সংস্কৃতকে কেবল ধর্মীয় আচারের ভাষা বা একটি নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসাবে উপস্থাপন করলে তার প্রকৃত বৌদ্ধিক ব্যাপ্তি সংকুচিত হয়ে যায়। পশ্চিমে সংস্কৃত নিয়ে বিবিধ ধারার আলোচনা ও চর্চা হচ্ছে। কিছু কারণে ভারতে এ ভাষাটি অনাদৃত ও অবহেলিত। ২৮ আগস্ট ‘বিশ্ব সংস্কৃত দিবস’ উপলক্ষে বিশেষ নিবন্ধ। লিখেছেন দ্বৈতা হাজরা গোস্বামী।
সংস্কৃত কেবল একটি প্রাচীন ভাষা নয়, এটি ভারতীয় উপমহাদেশ তথা সমগ্র প্রাচ্যের জ্ঞানচর্চা, দর্শন, কাব্য, গণিত, নান্দনিকতা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের সুবিশাল আকর। আচার্য পাণিনির ব্যাকরণগত নিখুঁত নিয়ম থেকে শুরু করে, কালিদাস, ভাস বা ভবভূতির অনন্য সাহিত্য সম্ভার– সংস্কৃতের ঝুলিতে যা আছে, তা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে বিরল। ১৮ এবং ১৯ শতকে ‘স্যর’ উইলিয়াম জোন্স, কিংবা জার্মান দার্শনিক, সাহিত্যিক ও ভাষাচিন্তক কার্ল ভিল্মহেম ফ্রিডরিখ ভন শ্লেগেল, অগাস্ট ভিলহেল্ম ফন শ্লেগেল এবং পরে ম্যাক্স মুলারের মতো ইউরোপীয় পণ্ডিতের হাত ধরে ইউরোপে ‘ইন্ডোলজি’ বা ভারতবিদ্যার সূচনা হয়– তখন সংস্কৃত ভাষাই হয়ে উঠেছিল ভারতের সমাজ, সংস্কৃতি ও মনন বিশ্লেষণের মূল চাবিকাঠি।
বর্তমানে আরও প্রাচীন বৈদিক সাহিত্যের রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে জানতে মানুষ যতটা উৎসুক, ততটা সরলভাবে তা সাধারণের মাঝে ধরা দেয়নি। এখানেই বিস্তর সুযোগ রয়েছে এই জ্ঞানকে আরও বেশি লোকসমাজের কাছের করে তোলার। সংস্কৃত মানে শুধু ‘মনুসংহিতা’, ‘গীতা’ বা বিশেষ দেবদেবীর প্রার্থনামন্ত্র, গৃহের আচার-অনুষ্ঠান নয়। এর সাহিত্যরসের, আধ্যাত্মিকতার, রসবোধের, ব্যাপ্তি আরও সুদূরপ্রসারী।
পশ্চিমে কি সংস্কৃত অবহেলিত?
