শেষ দিনের শুরুতে ভারতের স্পিন আক্রমণ ভালোই সামলাচ্ছিল শ্রীলঙ্কার ধনঞ্জয় ডি সিলভা এবং সোনাল দিনুশা। তবে রবীন্দ্র জাদেজার বলে ধনঞ্জয় আউট হতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সেই সময় ক্রিজে এলেন নিরোশন ডিকওয়েলা। তার পরেই শুরু হয় যশস্বী জয়সওয়ালের (Yashasvi Jaiswal) স্লেজিং। সেই ফাঁদে পা দেন শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ ব্যাটার।
ম্যাচ বাঁচাতে গেলে ডিকওয়েলাকে টিকে থাকতেই হত। বলা চলে, তিনিই শেষ ভরসা ছিলেন। কিন্তু ৩৩ বছর বয়সি শ্রীলঙ্কান ব্যাটার নামার পর উইকেটের পিছন থেকে ক্রমাগত কথা বলতে থাকেন যশস্বী। শ্রীলঙ্কার ব্যাটারকে লেগ সাইডে বড় শট খেলার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। যশস্বী বলেন, “প্রথম ইনিংসে অনেক শট খেলেছ। কিছু একটা দেখাও। ওই দিকে (ডিপ স্কোয়ার লেগ) মারো। ছয় মারো। আমি তোমাকে আইপিএলে নিয়ে যাব।”
আরও পড়ুন:
THE BANTER BETWEEN YASHASHVI JAISWAL × NIROSHAN DICKWELLA 🤯 pic.twitter.com/PL1NljcOtE
— Maina Singh (@Maina_Singhx77) August 19, 2026
ছাড়েননি ডিকওয়েলাও। তাঁর পালটা জবাব, “কোনও দরকার নেই। আমাকে আইপিএলে নিয়ে যাও। তার পর ছয় মারব।” যশস্বী তখন আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, “আমরা নেব, ১০০ শতাংশ। এসো, একটা ছয় মারো। আমি তোমাকে আইপিএলে নিয়ে যাব।” উত্তরে ডিকওয়েলা বলেন, “ধন্যবাদ।”
এই কথোপকথনের পর বেশিক্ষণ টেকেননি শ্রীলঙ্কান ব্যাটার। পরের ওভারেই প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ একের পর এক বাউন্সার দিয়ে তাঁকে চাপে ফেলেন। আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে শর্ট বলে খোঁচা দিয়ে ১০ রানে আউট হন ডিকওয়েলা। তিনি ফিরতেই আরও চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কার লোয়ার অর্ডার। পঞ্চম দিনের শুরুতে যে শ্রীলঙ্কা টিম ইন্ডিয়ার স্পিনারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, সেই শ্রীলঙ্কাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায়। যশস্বীর কথার ‘টোপ’ গিলেই ডিকওয়েলার বিদায়ের পর ভারতের জয় ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত ৩৭২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা গুটিয়ে যায় ২০৬ রানে। ১৬৫ রানে জয় পায় ভারত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভূরি ভূরি সুযোগ নষ্টের ম্যাচে টাইব্রেকারে জয়, ডুরান্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল
-
পাঞ্জাবেই সংখ্যালঘু হওয়ার পথে শিখেরা! ‘বেশি করে সন্তান নিন’, বলছে উদ্বিগ্ন অকাল তখত
-
কোর্টের নির্দেশে ‘অস্থায়ী’, বিরোধী দলনেতা হিসাবে সেই ঋতব্রতর নাম উঠল বিধানসভার বোর্ডে
-
পুকুরে অন্নপূর্ণার ফর্ম! টাকা না পেয়ে পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝোলালেন মহিলারা
-
রোজ মিষ্টি খাচ্ছেন! অজান্তে বাড়ছে টাক পড়ার আশঙ্কা, কী বলছেন চিকিৎসকরা?