Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Donald Trump

ক্ষমতার হুঙ্কার! ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের চমক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের চমক, শক্তি প্রদর্শন– হঠকারিতা বা মানসিক ভারসাম্যের অভাব বলে মনে হলেও ভুল নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৯:৫৯

options
link
ক্ষমতার হুঙ্কার! ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের চমক zoom

মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে আর সত্যি পারা যাচ্ছে না। ধৈর্য রাখা দায় হয়েছে। তাঁর হুমকি ভারতীয় পুরাণের মহিষাসুরকেও লজ্জায় ফেলতে পারে। কোনও এক সুদূর অস্পষ্ট পুরাকালে স্বর্গের দেবতারাও মহিষাসুরের হুমকিতে নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলেন। একালে নিত্য হুংকারে মর্ত্য কাঁপাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি প্রায় বিশ্বজয়ী যুদ্ধং দেহি হুঙ্কারে সঙ্গে শান্তির নোবেল চাই, এই বায়নাও জুড়ে দিয়েছেন। তাঁর অহং সরণিতে হুমকি ও শান্তির বিভেদরেখা সম্পূর্ণ লুপ্ত। ডনের সাম্প্রতিক হুমকি অবিশ্বাস্য চমকের।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের দখল চান! ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই তাজ্জব চাহিদা দুশ্চিন্তা এবং উদ্বেগে ফেলেছে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেতে ফ্রেডরিকসনকে। কেন ট্রাম্প বদ্ধপরিকর, গ্রিনল্যান্ড তাঁর চাই-ই চাই? তাঁর যুক্তি শিশুপাঠ্য-সরল: রাশিয়া আর চিন আর জোর খাটিয়ে টুঁ শব্দটি করতে পারবে না। কোথায় গ্রিনল্যান্ড আর কোথায় কিউবা! তাতে কী? ট্রাম্পের হুমকি কড়া নেড়েছে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল ডিয়াজ-ক্যানালের দরজায়: ওয়াশিংটনের বাধ্য হয়ে নির্দেশ মেনে চলো। আজ্ঞা না মানলে তেল এবং অর্থ আমেরিকা দেবে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিউবার প্রেসিডেন্ট অবশ্য বলেছেন, আমরা কী করব না করব সেটা আমাদের সিদ্ধান্ত। অন্য কারও নির্দেশে চলব না। এবার তাকানো যাক ইরানের দিকে। সেখানেও পৌঁছেছে ট্রাম্পের হুমকি: নজর রাখছি আমি। বাড়াবাড়ি সহ্য করব না। বারণ না শুনলে শুরু হবে সামরিক অভিযান। চরম হবে তার পরিণতি।

তাঁর অহং সরণিতে হুমকি ও শান্তির বিভেদরেখা সম্পূর্ণ লুপ্ত।

এবার দৃষ্টিপাত ভেনেজুয়েলায়। ‘উই উইল রান ভেনেজুয়েলা’– এই কথা কখন বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? সেখানকার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে রাতের বিছানা থেকে তুলে নিয়ে চলে আসার পর। এত বড় কিডন্যাপিং সাম্প্রতিক পৃথিবীতে হয়নি। প্রমাণ করল, ট্রাম্পের হুমকি শুধু ফাঁকা আওয়াজ নয়। ক্ষমতার প্রর্দশনী আছে। সন্দেহ নেই, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থাকতে থাকতে তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হতে চাইছেন। অন্তত স্বপ্ন দেখছেন তিনি ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার আসনে, শাসনের দণ্ড তাঁর কবজায়। ইতিমধ্যে, প্রেসিডেন্ট মাদুরার গ্রেপ্তারির পরে, ভেনেজুয়েলার বর্তমান অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ডেলিস রুদ্রিগোজের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে তাঁকে বাধ্য করেছেন ভেনেজুয়েলার বন্ধুরাজ্য কিউবাকে তেল পাঠাতে।

তবে ক্ষমতার এই হুঙ্কারে, বাড়াবাড়ি, বেয়াদপি এবং আহাম্মকি পৃথিবীতে নতুন নয়। ইতিহাসের পাতায় পাতায় তো ক্ষমতার উচ্চাশা, অধিকারের আস্ফালন। কিন্তু সব উন্মত্ত অহংকার এবং প্রসারিত শক্তির শোচনীয় পরিণতির সাক্ষীও ইতিহাস। এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে শেলির ‘ওজিম্যানন্ডিয়াস’ কবিতাটি: একটি ভাঙা বেদিতে শুধু লেখা, আমি রাজার রাজা ওজিম্যান্ডিয়াস। যত দূর চোখ যায় দেখে নাও আমার নিরন্তর সাম্রাজ্য। বেদিতে কোনও মূর্তি নেই। যত দূর চোখ যায় বিছিয়ে আছে অন্তহীন মরুবালি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.