পশ্চিম বিশ্বে সংস্কৃতের বর্তমান অবস্থাকে এককথায় ‘অবহেলিত’ বলা যাবে না, বরং বলা ভাল, এটি এক গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভারতে সংস্কৃতচর্চা যেভাবে প্রাতিষ্ঠানিক ও আচার-অনুষ্ঠানকেন্দ্রিক সীমাবদ্ধতায় আটকে পড়েছে, পশ্চিমে বিষয়টিকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়। তবে সেখানেও কিছু দিক চোখে পড়ার মতো।
বর্তমানে আরও প্রাচীন বৈদিক সাহিত্যের রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে জানতে মানুষ যতটা উৎসুক, ততটা সরলভাবে তা সাধারণের মাঝে ধরা দেয়নি। এখানেই বিস্তর সুযোগ রয়েছে এই জ্ঞানকে আরও বেশি লোকসমাজের কাছের করে তোলার।
ক্রমবর্ধমান চাপ
সাম্প্রতিক একাধিক দশকে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিকবিদ্যার অর্থায়ন, শিক্ষক নিয়োগ ও গবেষণার সুযোগ নিয়ে চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষত সংস্কৃত, ধ্রুপদী ভাষা ও ‘ইন্ডোলজি’-র মতো অপেক্ষাকৃত ছোট ও বিশেষায়িত ক্ষেত্রগুলি এই পরিবর্তনের ফলে তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, হার্ভার্ড বা হাইডেলবার্গের মতো প্রতিষ্ঠানে পরিস্থিতি একরকম নয়– কোথাও বাজেটগত চাপ ও শিক্ষক নিয়োগে বিধিনিষেধ দেখা গেলেও, ভারতবিদ্যা ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষণা এখনও সক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
আশার কথা, এই ক্ষেত্রের অধ্যাপকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখন ষাটোর্ধ্ব এবং অবসরগ্রহণের পর্যায়ে। ফলে তঁারা নতুন প্রজন্মের গবেষকদের এই বিদ্যাচর্চার সঙ্গে যুক্ত করতে বিশেষভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এই প্রজন্মান্তরের প্রয়োজনই নতুন গবেষকদের জন্য ইন্ডোলজির ক্ষেত্রে প্রবেশ ও কাজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করছে।
সাম্প্রতিক একাধিক দশকে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিকবিদ্যার অর্থায়ন, শিক্ষক নিয়োগ ও গবেষণার সুযোগ নিয়ে চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষত সংস্কৃত, ধ্রুপদী ভাষা ও ‘ইন্ডোলজি’-র মতো অপেক্ষাকৃত ছোট ও বিশেষায়িত ক্ষেত্রগুলি এই পরিবর্তনের ফলে তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
নতুন দিগন্ত
বাজেট ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট সত্ত্বেও পশ্চিমে সংস্কৃতচর্চা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়নি, বরং তার ক্ষেত্র ও পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। বিশেষত ‘কম্পিউটেশনাল লিঙ্গুইসটিক্স’ এবং ‘প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ’-এর (NLP) ক্ষেত্রে পাণিনির অষ্টাধ্যায়ীর নিয়মভিত্তিক ও আনুষ্ঠানিক ভাষাতাত্ত্বিক কাঠামো নিয়ে নতুন ধরনের গবেষণা হচ্ছে। পাণিনীয় ব্যাকরণের সূক্ষ্ম নিয়ম, প্রক্রিয়াভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং ভাষার গঠনকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পদ্ধতি আধুনিক ভাষাতাত্ত্বিক ও গণনামূলক গবেষণার ক্ষেত্রেও আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে।
দর্শন ও যোগশাস্ত্রের চাহিদা
পশ্চিমে যোগ, আয়ুর্বেদ এবং প্রাগাধুনিক ভারতীয় ও এশীয় দর্শনের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির ফলে সংস্কৃতের মূল পাঠ্যগুলির প্রতিও গবেষকদের আগ্রহ এখনও বজায় রয়েছে। বিশেষত ‘উপনিষদ’, ‘ভগবদ্গীতা’ এবং ‘পতঞ্জলির যোগসূত্র’-র মতো গ্রন্থকে অনুবাদের পাশাপাশি মূল সংস্কৃত ভাষায় পাঠ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা গবেষণাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আছে। ফলে সংস্কৃতচর্চা কেবল ঐতিহ্যগত ইন্ডোলজির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে ভাষাতত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব, যোগচর্চা এবং আন্তঃবিষয়ক গবেষণার সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে।
