব্যবহৃত হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে খরিফ মরশুমে প্রায় তিন লক্ষ ৪০ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে সেচের সুযোগ রয়েছে। রবি মরশুমে সেই পরিমাণ প্রায় ৬০ হাজার হেক্টর এবং বোরো মরশুমে সম্ভাব্য  প্রায় ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে সেচের জল সরবরাহের পরিকল্পনা থাকে। কিন্তু বাস্তবে গত কয়েক বছর ধরে বোরো মরশুমে নিয়মিত জল পাওয়া নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলেই অভিযোগ কৃষকদের। জেলার বিভিন্ন ব্লকে ইতিমধ্যেই বোরো চাষের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিশেষ করে জয়পুর, রাইপুর, সারেঙ্গা, তালডাংরা ও ইন্দপুর ব্লকের বহু চাষি বোরো ধান লাগিয়েছেন। কিন্তু মুকুটমণিপুর জলাধারে জলের স্তর প্রত্যাশার তুলনায় কম থাকায় সেচের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে খরিফ মরশুমে প্রায় তিন লক্ষ ৪০ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে সেচের সুযোগ রয়েছে। রবি মরশুমে সেই পরিমাণ প্রায় ৬০ হাজার হেক্টর এবং বোরো মরশুমে সম্ভাব্য সেচ প্রায় ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে সেচের জল সরবরাহের পরিকল্পনা থাকে। 

স্থানীয় চাষিদের একাংশের বক্তব্য, গত কয়েক বছরে বর্ষার বৃষ্টিপাত অনিয়মিত হওয়ায় জলাধারে পর্যাপ্ত জল জমছে না। ফলে অনেক সময় বোরো মরশুমে জল ছাড়া নিয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হয়। কৃষি মহলের মতে, আগে যেখানে নিয়মিতভাবে বোরো মরশুমে সেচের জল পাওয়া যেত, সেখানে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি বদলেছে। অনেক চাষি এখন ঝুঁকি নিয়েই চাষ করছেন। জল যদি সময়মতো না আসে, তবে ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এর ফলে চাষের খরচ বাড়ছে এবং উৎপাদনও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। চাষিদের একাংশ জানান, বর্তমানে মুকুটমণিপুর ড্যামে জলের উচ্চতা প্রায় ৪২২,৮০ ফুট। জলের অভাবের কারণে বোরো চাষের জন্য জল দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

বাঁকুড়া জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা দেবকুমার সরকার বলেন, ”মুকুটমণিপুর জলাধারের জলের পরিস্থিতি, সেচ দপ্তরের সিদ্ধান্তের উপরই অনেকটা নির্ভর করছে কতটা এলাকায় বোরো চাষ করা যাবে। কৃষি দপ্তরের তরফে চাষিদের পরিস্থিতি বুঝে চাষ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যেখানে পর্যাপ্ত সেচের ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানেই বোরো চাষ করতে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি জল সংরক্ষণ ও সাশ্রয়ী সেচ পদ্ধতি ব্যবহার করার জন্যও চাষিদের সচেতন করা হচ্ছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.