Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Live-in relationship

‘লিভ ইন’ সম্পর্কে থাকা অত্যাচারিত মহিলাদের আইনি সুরক্ষা, এই রায় কেন ‘ঐতিহাসিক’?

পরিবর্তিত বাস্তবতাকে মান্যতা দিয়েই শীর্ষ আদালত এই রায় দিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৬:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৬:৫৫

options
link
‘লিভ ইন’ সম্পর্কে থাকা অত্যাচারিত মহিলাদের আইনি সুরক্ষা, এই রায় কেন ‘ঐতিহাসিক’? zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

লিভ-ইনে থাকা মহিলা-সঙ্গীরাও বিবাহিত মহিলার মতো গার্হস্থ্য হিংসার ক্ষেত্রে ৪৯৮ বিধির আওতায় আইনি রক্ষাকবচ পাবে।

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সমাজ বদলে যাচ্ছে। পাল্লা দিয়ে পালটে যাচ্ছে নাগরিকের মানসিকতাও। বহু পুরনো রীতি-রেওয়াজ এখন আর বর্তমান প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। বরং পশ্চিমি ঘরানা আত্মীকরণ করার ঝোঁক বেড়েছে। যার অন্যতম উদাহরণ ‘লিভ ইন’। বিয়ের পরে দম্পতির দায়দায়িত্ব বাড়ে। আত্মীয়-পরিজন নিয়ে বৃহত্তর পরিবারের অংশ হতে হয়। অনেক সময় মানিয়ে-গুছিয়ে চলার প্রয়োজন হয়। কিন্তু যা বহু ক্ষেত্রে সম্পর্কে কাঁটা হয়ে ওঠে। ভেঙে যায় সম্পর্ক। বিচ্ছেদের রাস্তায় চলতে হয় অনেক দম্পতিকে। তাই অত জটিলতায় না-ঢুকে ‘লিভ ইন’-এর মতো ব্যবস্থা বেছে নিচ্ছে তরুণ প্রজন্ম।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

একত্রবাস করলেও বিবাহিত জীবনের ‘বাড়তি বোঝা’ থেকে মুক্তি। না পোষালে বিচ্ছেদের কোনও আইনি ঝামেলা নেই। যে যার পথ দেখো, খুঁজে নাও নতুন সঙ্গী। কিন্তু এর অন্য দিকও রয়েছে। একটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক আকর্ষণ, দায়বদ্ধতা থেকে। তার সঙ্গে যেমন জড়িয়ে থাকে ভালবাসা ও বিশ্বাস। আবার যে কোনও যুগলের মতোই হিংসা, সন্দেহের অবকাশ থেকেই যায়। যা নিয়ে অশান্তি, মারধরের ঘটনা অস্বাভাবিক নয়। আর এ-বিষয়েই ‘ঐতিহাসিক’ রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পরিবর্তিত বাস্তবতাকে মান্যতা দিয়েই শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, লিভ ইনে থাকা মহিলা-সঙ্গীরা, বিবাহিত মহিলাদের মতো, গার্হস্থ হিংসার ক্ষেত্রে ‘৪৯৮’ বিধির আওতায় আইনি রক্ষাকবচ পাবে।

একত্রবাস করলেও বিবাহিত জীবনের ‘বাড়তি বোঝা’ থেকে মুক্তি। না পোষালে বিচ্ছেদের কোনও আইনি ঝামেলা নেই। যে যার পথ দেখো, খুঁজে নাও নতুন সঙ্গী। কিন্তু এর অন্য দিকও রয়েছে।

এই রায় কেন ‘ঐতিহাসিক’? বিয়ের ‘বিকল্প’ হলেও ‘লিভ ইন’ সম্পর্কে সমরূপ দায়বদ্ধতা থাকে। তাই গার্হস্থ্য হিংসা আটকানোর ক্ষেত্রে বিবাহিত মহিলা আর ‘বিয়ের মতো লিভ ইন সঙ্গী’র সীমারেখা মুছে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। ‘লিভ ইন’ সম্পর্কে থাকা অত্যাচারিত মহিলাদের আইনি সুরক্ষা দিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, শীর্ষ আদালত আইনি বাধ্যবাধকতায় আটকে থাকেনি। পরিবর্তিত সময়কে মেনে নিয়ে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আইন তৈরি হয় সমাজকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে, অন্যায়ের শিকার হওয়া মানুষকে সুবিচার পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় সেই উদ্দেশ্যে ১০০ শতাংশ সফল। তবে বিবাহিত যুগলের মতো ‘লিভ ইন’ সম্পর্কেও যাতে এই আইনের অপব্যবহার না হয়, সেটাও নজরে রাখা জরুরি।

গার্হস্থ্য হিংসা আটকানোর ক্ষেত্রে বিবাহিত মহিলা আর ‘বিয়ের মতো লিভ ইন সঙ্গী’র সীমারেখা মুছে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। ‘লিভ ইন’ সম্পর্কে থাকা অত্যাচারিত মহিলাদের আইনি সুরক্ষা দিয়েছে।

ইউরোপ-সহ সমগ্র উত্তর আমেরিকায় ‘লিভ-ইন’ সামাজিকভাবে জনপ্রিয় হয়েছে, যাতে দু’টি পূর্বচেনা নারী-পুরুষ পরস্পরকে আরও বেশি চেনার জন্য একত্রবাস করার সুযোগ পায়। সঙ্গবাসের অভিজ্ঞতায় বুঝতে পারে, সম্পর্কের সুরে কোথাও তালভঙ্গ হচ্ছে কি না। বৈবাহিক সম্পর্কে, বিয়ের পরে, দম্পতি এভাবেই পথ চলে। কিন্তু তালভঙ্গের অবকাশ তৈরি হলে আইনি বিচ্ছেদের সমাধানকল্পে বিস্তর বাস্তব ঝঞ্ঝাট পোহাতে হয়। এসব থেকে ‘লিভ-ইন’ অনেকাংশে মুক্ত। আবার, ‘লিভ ইন’ সম্পর্কে চেনা-জানার প্রয়াসকে হিংসাহীন করতে হলে নারীকে রক্ষাকবচ প্রদান করাও একান্ত জরুরি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.