বৌদ্ধ ও জৈন স্টাডিজ, তন্ত্রচর্চা
একইভাবে পশ্চিমে বৌদ্ধ ও জৈন স্টাডিজ এবং তন্ত্র গবেষণার ক্ষেত্রেও নতুন করে আগ্রহ ও গবেষণার পরিসর তৈরি হয়েছে। সংস্কৃত, পালি, প্রাকৃত, তিব্বতি ও অন্যান্য প্রাচীন ভাষায় রচিত বৌদ্ধ ও জৈন বইয়ের পাঠ, অনুবাদ ও পুনর্মূল্যায়নের পাশাপাশি ভারতীয় তান্ত্রিক ঐতিহ্য, তার দর্শন, আচার ও সাহিত্য নিয়েও আন্তর্জাতিক স্তরে গবেষণা চলছে। ফলে সংস্কৃতচর্চা এখন আর কেবল ধ্রুপদী সাহিত্য বা বৈদিক গবেষণায় সীমাবদ্ধ নেই; বৌদ্ধ ধর্ম, জৈন ধর্ম, তন্ত্র, ধর্মতত্ত্ব, দর্শন ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের মতো বিস্তৃত আন্তঃবিষয়ক ক্ষেত্রের সঙ্গেও তা ক্রমশ যুক্ত হচ্ছে।
‘উপনিষদ’, ‘ভগবদ্গীতা’ এবং ‘পতঞ্জলির যোগসূত্র’-র মতো গ্রন্থকে অনুবাদের পাশাপাশি মূল সংস্কৃত ভাষায় পাঠ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা গবেষণাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আছে।
দেশে অনাদর, মূল কারণসমূহ
বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ভারতে, সংস্কৃত চর্চার বর্তমান সংকটের নেপথ্যে কয়েকটি আর্থ-সামাজিক, শিক্ষাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কারণ কাজ করছে। তবে এটিকে সংস্কৃতের প্রতি সম্পূর্ণ অনাগ্রহ হিসাবে দেখা ঠিক হবে না। বরং বলা চলে, আধুনিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও গবেষণার পরিবর্তিত কাঠামোর সঙ্গে সংস্কৃতচর্চার সংযোগ এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠেনি।
সীমিত সুযোগ
আধুনিক উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংস্কৃত নিয়ে পড়াশোনার পর শিক্ষকতা, গবেষণা, অনুবাদ, পাণ্ডুলিপি চর্চা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের মতো ক্ষেত্রে সুযোগ থাকলেও অন্যান্য পেশা ক্ষেত্রের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ এখনও তুলনামূলকভাবে সীমিত। ফলে তরুণ প্রজন্ম সংস্কৃত ভাষাকে ভালবাসলেও ভবিষ্যৎ পেশার কথা ভেবে কুণ্ঠিত।
তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে। ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’-তে সংস্কৃতকে ভাষাতত্ত্ব, দর্শন, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, যোগ, অনুবাদ, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং অন্যান্য আন্তঃবিষয়ক ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, সংস্কৃতের ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রকে কেবল বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা বা প্রথাগত গবেষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নতুন ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।
শিক্ষাদান পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা
ভারতে সংস্কৃত শিক্ষার বড় সমস্যা, অনেক ক্ষেত্রে ভাষাটিকে একটি ‘জীবন্ত ভাষা’ রূপে ব্যবহার করার পরিবর্তে ব্যাকরণ, অনুবাদ এবং পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষার উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা সংস্কৃতের সাহিত্যিক সৌন্দর্য, গল্প, নাটক, দর্শন এবং দৈনন্দিন ভাষাগত সম্ভাবনার সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায় না।
ভারতীয় সংস্কৃত শিক্ষাব্যবস্থাকে মুখস্থনির্ভর বলা সঠিক হবে না। নতুন পাঠ্যক্রম ও শিক্ষানীতিতে কথ্য সংস্কৃত, কার্যভিত্তিক শিক্ষা এবং সহজভাবে সংস্কৃত শেখানোর উপর ক্রমশ বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই পরিবর্তনকে আরও ব্যাপকভাবে বাস্তবায়িত করা প্রয়োজন।
বহুমাত্রিক পরিচয় সুপ্ত
সংস্কৃত জ্ঞানভাণ্ডার অত্যন্ত বহুমাত্রিক। এখানে বৈদিক সাহিত্য ও উপনিষদের পাশাপাশি রয়েছে বৌদ্ধ ও জৈন সাহিত্য, চার্বাক ও অন্যান্য দার্শনিক মত, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, পাণিনীয় ব্যাকরণ, আর্যভট্ট ও ভাস্করাচার্যর গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান, আয়ুর্বেদ, নাট্যশাস্ত্র, কাব্যশাস্ত্র, কামশাস্ত্র এবং অসংখ্য ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক রচনা। তাই সংস্কৃতকে কেবল ধর্মীয় আচারের ভাষা বা একটি নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসাবে উপস্থাপন করলে তার প্রকৃত বৌদ্ধিক ব্যাপ্তি সংকুচিত হয়ে যায়। সংস্কৃতকে তার বহুধাবিস্তৃত জ্ঞান-ঐতিহ্যের আলোকে পুনরায় উপস্থাপন করা প্রয়োজন।
সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা
এই আলোচনাটি স্বল্প পরিসরে শেষ হওয়ার নয়। তাই শেষ করছি আমারই একটি সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা দিয়ে। পৃথিবীজুড়ে সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যচর্চার সঙ্গে যঁারা যুক্ত, তঁাদের কাছে ‘DICSEP’ (Dubrovnik International Conference on Sanskrit Epics and Purāṇas) কনফারেন্সে অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত শ্লাঘার বিষয়। ওয়ার্ল্ড বৈদিক ওয়ার্কশপের মতোই এটি ৩ বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজক জাগ্রেব বিশ্ববিদ্যালয়, ক্রোয়েশীয় দার্শনিক সমিতি এবং সংস্কৃত অধ্যাপকদের আন্তর্জাতিক আয়োজকমণ্ডলী। আইসিসিআর-এর সহায়তায় সংঘটিত এই বছরের কনফারেন্সের সময়কাল ছিল ৩-৮ আগস্ট। কনফারেন্সে আমার প্রেজেন্টেশনের বিষয় ছিল: “Forest Gods and Goddesses Across Classical Texts and Vernacular Territories: A Comparative Study of Araṇyānī, Araṇya Ṣaṣṭhī, and Bengal’s Regional Forest-Deity Cultures.”
অংশগ্রহণ করেছিলেন পৃথিবীর ৪০টিরও বেশি সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫০ জন পুরাণ বেদ, মহাকাব্য বিশেষজ্ঞ। উদয়পুরের বিখ্যাত ‘ধরোহর’ নামে একটি সংস্থা, যারা লক্ষাধিক পুঁথিপত্র ডিজিটাল সংরক্ষণের কাজ করে চলেছে, তার কর্ণধার এসেছিলেন। এসেছিলেন দিল্লির ‘দেব পাবলিশার্স’-এর কর্ণধার তঁার অনুপম সংস্কৃত বইয়ের সম্ভার নিয়ে। কনফারেন্সের এ বছরের মূল থিম বা বিষয় ছিল: ‘নদী ও অরণ্য’।
এইরকম আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে স্কলারদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় যেটুকু বোধগম্য হল– বিদ্যালয়ে উন্নত শিক্ষাপদ্ধতি, বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিষয়ক গবেষণা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সংযোগ– এই তিনের সমন্বয়েই সংস্কৃতচর্চার নতুন ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব।
(মতামত নিজস্ব)
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ট্রেনের আগে রেললাইনে দৌড়চ্ছে চিতাবাঘ! আতঙ্কিত যাত্রীরা, ভাইরাল ভিডিও
-
ঠোঁটে কালশিটে গাল ফুলে ঢোল, এলোমেলো চুলে বিবর্ণ মিমি! আচমকা কী হল অভিনেত্রীর?
-
সারাদিন মিলবে না কোনও অ্যাপ ক্যাব-বাইক! ১২ ঘণ্টার ধর্মঘটে যাত্রী নাকালের আশঙ্কা
-
পিতা-পুত্রের রাজনৈতিক মতাদর্শের মাঝে প্রজন্ম-ফারাক! মুক্তি পেল সৃজিতের ‘উইঙ্কল টুইঙ্কল’-এর ট্রেলার
-
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে ভর্তিতে ‘বেনিয়ম’, এবিভিপির নিশানায় জুটা